প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬
বিশেষ প্রতিবেদক ঃ বিমানবন্দর এলাকায় গত কয়েক দিন সরেজমিনে অনুসন্ধানকালে যাত্রী হয়রানির নানা বেহাল চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। সম্প্রতি বিমানবন্দর থেকে বেরিয়েই কয়েকজন ভুক্তভোগী ক্ষুব্ধ কণ্ঠে তাঁদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তবে সামাজিক সম্মান ও পরিচিতির কারণে তাঁরা নাম-ঠিকানা প্রকাশ করতে চাননি। যাত্রীদের আকুতি-মিনতি কিংবা অভিযোগে কর্তৃপক্ষের কোনো নজর নেই; বরং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই জোটে নির্দয় আচরণ ও শারীরিক নির্যাতনের মতো ন্যক্কারজনক ঘটনা।
কাস্টমস পয়েন্টে দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট ও ঘুষ লেনদেন বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে অন্তত ১২টি ধাপে যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা হাতানোর জন্য নানাভাবে হয়রানি করা হয়। কাস্টমসের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট—যেমন গ্রিন চ্যানেল, ব্যাগেজ কাউন্টার, এয়ার কার্গো বা শিফটগুলোতে দুর্নীতি বন্ধে সাধারণত ৩ থেকে ৬ মাস পরপর কর্মকর্তাদের অভ্যন্তরীণ রোটেশন বা ডিউটি পয়েন্ট পরিবর্তনের নিয়ম রয়েছে। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, এসআই গোলাপ এক উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিয়ে দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে একই পয়েন্টে অবস্থান করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে অপকর্ম ও দুর্নীতির একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ তা আমলে নিচ্ছে না। ফলে প্রকাশ্যে ঘুষের বিনিময়ে মালামাল ছাড় দেওয়ার চিত্র দেখা যাচ্ছে। (সংযুক্ত ছবিতে টাকা লেনদেনের প্রমাণ)।
ব্যাংক বুথে কৃত্রিম মুদ্রা সংকট ও কালাবাজারি শুধুমাত্র কাস্টমস নয়, বিমানবন্দরের ভেতরের ব্যাংক বুথগুলোতেও যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কাঙ্ক্ষিত বৈদেশিক মুদ্রা কিনতে গেলে ব্যাংক থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় মুদ্রা নেই। বাধ্য হয়ে শেষ মুহূর্তে ব্যাংকের আশপাশে থাকা অবৈধ মুদ্রা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চড়া দামে বৈদেশিক মুদ্রা কিনতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের। ( চলবে )