১৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার,সকাল ৬:৪৭

শিরোনাম
জুয়ার আসর থেকে দুই ইউপি সদস্যসহ ৫ জন গ্রেফতার সাবেক সহকারী পরিচালকের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় মামলা রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে শুনানি রোববার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ, অঙ্গসংগঠনের ৫৩ নেতাকর্মী ঢাকায় গ্রেফতার: ডিএমপি মাদ্রাসার শৌচাগারে শিক্ষার্থীর লাশ, শিক্ষক জাকারিয়া তিন দিনের রিমান্ডে, শুনানিতে উঠে এল নানা তথ্য নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮: ৪২ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতফাইল ছবি রাজধানীর রায়েরবাগের জোড়াখাম্বা এলাকার একটি মাদ্রাসার শৌচাগার থেকে ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হাফেজ মো. জাকারিয়াকে (৩৫) তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। গ্রেপ্তার অপর এক শিক্ষকের বয়স মামলার এজাহারে ২০ বছর উল্লেখ করা হলেও শুনানিতে তাঁর আইনজীবী অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার প্রমাণ উপস্থাপন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাঁকে শিশু বিবেচনায় রিমান্ড শুনানির জন্য শিশু আদালতে পাঠানোর আদেশ দেন। আজ বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালত এ আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী হারুনর রশীদ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ৩ আগস্ট বেলা দেড়টার দিকে মাদ্রাসার তৃতীয় তলার একটি শৌচাগার থেকে ১৩ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর মা বাদী হয়ে ওই রাতেই কদমতলী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ৩ আগস্ট ওই মাদ্রাসা থেকে দুই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ৪ আগস্ট তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। ৫ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আমজাদ হোসেন আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আজ আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হলে রিমান্ড শুনানি হয়। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, নিহত শিশু ও তার ছোট ভাই ওই মাদ্রাসায় পড়ত। বিভিন্ন অজুহাতে শিক্ষকেরা ওই শিশুর ওপর নির্যাতন চালাতেন। বিষয়টি সে তার মাকে জানালে মা তাকে মাদ্রাসা থেকে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন, কিন্তু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ছাড়পত্র দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তী সময়ে সে আর মাদ্রাসায় পড়বে না বলে শিক্ষকদের জানালে তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে মারধর করেন এবং বেলা একটা থেকে আড়াইটার মধ্যে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। আদালতে বাদী ও আসামিপক্ষের যুক্তি শুনানিতে বাদীপক্ষের আইনজীবী হারুনর রশীদ খান রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতকে বলেন, ১৩ বছরের একটি শিশুকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে বাথরুমে হত্যা করা হয়েছে। অথচ আসামিপক্ষ এটিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করছে, যা একটি অগ্রহণযোগ্য যুক্তি। ওই শিশুটি আগেই তার মাকে জানিয়েছিল, সে এই মাদ্রাসায় পড়তে চায় না। আইনজীবী আরও বলেন, নিহত ছাত্রটি পড়াশোনায় ভালো ও শান্ত স্বভাবের ছিল। শিক্ষক তাকে নিজের কাছে ঘুমানোর জন্য বলতেন। মূলত গোপন রহস্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়েই তাকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আসামিদের রিমান্ড প্রয়োজন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। তিনি বলেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। মাদ্রাসার অন্য ছাত্রদেরও কোনো অভিযোগ নেই। সেখানে ধর্ষণ বা হত্যার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। আদালতে শিক্ষক ও নিহতের ভাইয়ের বক্তব্য শুনানিকালে বিচারক কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা আসামি জাকারিয়াকে কোনো বক্তব্য আছে কি না জানতে চান। এ সময় জাকারিয়া বলেন, ‘আমরা হাফেজ মানুষ, আমরা মারিনি। ঘটনার দিন ওই ছেলে পড়া না পারায় তাকে কিছুক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। জোহরের নামাজের আগে সে বাথরুমে যায়। নামাজ শেষে খোঁজ নিয়ে জানা যায় সে ফেরেনি। পরে বাথরুমের দরজা ভেঙে তাকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। আমাদের ছাত্ররা এর সাক্ষী।’ আদালত জাকারিয়াকে মাদ্রাসায় সিসিটিভি ফুটেজ আছে কি না, জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজ নেই, অনেক আগেই হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে গেছে। এ ছাড়া ওই ছাত্র এর আগেও কয়েকটি মাদ্রাসা থেকে পালিয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। তখন আদালত প্রশ্ন করেন, ‘এই ডিজিটাল যুগে আপনাদের সিসিটিভি ফুটেজ নেই কেন?’ শুনানির একপর্যায়ে আদালত নিহত শিক্ষার্থীর ছোট ভাইকে ডেকে কথা বলেন। মাদ্রাসায় তাদের মারধর করা হতো কি না, জানতে চাইলে শিশুটি বলে, ‘আমাদের অনেক মারধর করা হতো। ভাইয়ের সাথে বেশি খারাপ ব্যবহার করা হতো।’ কেমন খারাপ ব্যবহার করা হতো, তা জানতে চাইলে শিশুটি আর কোনো উত্তর দেয়নি। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত শিক্ষক জাকারিয়ার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং অপর শিক্ষককে শিশু আদালতে রিমান্ড শুনানির জন্য পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালত প্রাঙ্গণে স্বজনদের বিক্ষোভ আজ আদালতে নিহত শিক্ষার্থীর মা ও পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আসামিদের আদালত থেকে নামানোর সময় উত্তেজিত স্বজনেরা তাঁদের মারধর করতে উদ্যত হন। পুলিশ দ্রুত আসামিদের হাজতখানায় নিয়ে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় নিহত শিশুর ক্ষুব্ধ স্বজনেরা আসামিদের ফাঁসির দাবিতে স্লোগান দেন ও আদালত প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেন। পৌর মেয়র থেকে রাষ্ট্রপতি, কখন কী ছিলেন মির্জা ফখরুল মেয়াদ শেষের ১১ মাস আগেই বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদের নিয়োগ বাতিল রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছেন তারেক রহমান আমানতের উৎসে কর সরকারি কোষাগারে জমার সময় বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

ঝালকাঠির উন্নয়নে ৮০০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার

প্রকাশিত: জুলাই ১৬, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

জেলা প্রতিবেদক ঃ প্রধানমন্ত্রীর বিষয়ক বিশেষ সহকারী (স্বাস্থ্য) ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আজ ১৬ জুলাই বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দিনে স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে আবু সাঈদ শহীদ হন, একে একে মুগ্ধ, ওয়াসিমসহ অসংখ্য মানুষ শহীদ হন। তিনি বলেন, পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল যে, একটি সরকার নিজ দেশের জনগণের ওপর গুলি চালিয়েছে। দীর্ঘ আন্দোলন, বিদ্রোহ ও বহু রক্তের বিনিময়ে স্বৈরাচারের শিরোমনি শেখ হাসিনার পতন ঘটে এবং এর মধ্য দিয়ে দেশে পরিবর্তনের নতুন সূচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের নেতা তারেক রহমান প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না। গত ১৭ বছরে যে জুলুম, নির্যাতন, গুম, খুন ও নিপীড়ন হয়েছে, তার পুনরাবৃত্তি বিএনপি করবে না। আমরা প্রতিশোধ নেব উন্নয়ন, সুশাসন ও মানুষের জীবনমানের ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে। অন্ধকারের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে এসে আমরা আলোকিত রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে চাই। সেই অন্ধকার সময়ে আর ফিরে যেতে চাই না।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় ঝালকাঠি সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত উন্নয়ন ও সহায়তা বিতরণ-সংক্রান্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন বলেন, সরকারের লক্ষ্য দেশের স্বাস্থ্যখাতকে ঢেলে সাজিয়ে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় উন্নত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া। একই সঙ্গে বেকারত্ব কমানো, কৃষির উন্নয়ন এবং মানুষের জন্য পুষ্টিকর খাদ্য সহজলভ্য করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা এবং মানুষের জীবন-জীবিকার উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকার ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিন ও পুরোহিতসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষের কল্যাণে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছে। বর্তমান সরকার মাত্র পাঁচ মাস দায়িত্বে রয়েছে। এরই মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ঝালকাঠির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, ইতিহাস, ঐতিহ্য, ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে ঝালকাঠি একটি সমৃদ্ধ জেলা ছিলো। সবাইকে একসঙ্গে কাজ করে একটি আলোকিত ঝালকাঠি গড়ে তুলতে হবে।

তিনি জানান, ঝালকাঠিতে দেশের প্রথম ‘কালচারাল ভিলেজ’ বা সাংস্কৃতিক পল্লী নির্মাণে ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সেখানে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি নান্দনিকভাবে তুলে ধরা হবে।

এ ছাড়া ঝালকাঠিতে আধুনিক স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য ভূমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়েছে এবং এটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই কমপ্লেক্স নির্মিত হলে তরুণদের খেলাধুলার সুযোগ বাড়বে, তারা মাদক থেকে দূরে থাকবে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজেদের মেধার বিকাশ ঘটাতে পারবে। পাশাপাশি এখানে প্রশিক্ষক নিয়োগসহ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি বলেন, অতীতে ঝালকাঠির উন্নয়ন প্রকল্পগুলো পিরোজপুরের সঙ্গে যুক্ত থাকায় জেলা কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এখন ঝালকাঠির জন্য পৃথক উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। প্রায় ৮০০ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে জেলার গ্রামগঞ্জে সড়ক, কাঁচা রাস্তা, সেতু ও কালভার্টসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর উন্নয়ন করা হবে।

গাবখান চ্যানেলের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী কৃত্তিম নৌপথ, যা সুয়েজ খালের মতোই গুরুত্বপূর্ণ। এর সংরক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্যবর্ধনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কেওড়া ইউনিয়নের সারেঙ্গল বাজার নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে এবং বাজার রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ঝালকাঠি সদর হাসপাতালকে দ্রুত ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার কার্যক্রমও এগিয়ে চলছে।

ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার জানান, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগের মাধ্যমে ঝালকাঠিতে ৩০ হাজার গাছ রোপণের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। তিনি প্রত্যেক নাগরিককে অন্তত দুটি করে গাছ লাগানোর আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন ঝালকাঠি’ শুধু একটি স্লোগান নয়, এটি একটি সামাজিক আন্দোলন। একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য ঝালকাঠি গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন। সভাপতিত্ব করেন ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ। আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের বিভাগের উপপরিচালক ও পৌর প্রশাসক জুলিয়া সুকায়না, সিভিল সার্জন ডা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, ঝালকাঠি প্রেসক্লাব সভাপতি মো. আককাস সিকদারসহ আরও অনেকে।

সভা শেষে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড বিতরণ, কৃষকদের মাঝে চারা, বীজ ও কৃষি উপকরণ বিতরণ, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে চাল ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

 

 

 

  • শেয়ার করুন