প্রকাশিত: জুন ১, ২০২৬
প্রকাশিত:
ছবিতে বিভিন্ন বিতর্কিত সরকারী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং শেখ হাসিনার কাছ থেকে পুরষ্কার গ্রহণ করতে যাকে দেখা যাচ্ছে, তিনি হলেন মেহেদী হাসান বাবু, কুমিল্লার বুড়িচং এর স্থায়ী বাসিন্দা।
আসামাজিক কার্যকলাপের আয়োজনে পতিত আওয়ামী সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী, আমলা, পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী মহলে তিনি ছিলেন এক পরিচিত নাম।
মেহেদী হাসান বাবু নিজেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের বড় প্রভাবক হিসাবে উপস্থাপন করতেন এবং নিজেও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা ছিলেন বলে দাবি করতেন। আওয়ামী লীগের পরিচয়কে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন মানুষকে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ করে বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক বনে যান।
২০১২ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত পলাতক (বরখাস্ত) সামরিক কর্মকর্তা লেঃ জেনারেল মুজিব, আটক জিয়াউল আহসান এবং সিটিটিসির মুনীরের সাথে নিবিড় সম্পর্কের মাধ্যমে ছাত্রদল, বিএনপি এবং জামাত/শিবিরের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নেতাকর্মীদেরকে হত্যা ও গুম করতে সহযোগীতা করেছেন বলে জানা গেছে।
সর্বশেষ, জুলাই-আগস্ট ২০২৪ গণঅভ্যুত্থানের সময় মেহেদী হাসান বাবু অনেকবার মুজিব-মুনীর গংদের সাথে গোপন বৈঠক করে কিভাবে আন্দোলন দমন করা যায় এই সংক্রান্ত পরামর্শ দিয়েছিলেন।
মেহেদী হাসান বাবুকে আটক করা গেলে অনেক রাজনৈতিক গুমের রহস্য উন্মেচন সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন নিরাপত্তা সংস্থার পদস্থ কর্মকর্তারা। এছাড়াও, এই ব্যক্তির নিকট থেকে আওয়ামীলীগের কালো টাকা এবং বিভিন্ন পদস্থ নেতা ও আমলাদের ব্ল্যাকমেইলের বিস্তারিত প্রমাণাদি পাওয়া যাবে।
আগস্ট ২০২৪ সালের পর থেকে মেহেদী হাসান বাবু পলাতক রয়েছেন। উক্ত ব্যক্তির বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে যেকোনো রকম তথ্য আমাকে ইমেইলের মাধ্যমে জানাতে পারেন।
( Zulkarnain এর ফেইজবুক থেকে নেওয়া ১/৬/২০২৬ )