১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার,ভোর ৫:২৫

শিরোনাম
রোজার মধ্যেই সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন: ইসি দ্রব্যমূল্য যেন সাধারন মানুষের নাগালের বাইরে না যায়, ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ও নবগঠিত মন্ত্রিসভাকে বাংলাদেশ সিভিল রাইটস্ সোসাইটির অভিনন্দন নতুন আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনার হওয়ার আলোচনায় কয়েকটি নাম বাংলাদেশে আজ রমজানের চাঁদ দেখা যাবে ? যা বলছে বিশ্লেষণ জামায়াত আমিরের সঙ্গে ভারত-পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সাক্ষাৎ আব্বাস-নজরুল ইসলাম-রিজভীসহ ১০ জনকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর, উপনেতা তাহের, চিফ হুইপ নাহিদ ভোটার হওয়ার ৫৩ দিনেই দেশের প্রধানমন্ত্রী, তারেক রহমান

দাঁড়িপাল্লায় ভোটদাতাদের বিরুদ্ধে অশালীন ও ঘৃণাত্মক বক্তব্য—গণতন্ত্রের ওপর সরাসরি আঘাত

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

 

 

 

 

জেলা প্রতিনিধিঃ  ঝালকাঠি-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল কর্তৃক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট প্রদানকারী নাগরিকদের উদ্দেশে “জারজ সন্তান” বলে প্রকাশ্যে যে কুরুচিপূর্ণ, অশ্রাব্য ও ঘৃণাত্মক মন্তব্য করা হয়েছে, তা জাতির গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি ন্যক্কারজনক ও লজ্জাজনক অধ্যায়। এই বক্তব্য শুধু রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন নয়—এটি সংবিধান, ভোটাধিকার এবং জনগণের মর্যাদার ওপর সরাসরি আঘাত।

রাজাপুর কাঁঠালিয়া উন্নয়ন ফোরাম-এর সভাপতি মাওলানা মোঃ আবু ইউসুফ এবং সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ জসিম উদ্দিন এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, একজন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের মুখ থেকে এমন অমানবিক ও অবমাননাকর ভাষা প্রমাণ করে—তিনি এখনো গণতন্ত্রের মৌলিক চেতনাকে ধারণ করতে ব্যর্থ। জনগণই রাষ্ট্রক্ষমতার উৎস; সেই জনগণকে গালাগালি করে ক্ষমতার আসনে থাকার কোনো নৈতিক অধিকার কারও নেই।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ভিন্ন রাজনৈতিক মত বা প্রতীকে ভোট দেওয়ার কারণে সাধারণ মানুষকে “জারজ” আখ্যা দেওয়া ফ্যাসিবাদী মানসিকতার নগ্ন বহিঃপ্রকাশ। এ ধরনের বক্তব্য সমাজে ঘৃণা, বিভক্তি ও সংঘাত উসকে দেয় এবং রাজনীতিকে কুৎসিত ও বিপজ্জনক পথে ঠেলে দেয়। একজন এমপি যদি জনগণকে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করেন, তবে তিনি নিজেই নিজের সাংবিধানিক দায়িত্ব হারান।

রাজাপুর–কাঁঠালিয়া উন্নয়ন ফোরাম অবিলম্বে উক্ত বক্তব্য প্রত্যাহার, জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা এবং ভবিষ্যতে এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ থেকে বিরত থাকার জোর দাবি জানাচ্ছে। অন্যথায় এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী গণতন্ত্রকামী জনগণকে সাথে নিয়ে কঠোর রাজনৈতিক ও আইনগত কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

বিবৃতির শেষাংশে বলা হয়, ভোটাধিকারকে অবমাননা মানে গণতন্ত্রকে অস্বীকার করা, আর গণতন্ত্র অস্বীকারকারীদের ইতিহাস কখনো ক্ষমা করে না।

  • শেয়ার করুন