২৬শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার,রাত ৩:৪৬

শিরোনাম
ভারতীয় দুই নাগরিক গ্রেফতার বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মীকে মালয়েশিয়া পাঠাবে সরকার: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী তিন সাংবাদিককে মারধরের পর বিএনপি নেতা বললেন, ‘তোমরা লেখবা, আমরা পিডামু’ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সমাবেশে বাধার তীব্র প্রতিবাদ এনসিপির রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর প্রথমবার ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন মির্জা ফখরুল বাগেরহাটের সাবেক এমপি মিলনকে গ্রেপ্তার দেখানো হলো বিএনপি কর্মী মকবুল হত্যা মামলায় মামলা পরিচালনা করতে গিয়ে কোটি টাকাসহ প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালালেন আইনজীবী ১৫ আগস্টে নাশকতার পরিকল্পনার মামলায় ১৫ আসামি রিমান্ডে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে নতুন ‘সিন্ডেকেটের’ আশঙ্কা জামায়াত ও এনসিপির

কর্ণফুলী চ্যানেলে লাইটার জাহাজ ডুবি: কোস্ট গার্ডের তৎপরতায় ১২ নাবিকদের জীবিত উদ্ধার

প্রকাশিত: জুন ৩০, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি ঃ চট্টগ্রামের কর্ণফুলী চ্যানেলে দুটি লাইটার জাহাজের মুখোমুখি সংঘর্ষে একটি জাহাজ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় সাহসী উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে ১২ জন নাবিকদের  জীবিত উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

মঙ্গলবার (৩০ জুন ২০২৬) সকালে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মঙ্গলবার ভোররাত প্রায় ৩টার দিকে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থানাধীন কর্ণফুলী নদীর ১৮ নম্বর ঘাটসংলগ্ন এলাকায় এমভি বে হারবার-২ নামের একটি লাইটার জাহাজ ঢাকা অভিমুখে যাওয়ার সময় চলমান এমভি সামুদা-৬ নামের অপর একটি লাইটার জাহাজের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে পড়ে। এতে জাহাজটির হাল ফেটে পানি প্রবেশ করলে এটি একপাশে হেলে যায় এবং পরে বহিঃনোঙর বয়া নম্বর ২ ও ৩-এর মধ্যবর্তী স্থানে প্রায় সম্পূর্ণ নিমজ্জিত হয়।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোস্ট গার্ড পূর্ব জোনের অধীন বিসিজি আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। অভিযানে ডুবে যাওয়া জাহাজে থাকা ১২ জন নাবিকদের মধ্যে ৮ জনকে ঘটনাস্থল থেকেই জীবিত উদ্ধার করা হয়। বাকি ৪ জন প্রবল স্রোতের টানে পারকির চর এলাকায় ভেসে গিয়ে নিরাপদে তীরে উঠতে সক্ষম হন।

উদ্ধার হওয়া নাবিকদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের সংশ্লিষ্ট জাহাজ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী এলাকায় জনগণের জানমাল রক্ষায় এবং যেকোনো জরুরি উদ্ধার কার্যক্রমে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • শেয়ার করুন