প্রকাশিত: আগস্ট ৩, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ বাংলাদেশে শিক্ষার্থীরা যেন একই সাথে ইসলামিক ও বিশ্বমানের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে, এর জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী চালু করলো ‘আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট ।
আজ সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান ঢাকার জলসিঁড়ি আবাসন প্রকল্পে এই আন্তর্জাতিক মানের দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির শুভ উদ্বোধন করেন। দেশের ৮টি সুনির্দিষ্ট শাখা দ্বারা অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে এটি পরিচালিত হবে।
এটি উদ্বোধনের সময় সেনা প্রধান সমাজে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যে যেসব অপ্রয়োজনীয় নতুন প্রথা বা বেদআত তৈরি হয়েছে, সেগুলো বর্জন করা ও মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য কোনো প্রকার কুসংস্কার ছাড়া একটি সঠিক ও সুস্থ ইসলামিক সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর তিনি জোর দেন।
বর্তমান যুগের পরিবর্তিত ও আধুনিক চাহিদার প্রেক্ষিতে আমাদের সন্তানদের শুধু মেধাবী নয়, একই সাথে নৈতিকতা ও খাঁটি ইসলামিক চরিত্রে বলীয়ান করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই মহতী উদ্যোগ সেই প্রয়োজনীয়তাকেই বাস্তবে রূপ দিতে যাচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য হলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কোমল হৃদয়ে পবিত্র কুরআন, সুন্নাহ এবং শক্তিশালী ইসলামিক সংস্কৃতির আলো ছড়িয়ে দেওয়া।
দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের ক্যামব্রিজ কারিকুলাম অনুযায়ী ইংরেজি মাধ্যমে পড়াশোনা করবে। ফলে তারা বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় নিজেদের সফলভাবে মেলে ধরতে পারবে।
ঢাকার মূল ক্যাম্পাসের পাশাপাশি দেশের সব অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের কাছে এই আলো পৌঁছে দিতে আজ সেনাপ্রধান ভিডিও টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের আরও ৭টি অঞ্চলে (বরিশাল, সাভার, বগুড়া, সিলেট, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও যশোর) এর নতুন শাখার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন। সম্পূর্ণ রাজনীতিমুক্ত, সুরক্ষিত এবং সেনাবাহিনীর সুশৃঙ্খল তত্ত্বাবধানে প্রতিটি শাখা পরিচালিত হবে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এই প্রশংসনীয় ও ঐতিহাসিক পদক্ষেপের জন্য জানাই আন্তরিক অভিনন্দন