২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার,রাত ১:০১

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর পছন্দেই চূড়ান্ত হবে ব্র্যান্ড ও মডেল দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন মন্ত্রী জাহিদ হোসেন, সহ-সভাপতি এমপি জাহাঙ্গীর আলম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তারাবোতে দোয়া মাহফিল সরকারের তোষামোদ নয়, জনগণের সামনে সত্য তুলে ধরতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহে শিশুর মরদেহ উদ্ধার: দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ৩ তরুণ গ্রেপ্তার বিআরটি প্রকল্প নিয়ে সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার গত জানুয়ারি-মে দেশে খুন-অপহরণসহ অপরাধ বেড়েছে, দাবি বিসিআরএসের বন্দরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা মূলক কর্মসূচি পালিত

কামরাঙ্গীচরের নাইমা চৌধুরী ১৫ বছর ধরে হাসপাতালে, তার পরিবার নিখোজের রহস্য খুঁজে দেখবেন কি রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ?

প্রকাশিত: মার্চ ২৪, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

নিজস্ব সংবাদদাতা ঃ

এক সময় যাঁদের ছিল ঢাকার কামরাঙ্গীর চরে সাততলা বাড়িসহ কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি, আজ সেই পরিবারেরই সন্তান নাইমা চৌধুরী ১৫ বছর ধরে হাসপাতালের চার দেয়ালের মাঝে বন্দী। ২০০৯ সালে ২৫ বছর বয়সে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া নাইমার বর্তমান বয়স ৪০। কিন্তু দীর্ঘ এই সময়ে তাঁর খোঁজ নিতে আসেনি কোনো স্বজন। কোথায় হারিয়ে গেল নাইমার পরিবার ? কেন কেউ চেনে না এই বিত্তশালী পরিবারের উত্তরসূরিকে ? বিষয়টি  ব ড়   র হস্য  ঘনিভুত। যার ফলে রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা যদি চেষ্টা করেন তবেই   নাঈমার হাসপাতালে  ভর্তির  কারন এবং তার ভাইর আত্মগোপনে যাওয়া ঠিক না অঠিক তা প্রকাশ হতে পারে।

ঠিকানা আছে, নেই মানুষ:

হাসপাতালের নথিতে থাকা ঠিকানা অনুযায়ী নাইমা চৌধুরীর বাবার নাম মৃত মুজিবুর রহমান চৌধুরী, ঠিকানা ঢাকার কামরাঙ্গীর চর। স্থানীয় অন্তত ২০টিরও বেশি বাড়ি ঘুরেও নাইমাকে চেনে

এমন কাউকে পাওয়া যাচ্ছিল না। এমনকি নথিতে থাকা নাইমার ভাই হাবিব চৌধুরীর মোবাইল নম্বরটিও দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ। রহস্য যখন আরও ঘনীভূত হচ্ছিল, ঠিক তখনই স্থানীয় এক ব্যক্তি চিনতে পারেন সেই পরিবারকে।

কোটি টাকার সম্পত্তি এক রহস্যময় বিদায়:

অনুসন্ধানে জানা যায়, কামরাঙ্গীর চরের ‘পেশকারের গলি’ এলাকায় নাইমাদের একটি বিশাল সম্পত্তি ছিল। বর্তমান সাততলা ভবন থেকে শুরু করে ওই গলি পর্যন্ত ছিল তাঁদের মালিকানা। কিন্তু

প্রতিবেশী ও স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ২০ বছর আগে নাইমার ভাই হাবিব চৌধুরী ও অন্য সদস্যরা তাঁদের কয়েক কোটি টাকার এই ভূ-সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকে তাঁদের আর কোনো হদিস পাননি প্রতিবেশীরা।

১৫ বছরের নিঃসঙ্গ অপেক্ষা:

পরিবার জমি বিক্রি করে লাপাত্তা হয়ে গেলেও নাইমা চৌধুরী রয়ে গেছেন হাসপাতালের তালিকায়। ১৫ বছর আগে যে তরুণী সুস্থ হওয়ার আশায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, আজ

তাঁর বয়স চল্লিশের কোঠায়। তাঁর চিকিৎসার খরচ বা তাঁর শেষ পরিণতির কথা ভাবার মতো কোনো স্বজন আজ বেঁচে নেই বা সামনে আসছে না। বিত্তশালী পরিবারের সন্তান হয়েও নাইমা আজ এক নিঃস্ব এবং পরিচয়হীন রোগী হিসেবে জীবন পার করছেন।

নিখোঁজ স্বজনদের সন্ধানে:

প্রশ্ন উঠেছে, কেন একটি পরিবার তাঁদের বোনকে হাসপাতালে ফেলে রেখে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ বিক্রি করে আত্মগোপন করল? নাইমার ভাই হাবিব চৌধুরী কি আদৌ জানেন তাঁর

বোন এখনো বেঁচে আছেন? নাকি সম্পদ হাতছাড়া হওয়ার ভয়েই এই লুকোচুরি? এই রহস্যময় খোঁজের পেছনে অন্য কোনো গভীর ষড়যন্ত্র আছে কি না, তা এখন খতিয়ে দেখার সময় এসেছে।

( Bangla Time TV, ফেইজবুক থেকে পাওয়া ,২৪/৩/২০২৬ )

 

  • শেয়ার করুন