প্রকাশিত: আগস্ট ১, ২০২৬
নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ
আমলাতন্ত্রের বদলী সিন্ডিকেটের ঘুষবানিজ্যকে তোয়াক্কা না করে গণপূর্ত অধিদপ্তরে এক নজিরবিহীন ও চাঞ্চল্যকর প্রশাসনিক খেলা খেলে দিল ! কোনো তদবির, গোপন সুপারিশ কিংবা ঘুষ বানিজ্যর লেনদেন যেনো সবকিছুই উপেক্ষা করে একেবারে ‘দাবা খেলার চাল দিয়ে সিভিল শাখার ৭৬৭ জন উপ-সহকারী প্রকৌশলীর ভবিষ্যৎ নির্ধারন করলো। পূর্ত ভবনের সম্মেলন কক্ষে এক চরম উত্তেজনাকর আবহে নির্ধারিত হলো আটটি বিভাগের কোন কোণায় কার নতুন ঠিকানা হতে যাচ্ছে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ সারোয়ার আলমের প্রত্যক্ষ দিকনির্দেশনা ও কঠোর নজরদারিতে এই ভাগ্যনির্ধারণী লটারি-মহোৎসব সম্পন্ন হয়। লটারির প্রতিটি ড্রয়ের ফলাফলের সাথে সাথে যেন সম্মেলন কক্ষে উপস্থিত কারো কারো মুখে ছিল মিস্কি হাসি আবার কারো কারো মুখ ছিল মলিন। কারন ছিল কার কপালে কি জুটে। ঢাকার কেন্দ্রবিন্দু, আর কাকে ছুটতে হচ্ছে প্রান্তিক সীমান্তে এই ভয় কাজ করছিল।
গণপূর্তের এই নজিরবিহীন চালে পরিসংখ্যানের মেজাজটাও এক ধাক্কায় বদলে গেছে। লটারির ভাগ্যলিপিতে সর্বোচ্চ ৩১৭ জন ইঞ্জিনিয়ারের ঠাঁই হয়েছে ঢাকা বিভাগে। তবে ধুকপুকানি থামেনি বাকিদেরও- চট্টগ্রামে ১৩৩, খুলনায় ৭৪, রাজশাহীতে ৭৩ এবং রংপুরে ৬৪ জন স্থান পেয়েছেন। অন্যদিকে বরিশাল বিভাগে ৪৪, সিলেটে ৩৩ এবং ময়মনসিংহে ২৯ জনকে পাঠানো হয়েছে। প্রধান কার্যালয়ের শীতল ঘর থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর পর্যন্ত প্রতিটি শাখা ও চৌকাঠ এই মুহূর্তে প্রকৌশলীদের এই নতুন মেরুকরণে তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে।