৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার,সকাল ১০:৪৯

শিরোনাম
জাতিসংঘের হিসাব ও সরকারি গেজেটের বাইরে থাকা ৫৬৪ নিহতের পরিচয় প্রকাশের দাবি বিসিআরএসের সহপাঠীদের ‘আপত্তিকর’ ছবি তুলে প্রেমিককে পাঠাতেন ছাত্রী, হল থেকে বহিষ্কার সরকারের পাঁচ মাস না যেতেই ‘ব্যর্থ’ বলা ভীষণ অসহিষ্ণুতা, মির্জা ফখরুল জুলাই স্মৃতি জাদুঘর সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি: প্রধানমন্ত্রী আহত জুলাই যোদ্ধা মিতুর খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরকে নতুন বাংলাদেশ গঠনের প্রেরণার কেন্দ্র ও পথ বললেন ড.ইউনূস দুই বছর পার হলেও শহীদ পরিবারগুলোর মুখে হতাশার ছাপ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার ও বিরোধী দল—উভয়ই রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ঢাকা ওয়াসার নতুন চেয়ারম্যান সাব্বির মোস্তফা খান

কামরাঙ্গীচরের নাইমা চৌধুরী ১৫ বছর ধরে হাসপাতালে, তার পরিবার নিখোজের রহস্য খুঁজে দেখবেন কি রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ?

প্রকাশিত: মার্চ ২৪, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

নিজস্ব সংবাদদাতা ঃ

এক সময় যাঁদের ছিল ঢাকার কামরাঙ্গীর চরে সাততলা বাড়িসহ কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি, আজ সেই পরিবারেরই সন্তান নাইমা চৌধুরী ১৫ বছর ধরে হাসপাতালের চার দেয়ালের মাঝে বন্দী। ২০০৯ সালে ২৫ বছর বয়সে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া নাইমার বর্তমান বয়স ৪০। কিন্তু দীর্ঘ এই সময়ে তাঁর খোঁজ নিতে আসেনি কোনো স্বজন। কোথায় হারিয়ে গেল নাইমার পরিবার ? কেন কেউ চেনে না এই বিত্তশালী পরিবারের উত্তরসূরিকে ? বিষয়টি  ব ড়   র হস্য  ঘনিভুত। যার ফলে রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা যদি চেষ্টা করেন তবেই   নাঈমার হাসপাতালে  ভর্তির  কারন এবং তার ভাইর আত্মগোপনে যাওয়া ঠিক না অঠিক তা প্রকাশ হতে পারে।

ঠিকানা আছে, নেই মানুষ:

হাসপাতালের নথিতে থাকা ঠিকানা অনুযায়ী নাইমা চৌধুরীর বাবার নাম মৃত মুজিবুর রহমান চৌধুরী, ঠিকানা ঢাকার কামরাঙ্গীর চর। স্থানীয় অন্তত ২০টিরও বেশি বাড়ি ঘুরেও নাইমাকে চেনে

এমন কাউকে পাওয়া যাচ্ছিল না। এমনকি নথিতে থাকা নাইমার ভাই হাবিব চৌধুরীর মোবাইল নম্বরটিও দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ। রহস্য যখন আরও ঘনীভূত হচ্ছিল, ঠিক তখনই স্থানীয় এক ব্যক্তি চিনতে পারেন সেই পরিবারকে।

কোটি টাকার সম্পত্তি এক রহস্যময় বিদায়:

অনুসন্ধানে জানা যায়, কামরাঙ্গীর চরের ‘পেশকারের গলি’ এলাকায় নাইমাদের একটি বিশাল সম্পত্তি ছিল। বর্তমান সাততলা ভবন থেকে শুরু করে ওই গলি পর্যন্ত ছিল তাঁদের মালিকানা। কিন্তু

প্রতিবেশী ও স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ২০ বছর আগে নাইমার ভাই হাবিব চৌধুরী ও অন্য সদস্যরা তাঁদের কয়েক কোটি টাকার এই ভূ-সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যান। এরপর থেকে তাঁদের আর কোনো হদিস পাননি প্রতিবেশীরা।

১৫ বছরের নিঃসঙ্গ অপেক্ষা:

পরিবার জমি বিক্রি করে লাপাত্তা হয়ে গেলেও নাইমা চৌধুরী রয়ে গেছেন হাসপাতালের তালিকায়। ১৫ বছর আগে যে তরুণী সুস্থ হওয়ার আশায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন, আজ

তাঁর বয়স চল্লিশের কোঠায়। তাঁর চিকিৎসার খরচ বা তাঁর শেষ পরিণতির কথা ভাবার মতো কোনো স্বজন আজ বেঁচে নেই বা সামনে আসছে না। বিত্তশালী পরিবারের সন্তান হয়েও নাইমা আজ এক নিঃস্ব এবং পরিচয়হীন রোগী হিসেবে জীবন পার করছেন।

নিখোঁজ স্বজনদের সন্ধানে:

প্রশ্ন উঠেছে, কেন একটি পরিবার তাঁদের বোনকে হাসপাতালে ফেলে রেখে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ বিক্রি করে আত্মগোপন করল? নাইমার ভাই হাবিব চৌধুরী কি আদৌ জানেন তাঁর

বোন এখনো বেঁচে আছেন? নাকি সম্পদ হাতছাড়া হওয়ার ভয়েই এই লুকোচুরি? এই রহস্যময় খোঁজের পেছনে অন্য কোনো গভীর ষড়যন্ত্র আছে কি না, তা এখন খতিয়ে দেখার সময় এসেছে।

( Bangla Time TV, ফেইজবুক থেকে পাওয়া ,২৪/৩/২০২৬ )

 

  • শেয়ার করুন