প্রকাশিত: আগস্ট ২৮, ২০২৬
প্রকাশিত:
বিশেষ প্রতিবেদক: চাকরিবিধিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সোনারগাঁও ফরেস্ট চেক স্টেশনে বছরের পর বছর পদ আঁকড়ে আছেন দুই কর্মকর্তা-কর্মচারী। সাবেক মন্ত্রীপুত্রের সুপারিশ, বদলির আদেশ অমান্যকরণ এবং প্রতি মাসে মোটা অঙ্কের অবৈধ লেনদেনের মারাত্মক অভিযোগ উঠে এসেছে তাদের বিরুদ্ধে।
আদেশ মানছেন না ফরেস্টার সাব্বির নিয়ম অনুযায়ী ১ বছর দায়িত্ব পালনের কথা থাকলেও সাবেক বনমন্ত্রী শাহাবুদ্দিনের মেয়ের জামাইয়ের প্রভাবে টানা ২ বছর ৩ মাস ধরে বহাল আছেন ফরেস্টার মো: সাব্বির হোসেন। গত ১৩ আগস্ট ২০২৬ তারিখে তার বদলির আদেশ দিয়ে মোহাম্মদ আব্দুল গফুর খান, ফরেস্টারকে পদায়ন করা হয়। তবে গফুর খান যোগদানের পরও সাব্বির হোসেন দায়িত্ব বুঝিয়ে না দিয়ে তাকে উল্টো হুমকি দিচ্ছেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ডিএফও শারমিন আক্তার বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ঢাকা সামাজিক বন বিভাগ -কে মোটা অঙ্কের ঘুষ দিয়ে আরও ১ বছর অবস্থান করার চক্রান্ত করছেন। এছাড়া তার সরকারি কোয়ার্টারে অবৈধ ও অঘোষিত আসবাবপত্রের বিশাল সম্ভার রয়েছে বলে জানা গেছে।

মাসিক চুক্তিতে আসাদুজ্জামান একই স্টেশনে ১ বছরের বদলে ২ বছর ২ মাস ধরে কর্মরত আছেন ফরেস্ট গার্ড (এফজি) মো: আসাদুজ্জামান। রেঞ্জার আবু তারেক খন্দকার, ডিএফও এবং সিএফ অফিসে প্রতি মাসে নির্ধারিত অঙ্কের অবৈধ লেনদেন ও মাসোহারা দিয়ে তিনি আরও ১ বছর থাকার গোপন কন্টাক্ট করেছেন।
সরকারি আদেশ তোয়াক্কা না করা এই সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধে ঊর্ধ্বতন বন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু জরুরি তদন্ত দাবি করেছেন স্থানীয়রা।