১২ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার,সকাল ১০:২৪

শিরোনাম
গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারকে ভাতা দিতে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেব: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তিন মাসের মধ্যেই অপারেশন ক্লিনহার্ট অভিযান বাংলাদেশি গোয়েন্দাদের তথ্যে হাদি হত্যার প্রধান দুই আসামি ভারতে গ্রেপ্তার জ্বালানি তেলের ব্যাবহার স্বাভাবিক রাখতে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান মো. শহীদুল হাসানকে সচিব নিয়োগ : সঠিক সময়ে সঠিক মানুষ নারায়ণগঞ্জ জার্নালিস্ট ইউনিটি’র দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি জেলা আইনজীবী নির্বাচনে সভাপতি মো. শাহাদাৎ হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক মো. সোহেল আকন নির্বাচিত মধ্যরাতে ঢাকা পলিটেকনিকে ছাত্রদল–ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০ ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি, মিলছে ১৫ মার্চের টিকিট

প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতে ফটিকছড়ির ৮ আসামি কারাগারে

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২১, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ

উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ না করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির নারায়ণহাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ চৌধুরীসহ আট আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ মিজানুর রহমান এই আদেশ দেন।

মামলার প্রথম ধার্য তারিখে আসামিরা আদালতে উপস্থিত হয়ে আত্মসমর্পণের পর জামিনের আবেদন করেন। আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কারান্তরীণ আসামিদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, সাবেক চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ চৌধুরী ছাড়াও কারাগারে পাঠানো অন্য আসামিরা হলেন– ইউপি সচিব সুধীর কুমার পাল, মো. গিয়াস উদ্দিন ও মো. শাহাদাত হোসেন চৌধুরী। এ ছাড়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স তৈয়ব এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মো. তৈয়ব, মেসার্স এম কে এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মোজাফ্ফর কামাল চৌধুরী, মেসার্স আর এন এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মো. রফিকুল ইসলাম এবং মেসার্স হাজি আহমদ হোসেন মীর এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মো. আবু তাহেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট কবির হুসাইন বলেন, ২০১৯ সালে সংঘটিত অর্থ আত্মসাতের মামলায় আসামিরা আদালতে আত্মসমর্পণ করলে বিচারক তাদের জামিন নামঞ্জুর করেন।

দুদক চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ডিডি) সুবেল আহমেদ জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

দুদক সূত্র জানায়, ফটিকছড়ি উপজেলার নারায়ণহাট ইউনিয়নে সেতু ও সড়ক সংস্কার সংক্রান্ত পাঁচটি উন্নয়ন প্রকল্পের কোনো কাজ না করেই সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এই মামলা করা হয়। এ ছাড়া তৎকালীন ইউপি চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ চৌধুরী পরিষদের দোকান ভাড়ার অর্থও আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-২-এর উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জাফর সাদেক শিবলী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এজাহার অনুযায়ী, চেয়ারম্যান, সচিব ও ঠিকাদাররা পরস্পরের যোগসাজশে ছয়টি প্রকল্পের ৭ লাখ ২৫ হাজার ৪৬৭ টাকা এবং দোকান ভাড়া বাবদ আরও ৪ লাখ ৯২ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন।

  • শেয়ার করুন