১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার,সকাল ৯:৪৫

শিরোনাম
ক্ষমতাবলয়ের অনিয়ম ও ত্যাগী কর্মীদের অবমূল্যায়ন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের অপূর্ণ আশা গণপূর্তের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান-এর ইশারায় তিন টেক্কা’র রাজত্ব, কমিশন বাণিজ্য যেন সরকারি নীতিমালার মধ্যে পড়েছে মসজিদের অর্থ আত্মসাৎ ও মারামারির মামলায় নৈশপ্রহরী জামালকে আদালত কারাগারে পাঠিয়েছে বাঁধনের ওপর হামলা, সংসদে যা বললেন বিএনপির নারী এমপি খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে আবুল কালাম এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাসচালক রিমান্ডে, দুজন কারাগারে কৃষি, ডেইরি ও পোল্ট্রি খাতে ৬০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেবে সরকার শাহজালালে আকস্মিক পরিদর্শনে বিমানমন্ত্রী, ব্যাগেজ হ্যান্ডলিংয়ে সময় কমানোর নির্দেশ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়া কোনো স্লোগান নয়, পরিকল্পনা: প্রধানমন্ত্রী

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির স্থায়ী উন্নয়নে পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সংস্কার প্রস্তাব

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১২, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

হিমু :

. থানা মাঠপর্যায়ের পুলিশে আমূল পরিবর্তন

নতুন নিয়োগ প্রতিস্থাপন: ৫০ হাজার নতুন পুলিশ এবং ৫ হাজার এনএসআই সদস্য নিয়োগ দিয়ে বর্তমান থানা পর্যায়ের পুরনো পুলিশদের তুলে নিয়ে নতুনদের পদায়ন করা।

বিচার জবাবদিহিতা: বিগত দিনের বিতর্কিত বা অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনা এবং অন্যান্যদের সাধারণ প্রশাসনিক বা অ-গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কাজে (যেমন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের নিরাপত্তা রক্ষা) স্থানান্তর করা।

. নতুন বা বিশেষ বাহিনীর গঠন কর্মপদ্ধতি

পুলিশমুক্ত বিশেষ বাহিনী: র‌্যাব  বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) নামে নতুন বিশেষায়িত বাহিনী গঠন করা হচ্ছে ।  আমার মতে সেখানে যেন কোনো পুরনো পুলিশ সদস্য না রাখা হয়; বরং অন্যান্য বাহিনী থেকে সৎ সদস্যদের এনে এটি তৈরি করা হয়।এই বাহিনীর যে প্রধান থাকবেন সে যেন নতুন বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তা  বা সেনা বাহিনীর  অবসর প্রাপ্ত সৎ ধার্মীক ও বুদ্ধিমান একজনকে দায়িত্ব দেয়া হয়।

ছদ্মবেশে রাতে তথ্য সংগ্রহ: এই বাহিনীর সদস্যরা দিনে সাধারণ পোশাকে (সিভিলে) থেকে গোয়েন্দা তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহ করবেন এবং রাতে বা সুবিধাজনক সময়ে ইউনিফর্ম পরে সরাসরি অভিযানে অংশ নেবেন।

ডিজিটাল বস্তুগত প্রমাণভিত্তিক বিচার: সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও কিশোর গ্যাং ছিনতাইকারী এবং  দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আগে থেকেই পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ ও নথি প্রস্তুত করে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করতে হবে। ফলে ধরা পড়ার পর সেই প্রামাণ্য নথিই আদালতে মূল সাক্ষী হিসেবে গণ্য হবে, আলাদা করে কোনো মৌখিক প্রমাণের ওপর নির্ভর করতে হবে না।

. সুবিধা সম্ভাব্য ইতিবাচক প্রভাব

স্বজনপ্রীতি ঘুষ নির্মূল: নতুন সদস্যদের স্থানীয় অপরাধী বা সোর্সদের সাথে কোনো পূর্বপরিচয় না থাকায় ঘুষ বা স্বজনপ্রীতি কমে আসবে।কারন কেউ কাউকে না চিনলে দোষি ব্যক্তিদের সহজে চেনা ও গ্রেপ্তার করা সহজ হবে।

রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা মবপ্রতিরোধ: নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের সাথে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব বা জুলাই আন্দোলনের পূর্ব শত্রুতা না থাকায় তারা নিরপেক্ষ থাকবে এবং অযথা কাউকে হয়রানি করবে না। ফলে জনগণের মধ্যে ‘মব’ কালচার কমে আসবে।

জনবান্ধব সেবা: পুরনো আক্রোশ ও নিপীড়নের প্রবণতা বন্ধ হয়ে অপরাধ দমনে পুলিশের আত্মবিশ্বাস ও স্বচ্ছতা ফিরে আসবে।

তবে ডিজিটাল প্রমাণকে আদালতে গ্রহণযোগ্য করার জন্য বিদ্যমান আইন বিচার ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করা অতি সত্তর অতি প্রয়োজন।

 

  • শেয়ার করুন