প্রকাশিত: জুলাই ৩, ২০২৬
প্রকাশিত:
হিমু;
মো মিজানুর রহমান ছাত্রজীবনে মফস্বলের সাংবাদিক হিসেবে পেশাজীবনের শুরু করেছে । যা ছিল অনিশ্চিত ঝুঁকিপূর্ণ এক তার যাত্রা। একপর্যায়ে আর মানুষ হবে না ভেবে পরিবার যখন তার উপর আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন, তখন এক বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে বরিশাল থেকে ঢাকা চলে আসে। সাংবাদিকতাকে আরো শক্তভাবে আঁকড়ে ধরে। কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায় চাকরির একপর্যায়ে যোগদান করে ব্যাংকের জনসংযোগ বিভাগে। কিন্তু তখনও সাংবাদিকতা ছাড়েনি। আরো গভীরভাবে যুক্ত হয় দেশের গণমাধ্যমের বিভিন্ন ধারায়।
চাকরির পাশাপশি ব্যাংকে আর স্বেচ্ছাশ্রম সাংবাদিকতায়। চাকরির বাইরে কোনো আর্থিক সুবিদা ছাড়াই নিজের সময়টুকু ব্যয় করে গণমাধ্যমে। বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃত্বের পাশাপাশি ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকতায় নতুন ধারা প্রতিষ্ঠায় শুরু করে এক কঠিন চেষ্টা। যা তার জীবনে এখনও চলমান।
এদিকে সময় গড়িয়ে এক যুগ পার হয়ে যায় ব্যাংকে। এখানেও পেশাগত কাজ চলে আপন গতিতে। যার ধারাবাহিকতায় আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের বিসিএমডি প্রধান হিসেবে কর্তৃপক্ষ সানন্দে পদন্নেতি দেন। ব্যাংকে নিয়োগ পায় সাংবাদিক হিসেবেই। ব্যাংকার নয়, ব্যাংকের বিশেষায়িত বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা হিসেবে।
আলহামদুলিল্লাহ। দেশের গণমাধ্যম তার এই নতুন ধরনের চেষ্টাকে গ্রহণ করেছে। পেশাদার সাংবাদিকরা এক মুহূর্তের জন্যও তার হাত কখনো ছেড়ে দেননি। বরং তার শত দোষ উপেক্ষা করে সাংবাদিক সমাজ তাকে আগলে রেখেছেন পরম মমতায়। সাংবাদিকদের একজন প্রতিনিধি হিসেবেই আজ মিজানুর রহমান এখানে এসেছে মনে করেন।মিজানুর রহমান যা কিছু অর্জন করেছেন তার প্রায় সবটাই গণমাধ্যমের অবদান মনে করেন।
তাই মিজানুর রহমান প্রাণঢালা অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে।