১৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার,সকাল ৭:১৩

শিরোনাম
জুয়ার আসর থেকে দুই ইউপি সদস্যসহ ৫ জন গ্রেফতার সাবেক সহকারী পরিচালকের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় মামলা রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে শুনানি রোববার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ, অঙ্গসংগঠনের ৫৩ নেতাকর্মী ঢাকায় গ্রেফতার: ডিএমপি মাদ্রাসার শৌচাগারে শিক্ষার্থীর লাশ, শিক্ষক জাকারিয়া তিন দিনের রিমান্ডে, শুনানিতে উঠে এল নানা তথ্য নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮: ৪২ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতফাইল ছবি রাজধানীর রায়েরবাগের জোড়াখাম্বা এলাকার একটি মাদ্রাসার শৌচাগার থেকে ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হাফেজ মো. জাকারিয়াকে (৩৫) তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। গ্রেপ্তার অপর এক শিক্ষকের বয়স মামলার এজাহারে ২০ বছর উল্লেখ করা হলেও শুনানিতে তাঁর আইনজীবী অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার প্রমাণ উপস্থাপন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাঁকে শিশু বিবেচনায় রিমান্ড শুনানির জন্য শিশু আদালতে পাঠানোর আদেশ দেন। আজ বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালত এ আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী হারুনর রশীদ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ৩ আগস্ট বেলা দেড়টার দিকে মাদ্রাসার তৃতীয় তলার একটি শৌচাগার থেকে ১৩ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর মা বাদী হয়ে ওই রাতেই কদমতলী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ৩ আগস্ট ওই মাদ্রাসা থেকে দুই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ৪ আগস্ট তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। ৫ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আমজাদ হোসেন আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আজ আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হলে রিমান্ড শুনানি হয়। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, নিহত শিশু ও তার ছোট ভাই ওই মাদ্রাসায় পড়ত। বিভিন্ন অজুহাতে শিক্ষকেরা ওই শিশুর ওপর নির্যাতন চালাতেন। বিষয়টি সে তার মাকে জানালে মা তাকে মাদ্রাসা থেকে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন, কিন্তু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ছাড়পত্র দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তী সময়ে সে আর মাদ্রাসায় পড়বে না বলে শিক্ষকদের জানালে তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে মারধর করেন এবং বেলা একটা থেকে আড়াইটার মধ্যে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। আদালতে বাদী ও আসামিপক্ষের যুক্তি শুনানিতে বাদীপক্ষের আইনজীবী হারুনর রশীদ খান রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতকে বলেন, ১৩ বছরের একটি শিশুকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে বাথরুমে হত্যা করা হয়েছে। অথচ আসামিপক্ষ এটিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করছে, যা একটি অগ্রহণযোগ্য যুক্তি। ওই শিশুটি আগেই তার মাকে জানিয়েছিল, সে এই মাদ্রাসায় পড়তে চায় না। আইনজীবী আরও বলেন, নিহত ছাত্রটি পড়াশোনায় ভালো ও শান্ত স্বভাবের ছিল। শিক্ষক তাকে নিজের কাছে ঘুমানোর জন্য বলতেন। মূলত গোপন রহস্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়েই তাকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আসামিদের রিমান্ড প্রয়োজন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। তিনি বলেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। মাদ্রাসার অন্য ছাত্রদেরও কোনো অভিযোগ নেই। সেখানে ধর্ষণ বা হত্যার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। আদালতে শিক্ষক ও নিহতের ভাইয়ের বক্তব্য শুনানিকালে বিচারক কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা আসামি জাকারিয়াকে কোনো বক্তব্য আছে কি না জানতে চান। এ সময় জাকারিয়া বলেন, ‘আমরা হাফেজ মানুষ, আমরা মারিনি। ঘটনার দিন ওই ছেলে পড়া না পারায় তাকে কিছুক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। জোহরের নামাজের আগে সে বাথরুমে যায়। নামাজ শেষে খোঁজ নিয়ে জানা যায় সে ফেরেনি। পরে বাথরুমের দরজা ভেঙে তাকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। আমাদের ছাত্ররা এর সাক্ষী।’ আদালত জাকারিয়াকে মাদ্রাসায় সিসিটিভি ফুটেজ আছে কি না, জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজ নেই, অনেক আগেই হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে গেছে। এ ছাড়া ওই ছাত্র এর আগেও কয়েকটি মাদ্রাসা থেকে পালিয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। তখন আদালত প্রশ্ন করেন, ‘এই ডিজিটাল যুগে আপনাদের সিসিটিভি ফুটেজ নেই কেন?’ শুনানির একপর্যায়ে আদালত নিহত শিক্ষার্থীর ছোট ভাইকে ডেকে কথা বলেন। মাদ্রাসায় তাদের মারধর করা হতো কি না, জানতে চাইলে শিশুটি বলে, ‘আমাদের অনেক মারধর করা হতো। ভাইয়ের সাথে বেশি খারাপ ব্যবহার করা হতো।’ কেমন খারাপ ব্যবহার করা হতো, তা জানতে চাইলে শিশুটি আর কোনো উত্তর দেয়নি। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত শিক্ষক জাকারিয়ার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং অপর শিক্ষককে শিশু আদালতে রিমান্ড শুনানির জন্য পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালত প্রাঙ্গণে স্বজনদের বিক্ষোভ আজ আদালতে নিহত শিক্ষার্থীর মা ও পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আসামিদের আদালত থেকে নামানোর সময় উত্তেজিত স্বজনেরা তাঁদের মারধর করতে উদ্যত হন। পুলিশ দ্রুত আসামিদের হাজতখানায় নিয়ে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় নিহত শিশুর ক্ষুব্ধ স্বজনেরা আসামিদের ফাঁসির দাবিতে স্লোগান দেন ও আদালত প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেন। পৌর মেয়র থেকে রাষ্ট্রপতি, কখন কী ছিলেন মির্জা ফখরুল মেয়াদ শেষের ১১ মাস আগেই বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদের নিয়োগ বাতিল রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছেন তারেক রহমান আমানতের উৎসে কর সরকারি কোষাগারে জমার সময় বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

গনপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী শামীম আকতার মেয়ের বিবাহে হাতিয়ে নিলেন মুরিদানের মাধ্যেম কোটি কোটি টাকা

প্রকাশিত: অক্টোবর ৬, ২০২৫

  • শেয়ার করুন

মেয়ের বিবাহের নামে মুরিদ দিয়ে হাতিয়ে নিলেন কোটি কোটি টাকা ।

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ

গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ শামীম আখতার সুফিবাদ মতাদর্শের অনুসারীদের প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।তাছাড়া,তিনি নারায়ণগঞ্জের ভুঁইগড়ের হাকিমাবাদ খানকা-ই-মোজাদ্দেদিয়ার ‘পীর সাহেব। তিনি  তার মেয়ের  বিবাহ অনুষ্ঠানে গত জুন মাসের ২৮ তারিখ ১২ ০০ শত  লোককে নিমন্ত্রন দেন চিন  মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে । এই অনুষ্ঠানে তিনি তার পছন্দময়ী  তার অধিদপ্তরের ও মন্ত্রনালয়ের, ঠিকাদার, মুরিদানদের নিমন্ত্রন দিয়েছেন। এখানে যে খরচ হয়েছে আপ্যায়নে ও ভাড়া বাবদ সেই টাকা একজন সৎ ও আদর্শ বিবেকবান সরকারী অফিসারের পক্ষে করা  সম্ভব নয়।  আর এখানেপীর দাবীদার শামীম আকতারের  বেতন গ্রেড-১ অনুবাদে  ৭৮ থেকে ৮০ হাজার টাকা। সে নিজেকে ১০০ % সৎ ও বিবেকবান দাবী করেন।সেই শর্তে তার পক্ষে এত বড় অনুষ্ঠান করা সম্ভব নয় বলেই তার দপ্তরের জনৈক প্রকৌশলী  জানান। তিনি আরও দুঃখ করে বললেন পীর সাহেব ইসলামের কথা বলেন অথচ যারা সারা দিন অফিসে  তার খেদমত করেন তাদের কাউকে এই বিবাহ অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রন করে নাই। তা হলে ষ্টাফদের মধ্যে পীর সাহেব বৈষম্য সৃষ্টি করলো না ? অতিরিক্ত, তত্ত্বাবধায়ক ও নির্বাহী প্রকৌশলীদের মাঝ থেকে যাদের টাকা আছে, যারা তার মুরিদ হয়েছেন বা হবেন সারাদিন তোষামত করেন তাদের নিমন্ত্রন দিয়েছে। এ ছাড়া তার মুরিদানগনের মধ্যেও বিত্তবানদের নিমন্ত্রন করেছেন। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায় বিবাহে উপস্থিতির ৯০ % অতিথিগন টাকা উপহার দিয়েছে।““যার প্রমান  সংযুক্ত ছবিতে ” আর এই উপহারের পরিমান প্রায় ৩ কোটি ছাড়িয়ে যাবে বলে তার বিশ্বস্ত ষ্টাফ  নাম না প্রকাশ শর্তে বললেন ।পীর সাহেবের  মেয়ের বিবাহে বাছাই করে অতিথি নিমন্ত্রন করবেন এমন আশা তার মুরিদগন বা ষ্টাফরা মনে করেন নাই। যে মানুষ পীর উপাধি নিয়ে  ও খানকায় বসে ওয়াজ মাহফিল করে সেই মনুষটি কি করে  মানুষের মাঝে শ্রেনী বিভাজন করে দেখে বা চলাফেরা করে ? এমন কর্মকান্ডের মন্তব্য তার মুরিদানের উপরই ছেড়ে দেওয়া হলো।এমন প্রশ্ন জেগে ওঠেছে  দপ্তরের কিছু আদর্শবান লোকদের মুখেও । আসলে কি তিনি পীর ? না দান্দাবাজ ? তার পোষাক, মোসন,তার লেফাজ এগুলি কি তার টাকা হাতিয়ে নেয়ার কৌশল ।সরল সহজ মানুষদের ধোকা দিয়ে মুরিদ বানিয়ে সহজে টাকা আয় করার একটা ফঁন্দি । যেমন একটা প্রবাদ বাক্য আছে  ““চোরা মুরগির মাংস খাওয়া জায়েজ নাই” কিন্তু জোল খাওয়া জায়েজ আছে “” আপনাদের পীর সাহেব কোন ভুমিকা পালন করলেন?  ভারতের“ মুর্শিদাবাদের জলাঙ্গী থানা” থেকে এসেছেন বলে ফ্যাসিবাদ সরকারের বিশ্বস্তাপান। যার ফলে প্রধান প্রকৌশলীর দায়িত্ব দিয়েছিল। পীর উপাধী” আসলে ওটা একটা তার ভালো সাজার সাইনবোর্ড।তবে তার নামে একাধীক অভিযোগ দুর্নীতিদমন কমিশন  গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছেন বলে জানা গেছে ।

 

পানজামীর উপর কোটি পড়াই পীর সাহেব, কাটা চামচ দিয়ে খাচ্ছেন

 নিন্মে কিছু পীরদের ভিতরের দর্শন উল্লেখ করলাম ঃ

অলী উপাধী লোকজন কি কাটা চামচ দিয়ে খাবেন , গরীব লোকদের তার বাড়ীতে দাওয়াত দিবেন না, বড় লোকদের দাওয়াত দিবেন এটাই কি অলীদের দর্শন।

AI উত্তর

না, এটি অলীদের দর্শন নয়।

বরং, ওলীদের দর্শন হলো নম্রতা, আধ্যাত্মিকতা ও নৈতিকতার প্রতি অবিচল থাকা, যা সামাজিক বা অর্থনৈতিক ভেদাভেদ করে না। “ওলী” উপাধি একটি সম্মানসূচক পদ, যার মাধ্যমে আল্লাহ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সেবাপরায়ণতা বোঝানো হয়।

ওলীদের দর্শন সম্পর্কে কিছু তথ্য:

  • নম্রতা বিনয়:ওলীরা অত্যন্ত বিনয়ী হন এবং কখনও নিজেদের বড় মনে করেন না।
  • সবার প্রতি ভালোবাসা:তারা সকল মানুষের প্রতি, ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সমানভাবে ভালোবাসা ও সম্মান প্রদর্শন করেন।
  • আধ্যাত্মিকতা:তাদের মূল লক্ষ্য থাকে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা ও আধ্যাত্মিক পথে অগ্রসর হওয়া।
  • নৈতিকতা:ওলীদের জীবনে মিথ্যা বলা, স্বার্থপরতা ও অন্যদের অসম্মান করার কোনো স্থান নেই।

অতএব, “কাটা চামচ দিয়ে খাওয়া” বা “গরীব লোকদের বাদ দিয়ে শুধু বড় লোকদের দাওয়াত দেওয়া” – এগুলো ওলীদের দর্শনের সম্পূর্ণ বিপরীত। এটি বরং অহংকার ও সামাজিক বৈষম্যেরই প্রকাশ, যা ওলীদের পথ নয়।

পীর সাহেব তার খানকায় ‍বাইয়াত করছেন

গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলীর পদে আসার আগে শামীম আকতার ছিলেন হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এইচবিআরআই) মহাপরিচালক। সেখানে কখনও কখনও প্রকল্প পাস না করে, কখনও টেন্ডার হওয়ার আগেই কোটি কোটি টাকার কাজ পেয়ে যেতেন তার মুরিদ ঠিকাদাররা।মাসে লাখ টাকা বেতনে প্রকল্পের পরামর্শক, কর্মকর্তাপ্রকৌশলী থেকে বাবুর্চিমালীর মতো পদগুলোয়ও নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল মুরিদদের। তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ তখন জমা পড়েছিল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে।স্বৈরাচারী সরকারের দোষরগন দেখলেন শামিম আকতারের শরীরে ভারতের রক্ত বইছে। তার বাবার বাড়ী ভারতের মুর্শিদাবাদে । তাকে বিশ্বাষ করা যায় , কারন সরকারের সব চেয়ে  বিশ্বস্ত লোক বা বন্ধু হলো ভারত সেই  কারনে তার সব  অভিযোগকে চাঁপা দিয়ে  প্রধান প্রকৌশলী পদে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয় । আর  এবার নীবিরভাবে  ঠান্ডা মাথায়  দুর্নীতি, অণৈতিক  সব রকমের কাজ  হওয়া শুরু করে। স্বৈরাচারী সরকারের  কোষাগারে একটা  মাসওয়ারা নীয়মিত জমা দিতেন বলে জানা যায়।

গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী) গণপূর্ত অধিদপ্তরকে নিজের আস্তানা বানিয়েছেন। অনিয়মের সাথে জড়িত এসব প্রকৌশলীর একটি অংশ তার মুরিদবা শিষ্য হয়েছেন। এর বাইরে ঠিকাদারের একটি গ্রুপ রয়েছে যারা তার মুরিদ। মুরিদ হলে অনিয়ম করে পার পাওয়া যায়। ঠিকাদারি করলে দরপত্রের কাজ পাওয়া সহজ হয়। পীরের বিরুদ্ধে অধিদপ্তরের কেউ কথা বললে তার বদলী আদেশের চিঠি চলে আসে। এই ভয়ে অনেকে তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে চান না । ঠিকাদার মুরিদ এবং কিছু মুরিদ কর্মকর্তা নিয়ে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করে অধিদপ্তরে রাজত্ব করছেন প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ শামীম আকতার। তার নেতৃত্বেই চলছে এসব অনিয়ম-দুর্নীতি।প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ শামীম আখতার ও তার দুর্নীতির সিন্ডিকেট সদস্য-অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আলমগীর খান ,তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো: কায়কোবাদ,তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সতীনাথ বসাক,নির্বাহী প্রকৌশলী আতিকুল ইসলাম,নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদ, নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান ওরফে ডিপ্লোমা মাহবুব, নির্বাহী প্রকৌশলী মো: কায়সার ইবনে সাঈখ, নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইউসুফ, নির্বাহী প্রকৌশলী পবিত্র কুমার দাস নির্বাহী প্রকৌশলী মাফুজুর রহমানম নির্বাহী প্রকৌশলী আজমল গং অনিয়ম দুর্নীতির মাধ্যমেবাড়ি,প্লট,ফ্লাট,গাড়িসহ প্রচুর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ গড়ে তুলেছেন।যা তাদের জ্ঞাত আয়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। উপরোক্ত সকলের নিজ ও পরিবারের সদস্যদের জাতীয় পরিচয় পত্রের বিপরীতে সম্পদের অনুসন্ধান করলে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের সন্ধান পাওয়া যাবে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ শামীম আখতার ও তার সিন্ডিকেট সদস্যদের বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে উস্কানী প্রদান ও অর্থায়ন,ক্ষমতার  অপব্যবহার,অনিয়ম,দুর্নীতি ও জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করার জন্যে দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রতি আহবানও জানানো হয়েছে আবেদনে। এবিষয়ে বক্তব্য নেয়ার জন্যে প্রধান প্রকৌশলী মোহাম্মদ শামীম আখতারের  মুঠো ফোনে (মোবাইল ) ফোনে কল করলাম তা তিনি রিসিভ করেনী। শামীম আকতার বলে থাকেন সাংবাদিকগন লেখলে কিছু আসে যায় না।কারন যার হাতে আমার চাকরি সে-ই আমার মুরিদ”” সে তো আমার ভক্ত। কে আমার ক্ষতি করবে ? উপদেষ্টা ও সচিব থেকে মন্ত্রনালয়ের পিয়ন পর্যন্ত  আমার শিষ্য।

  • শেয়ার করুন