১১ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার,রাত ৪:২৬

শিরোনাম
সিরাজগঞ্জে চিকিৎসাধীন নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওয়ার্ড বয়ের বিরুদ্ধে একাধিক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা ঘেরাও করে শিক্ষককে পিটুনি, আহত ৩ পুলিশ সদস্য মাল্টা ৫০০ টাকায় বিক্রি হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যরা সেরিব্রাল পালসি আক্রান্ত শিশুদের সুরক্ষায় ২২ জেলায় হচ্ছে ‘শিশু স্বর্গ’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সরকার আলিয়া ধারার শিক্ষা ব্যবস্থাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে: ইআবি ভিসি দুর্নীতির সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে সাব- রেজিস্ট্রারদের লটারিতে বদলি চাহিদার তুলনায় দ্বিগুণ খাদ্য মজুদ রয়েছে :খাদ্যমন্ত্রী জামুকার নতুন ডিজি মোস্তফা জামান

মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীদের শিকলে বেঁধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ

প্রকাশিত: অক্টোবর ১০, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি :

লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে একটি মাদ্রাসায় শিশু শিক্ষার্থীদের শিকলে বেঁধে রাখা ও শারীরিক নির্যাতনের একাধিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। রামগতি পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আলেকজান্ডার মাদ্রাসায়ে বাবুত তাকওয়া নামের একটি প্রতিষ্ঠানে এসব ঘটনা ঘটেছে।

ভিডিওগুলো ছড়িয়ে পড়ার পর মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রামগতি পৌরসভার সভাপতি হাবিবুল্লাহ নীরবের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দাবি, নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।

একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একটি কক্ষের দরজা বন্ধ করে শিশু শিক্ষার্থী আদনানকে এলোপাতাড়ি চড়-থাপ্পড় মারা হচ্ছে। একপর্যায়ে তার মাথায় আঘাত করা হয়। পরে স্কেল দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করতেও দেখা যায়। অন্য একটি ভিডিওতে এক শিশুকে দেয়ালের সঙ্গে ধরে তার মাথায় বারবার আঘাত করার দৃশ্য রয়েছে।

আরও একটি ভিডিওতে কয়েকজন শিক্ষার্থীকে মারধর করতে দেখা যায়। এ ছাড়া দুটি ছবিতে জানালার সঙ্গে শিকল দিয়ে দুই শিশুকে বেঁধে রাখার দৃশ্য দেখা গেছে। এসব ঘটনার সময় অন্য শিক্ষকেরা উপস্থিত থাকলেও তারা কোনো বাধা দেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসাটিতে কোনো কারণ ছাড়াই শিক্ষার্থীদের শিকল দিয়ে বেঁধে রাখার অভিযোগও করেছেন স্থানীয়রা।

অভিভাবকদের অভিযোগ, মাদ্রাসার শিক্ষকেরা শিশুদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করতেন। ভয়ে শিশুরা বাড়িতে গিয়ে এসব ঘটনা জানাত না।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক আবদুল মতিন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে প্রধান শিক্ষকের পক্ষ থেকে ক্ষমা চান। তার দাবি, একজন শিক্ষক এ ঘটনা ঘটিয়েছেন।

প্রধান শিক্ষক হাবিবুল্লাহ নীরব বলেন, একজন শিক্ষক শিক্ষার্থীকে নির্যাতন করেছেন। আমরা তাকে বহিষ্কার করেছি। আমি এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই।

রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দীন বলেন, প্রধান শিক্ষক পলাতক আছেন। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিভাবকেরা আমার কাছে এসেছিলেন। তবে কোনো লিখিত অভিযোগ করেননি।

 

  • শেয়ার করুন