প্রকাশিত: আগস্ট ৪, ২০২৬
হিমু : রাজনৈতিক বিরোধ বা ভুল তথ্যের কারণে ছাত্রশিবির ও ছাত্রদলের কর্মীরা যেন ভুলবশত নিজেদের কোনো সাথী বা সহকর্মীর ওপর হামলা না চালায় এবং কোনো মায়ের কোল খালি না করে, সে বিষয়ে উভয় সংগঠনেরই সহনশীল হওয়া উচিত। পাশাপাশি, সরকারেরও উচিত এসব আন্দোলনকারীদের ওপর বিশেষ নজর রাখা। কেহ কথা বললে তা যেন আমরা শুনি, কারণ উভয়ই তো মানুষ—এটা স্মরণ রাখা উচিত সকল দলের কর্মী-নেতাদের।
কারণ, ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮ দলের অবরোধের মধ্যে পুরান ঢাকার বাহাদুর শাহ পার্কের (ভিক্টোরিয়া পার্ক) সামনে বিশ্বজিৎ দাসকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। তখন বিশ্বজিৎ চিৎকার করে বলেছিল, “আমি শিবির নই, আমি হিন্দু। আপনারা চাইলে আমি প্যান্ট খুলে দেখাচ্ছি। আমি মুসলমান না, আমি হিন্দু।”
সন্ত্রাসীদের হাত থেকে বাঁচতে মৃত্যুর আগের মুহূর্তে বিশ্বজিতের সেই করুণ চিৎকার আজও কাঁদায় বাংলাদেশের মানুষদের। শত শত মানুষ, পুলিশ ও সাংবাদিক দাঁড়িয়ে দেখেছিল সেই হত্যাকাণ্ড, কিন্তু সাহায্যের জন্য এগিয়ে যাওয়ার সাহস হয়নি কারো। শাঁখারীবাজারে দর্জির দোকান ছিল বিশ্বজিতের। তাঁর গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরে হলেও রাজধানীর লক্ষ্মীবাজারে থাকতেন তিনি।