প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৯, ২০২৬
জেলা প্রতিবেদক ঃ

প্রকৌশলী জামাল হোসেন
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বির্তকিত প্রকৌশলী জামাল হোসেন এবার ময়মনসিংহে পোস্টিং এর জন্য ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকার চুক্তিপত্রের মাধ্যমে লবিস্ট নিয়োগ করে বির্তকের জন্ম দিয়েছেন! কাজ না করেই প্রায় কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি জানলেও এখনো প্রয়োজনীয় আইনগত কোনো ব্যবস্থা নেয়ার লক্ষ্মণ দেখা যায়নি। দুদকেরও কোনো ব্যবস্থা চোখে পড়েনি।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামাল হোসেনের বর্তমান কর্মস্থল শেরপুর জেলায়। অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২৫/০২/২০২৫ ইং তারিখে শেরপুর জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী পদে যোগদান করেন। এর আগে ময়মনসিংহ জেলায় বিভিন্ন বির্তকের মধ্যদিয়ে ৪ চার বছরের অধিকাল দায়িত্ব পালন করেন এই প্রকৌশলী। গত বছরের ফেব্রুয়ারীতে শেরপুর জেলায় যোগদানের পর টাকার কুমির জামাল হোসেন বড় অংকের টাকার বিনিময়ে ১৭/০৭/২০২৫ ইং তারিখে ময়মনসিংহে পোস্টিং করাতে সক্ষম হন। এদফায় তিনি ময়মনসিংহে ১৩ দিন দায়িত্ব পালন করেন। তার অস্বাভাবিক বদলী ও অপকর্মের বিরুদ্ধে নানাবিধ সমালোচনা শুরু হলে কর্তৃপক্ষ জামাল হোসেনকে শেরপুরে ফেরত পাঠান, সেখান থেকে অদ্যাবদি শেরপুর জেলায় কর্মরত। সম্প্রতি পুনরায় ময়মনসিংহে বদলীর জন্য চুক্তি পত্রের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার রশিদুল হাসান বাবলুকে লবিস্ট নিয়োগ করেন। বিগত ০৩/১১/২০২৫ ইং তারিখে ৩০০টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে বদলী সংক্রান্ত বিষয়ে তদবির করার জন্য লবিস্ট নিয়োগের চুক্তি পত্রে জামাল হোসেন স্বাক্ষর করেন। স্ট্যাম্প নম্বর- গজ ২৮৬৮৩৭২, গজ ২৮৬৮৩৭৩ ও গজ ২৮৬৮৩৭৪। ৫৫ লক্ষ টাকা কন্সালটেন্সি ফি নির্ধারণ করা হয়। পরে ১৬/১১/২০২৫ ইং তারিখে সাদা কাগজে বদলীর শর্ত সমূহ উল্লেখ্য করে উক্ত রশিদুল হাসান বাবলু, হালুয়াঘাট উপজেলার গোলাম মোস্তফাকে নিযুক্ত করেন। এবার তারা স্ট্যাম্পের পরিবর্তে বিভিন্ন ব্যাংকের চেক প্রদান করেন। চেক গুলো হলো- উত্তরা ব্যাংক কুড়িগ্রাম শাখার হিসাব নং ০০১২২০০০২১৭৭৬ এর টাকার পরিমান ৭ লক্ষ, অগ্রনী ব্যাংক ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ শাখার হিসাব নং ০২০০০১৭০৩০৩০৪ এর টাকার পরিমান ৪৩ লক্ষ, জনতা ব্যাংক নবাব আব্দুল গনি রোড শাখার হিসাব নং ০১০০২৭৭৭৯৭২৪৫৪ এর টাকার পরিমান ১০ লক্ষ এবং ডাচ বাংলা ব্যাংকের হিসাব নং ১৬৪১৫১০০১০৩৬৭ এর টাকার পরিমান ৮০ লক্ষ। মোট ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা।
বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনের এমপি আনোয়ারুল আবেদীন তুহিন এবং ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনের এমপি ও সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বাবুর তদবির ও বড় অংকের টাকার বিনিময়ে ২০২০ সালে ময়মনসিংহ জেলার জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে নির্বাহী প্রকৌশলীর পদে পোস্টিং বাগিয়ে নেন বিতর্কিতত এই প্রকৌশলী। ময়মনসিংহে যোগদানের পর হতে বেপরোয়া হয়ে উঠেন জামাল হোসেন। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক ময়মনসিংহ জেলায় বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোর দরপত্র আহবান হতে মাঠ পর্যায়ে কাজ বাস্তবায়ন প্রতিটি ধাপ বিশ্লেষন করা হলে এর আসল চিত্র বেরিয়ে আসবে। সমগ্র দেশে নিরাপদ পানি সরবরাহ প্রকল্পের হালুয়াঘাট উপজেলার অনুসন্ধানে পরবর্তী জানা যায়, ২৫/০২/২০২৪ ইং তারিখে প্যাকেজ নং ৫২৮০ এর ২০টি নলকূপ স্থাপনের কার্যাদেশ প্রদান করা হয়। নলকূপ স্থাপন না করেই ঠিকাদার কে ১৪.০০ লক্ষ টাকার বিল ২৩/০৬/২০২৪ ইং তারিখে প্রদান করেন। এক্ষেত্রে নলকূপ স্থাপন না করে পানি পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়, নিয়ম হলো আগে নলকূপ স্থাপন হবে পরে পানি
পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা। এক্ষেত্রে সেটি মানা হয়নি। ভূয়া রিপোর্ট প্রস্তুত করে প্রকল্প পরিচালকের কার্যালয় হতে তহবিল ছাড় করান বলে জানা যায়। ২০ টি নলকূপের মধ্যে পূর্বে ঠিকাদারকে বিল প্রদান করা হয়েছে এরুপ নলকূপও দেখিয়ে বিল উত্তোলনের করা হয়েছে। অদ্যাবধি নলকূপগুলো স্থাপন সম্পন্ন করে উপকারভোগীদের নিকট হস্তান্তর করেনি। ময়মনসিংহ জেলার জনস্বাস্থ্য অফিসে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে পত্র প্রদান করা হয়েছে এবং কাজ শতভাগ সম্পন্ন না করে আর কোন বিল প্রদান করা হবে না। জানা যায় এই ধরনের সমস্যা হালুয়াঘাট উপজেলা ছাড়া ত্রিশাল ও মুক্তাগাছা উপজেলাতেই বেশি রয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এর দায় এড়াতে পারেনা। এ অবস্থা চলতে থাকলে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সুদূর পরাহত হবে।
বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত মানব সম্পদ উন্নয়নে গ্রামীণ পানি সরবরাহ, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যবিধি প্রকল্পে ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল, ভালুকা, মুক্তাগাছা, গৌরীপুর, ফুলপুর ও হালুয়াঘাট উপজেলায় মোট ২২৮ টি সম্র পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই স্কীমের বরাদ্দ প্রদান করা হয়। ২০২২ সালে এই কাজগুলোর কার্যাদেশ প্রদান করা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্পভুক্ত উপজেলা পর্যায়ে এক কর্মকর্তা বলেন এই কাজগুলো দীর্ঘ দিন ধরে পড়ে থাকার দরুন উপকারভোগীরা বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ নিয়ে আসে এবং তারা আমাদের সাথে খারাপ আচরণ করে, আমরা কোন সদত্তর দিতে পারিনা। এ বিষয়ে জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, এই প্যাকেজটির চুক্তিমূল্য ছিল ২৭ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা এর মধ্যে ঠিকাদারকে পরিশোধ করা হয়েছে ১২ কোটি ৯০ লক্ষ টাকা, ২০২৪ সনের সেপ্টেম্বর মাসে প্যাকেজটি বাতিল করা হয়। অবশিষ্ট কাজ সম্পন্ন করার জন্য ২০ কোটি টাকার একটি প্রাক্কলন প্রস্তুত করা হয়েছে, কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পাওয়া গেলে দরপত্র আহবান করা হবে। প্রতিটি স্কীমের মাধ্যমে ৪০টি পরিবারে হাউজ কানেকশন দেওয়া হবে। ফুলপুর সহ মোট ৯৯টি স্কীমের কাজ এখনো শুরু হয়নি। বাস্তবায়িত কাজের মান খুবই নিম্নমানের, সরকারের পরীবিক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) এর মনিটরিং রির্পোটে সেটি প্রতিফলিত হয়েছে। বাকী ১২৯ টি স্কীম দীর্ঘ দিন ধরে হাফ-ডান অবস্থায় পড়ে আছে। এই প্রকল্পের আওতায় বিনা মূল্যে টুইন পিট ল্যাট্রিন নির্মান করা হচ্ছে। ফুলপুর উপজেলার কাজ গুলো নিয়ে দুদকে অভিযোগ হয়েছিলো। বালিয়া, বওলা ও রহিমগঞ্জ ইউনিয়নের কাজের মান খুবই নিম্ন হয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলীর ছত্রছায়া উপসহকারী প্রকৌশলী ও মেকানিক এই কাজের ঠিকাদারীতে জড়িত। এছাড়া এই প্রকল্পের আওতায় মুক্তাগাছা ও গৌরীপুর উপজেলায় দুটি লার্জ পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই স্কীমের কাজ রয়েছে। লার্জ পাইপড ওয়াটার সাপ্লাই স্কীমের কাজটির দরপত্রে অংশগ্রহনকারী ঠিকাদারদের মধ্যে একজন হলো গ্লোবাল কন্সট্রাকশন এন্ড সাপ্লাইয়ার-জেভি। উক্ত প্রতিষ্টানটির পক্ষ হতে জানান যে, তারা কাজটিতে সর্বনিম্ন দরদাতা হয়ে ছিলেন এবং কাজটি তাদের দেওয়া হয়নি। বড় অংকের টাকার বিনিময়ে ৩য় সর্বনিম্ন দরদাতা মেসার্স নূর এন্ড কোং কে ২ কোটি ৫৬ লক্ষ টাকা বেশি দরে কার্যাদেশ প্রদান করেন। এ যেন হরিলুটের মহা উৎসব। সরেজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, গৌরীপুর উপজেলার স্কীমটিতে পাইল ক্যাপ ঢালাই এর কাজ চলছে অন্যদিকে মুক্তাগাছা উপজেলার স্কীমটিতে সবেমাত্র পাইল কাস্টিং সম্পন্ন হয়েছে। স্কীমে
জমিদাতা একজনকে জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি জানান যে শুনেছি অর্ধেকের চেয়ে বেশি টাকার অগ্রীম বিল উত্তোলন করে নিয়েছে, যার দরুন কাজ বাস্তবায়নে ঠিকাদারের আগ্রহ কম।
স্মল পাইপ ওয়াটার সাপ্লাই স্কীম ৬ উপজেলায় (৬০৩৮= ২২৮ টি ) চুক্তিমূল্য ২৭,৭৫,৮০,০৯৪ টাকা, পরিশোধীতো টাকা ১২,৮৯,০০,০০০ টাকা , যাহা শতকারা হিসাবে ৪৬.৪৪% এই কাজ এর চুক্তি সেপ্টেম্বর ২০২৪ইং এ বাতিল করা হয়েছে . এই কাজের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান নাম : ম্যান ইন্টারপ্রাইজ–মেসাস লিবাটী টেডাস ( জে.বি )। অবশিষ্ঠ কাজ বাস্তবায়ন করার জন্য ২০ কোটি টাকার প্রাক্কলন প্রস্তুত করা হয়েছে যাহা বাতিলকৃত চুক্তিমূল্য এর শতকারা হিসাবে ৭২.০৫% ।
লাজ পাইপ ওয়াটার সাপ্লাই স্কীম ২ উপজেলায় মুক্তাগাছা ১টি এবং গৌরীপুর ১টি মোট ২ টি চুক্তিমূল্য ১২,৬৩,০২,১৩৯ টাকা, পরিশোধীতো টাকা ৬,৭৩,০০,০০০ টাকা , যাহা শতকারা হিসাবে ৫৩.২৮ % । কাজ এর চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে আগস্ট ২০২৪ইং এই কাজ সম্পাদনের জন্য ১৮ মাস মেয়াদ হয়েছে. এই কাজের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান নাম নূর এন্ড কোং । বাস্তব কাজের অগ্রগতি ১৪.৫৪ % ।
প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ওয়াশ ব্লক নির্মাণ ও খাবার পানির নলকূপ স্থাপনের জন্য তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাজ গুলোতেও নানাবিধ সমস্যা রয়েছে। বড় অনিয়ম পরিলক্ষীত হয় জিপিএস-১ প্রকল্পের ত্রিশাল উপজেলার ৬টি বিদ্যালয়ের পানির উৎসের ওয়াশ বেসিন নির্মাণ কাজের বিল প্রদানের ক্ষেত্রে। একটি কাজকে ২টি প্যাকেজে দেখিয়ে দুইবার দুইজন ঠিকাদারকে বিল প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া একই উপজেলার রায়মনি, করুয়াগাছা, ধানীখোলা উত্তরভাটিপাড়া, বাগান, কাশিগঞ্জ ও গোপালপুর এই ৬টি বিদ্যালয়ের ওয়াশ বেসিন নির্মাণ কাজের চূড়ান্ত বিল প্রদান করা হয়েছে, কিন্তু কাজ শেষ হয়নি। পিইডিপি-৪ প্রকল্পের ভালুকা উপজেলার পাইলাব, সোহাল, তালুটিয়া, শিরিরচালা, বড়চালা, গোয়ারী নিলেরটেক, কাঠালী ভালুকাপাড়া ও পূর্ব ভান্ডাব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ফুলবাড়িয়া উপজেলার উত্তর সন্তোষপুর, বীর মুক্তিযোদ্ধা কোরবান আলী ও ভবানীপুর টানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওয়াশ ব্লক নির্মাণ দীর্ঘদিন ধরে হাফ-ডান অবস্থায় পড়ে আছে, খোজ নিয়ে জানা যায় ২০২২ সালের জুন মাসে অস্বাভাবিক অগ্রীম বিল উত্তোলন করে নিয়ে ঠিকাদার পালিয়েছে। এছাড়া এন এন জিপিএস-১ প্রকল্পের ৪টি প্যাকেজে ৪জন ঠিকাদারকে নির্বাহী প্রকৌশলী জামাল হোসেন বেশি পারসেন্টের কমিশন নিয়ে ৩৬ লক্ষ টাকার অগ্রীম বিল বেশি প্রদান করেন, পরে জুন/২০২৫ সালে প্রকল্প শেষ হলে চুড়ান্ত বিলে তাদের টাকার পরিমান কম হয়, বিষয়টি জানা জানি হলে সেই চার জন ঠিকাদারের নিকট হতে বেশি উত্তোলনকৃত টাকা চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দেন। জানা যায় শেরপুরের ডি এস এন্টারপ্রাইজের নামে জামাল হোসেন নিজেই সাব কন্ট্রাক্টরী করতেন, তার অগ্রীম উত্তোলনকৃত ১৬লক্ষ ৬১ হাজার টাকা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ময়মনসিংহ জেলা অফিসের মাস্টাররুল কর্মচারি মেহেদির মাধ্যমে চালান করে সরকারি কোষাগার জমা প্রদান করেন। সংশ্লিষ্ট উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান যে, ঐ সকল বিদ্যালয়ের বিদ্যমান বাথরুমগুলো ভেঙ্গে ওয়াশব্লক করার জন্য জায়গা বের করে দেওয়া হয়েছিলো কিন্তু পরিতাপের বিষয় হলো জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর অদ্যবধি কাজগুলো শেষ করে নাই। এতে করে সেই স্কুল গুলোর ছাত্র-ছাত্রীদের বাথরুমের জন্য প্রায়ই অন্যের বাড়িতে যেতে হয়।
এই বিষয়ে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের ময়মনসিংহে যোগাযোগ করা হলে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া দরপত্র মূল্যায়নে কারসাজি করে উৎকোচ গ্রহণের মাধ্যমে সর্বনিম্ন দরদাতাকে কাজ না দেওয়া, বিভিন্ন উপজেলার মেকানিকদের দিয়ে সাব-কন্ট্রাক্টরী করানো, টেন্ডারে রেট বাণিজ্য, কাজ না করেই বিল প্রদান করা, অনৈতিক সুবিধা আদায়ের মাধ্যমে ঠিকাদারকে অগ্রীম বিল প্রদান এবং সিক্সটি-ফরটি ভাগাভাগির মাধ্যমে রিভিশন করানো ছিল তার নিত্য নৈমিত্তিক বিষয়। ভোক্তভোগীদের দাবী মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সঠিক তদন্ত করা হলে জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে সকল অপকর্ম বেরিয়ে আসবে।
জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর ও শেরপুর জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ জামাল হোসেনের কাছে এ বিষয়ে মতামতের জন্য কম পক্ষে ৩০ বার ফোন করার পরও পাওয়া যায়নি।