প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬
জেলা প্রতিনিধি ঃ 
চট্টগ্রাম দক্ষিন বন বিভাগের ধুমঘাট ফরেস্ট চেক স্টেশনে অবৈধভাবে চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে ডেপুটি রেঞ্জার ইলিছুরগংদের বিরুদ্ধে। বন সংরক্ষক মোল্লা রেজাউল করিমকে এবং বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সফিকুল ইসলামকে মাসোহাড়া দিয়ে বছরের পর বছর নিয়ম বহির্ভূতভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। চট্টগ্রামের বন প্রশাসন অবৈধ টাকার কাছে নীরব ভূমিকা পালন করছেন।
ধূমঘাট স্টেশনে কাঠের গাড়ি চেকিংয়ের নামে প্রতি গাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবন, লামা, আলীকদম, কক্সবাজার থেকে আসা বৈধ এবং অবৈধ কাঠের গাড়ী থেকে তিনি উৎকোচ নিয়ে থাকেন। অনুসন্ধানে জানা যায় স্টেশনে তিনি অনিয়মকে নিয়মে পরিনত করেন। তার সহযোগিতায় রয়েছেন চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি শক্তিশালী সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক শাহানসাহ নওশাদ নামে এক ডেপুটি রেঞ্জার। যিনি দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম অঞ্চলকে হাতের মুষ্টিবদ্ধ করে রেখেছেন বলে জানা যায়। ইলিছুর এবং নাওশাদ একই সাথে নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন মিরসরাই এবং ধুমঘাট চেক স্টেশনসহ অনেকগুলো রেঞ্জ এবং স্টেশন। নওশাদের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম অঞ্চলে কর্মকর্তা কর্মচারীরা অভিযোগ করেন তিনি একক নিয়ন্ত্রণে শক্তি বলয় তৈরী করে রেখেছেন। কেও কিছু বললে ইলিগেশনের ভয় দেখিয়ে এবং মিথ্যা সংবাদের ভয় দেখান। নাওশাদ ইলিছুরগংরা নিজেকে অপকর্মের সম্রাট মনে করেন। তিতুমীর ইতিপূর্বে নারায়নহাটে বিভিন্ন কাঠ পাচার বনদস্যু ভুমিখেকোদের সাথে আতাত করে বহু বনের জায়গা বিক্রি করে হাতিয়ে নিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।
ধুমঘাট চেক স্টেশনে সহযোগি অফিসার ডেপুটি রেঞ্জার আঙ্গুর, ফরেস্ট গার্ড নাসির চৌধুরীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে। নাসির ফরেস্ট গার্ড হেড কোয়াটার থেকে সরাসরি স্টেশনে বদলি হয়েছে যা বন বিভাগের বদলি নীতিমালা বহির্ভূতভাবে ক্ষমতার দাপটে বদলি হয়েছেন। এই স্টেশনে অবৈধভাবে গোল কাঠ, রদ্দা কাঠ,জ্বালানি কাঠ ,ফার্নিচার গাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি করেন। স্থানীয় ব্যাবসায়ী নুরু সওদাগর অভিযোগ করেন ধুমঘাট স্টেশনের এস ও ইলিছুর রহমান তিতুমীর একটা আতন্কের নাম। স্টেশনে তার সহযোগিতায় নাসির এবং আঙ্গুর রয়েছেন।
খাগড়াছড়ি কাঠ ব্যাবসায়ি আনোয়ার হোসেন আনু জানান ধুমঘাট স্টেশনে জোর জুলুম করে টাকা পয়সা আদায় করা হয়। চাঁদা না দিলে অবৈধভাবে বন মামলা দিয়ে দেয় বৈধ কাঠের গাড়িতে। এই ব্যাপারে স্টেশন কর্মকর্তা ইলিছুর রহমান তিতুমীরকে একাধিকবার তার মুঠো ফোনে ফোন দিলেও মোবাইল ধরেননি।