২৮শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার,সকাল ১১:০৪

শিরোনাম

বন্দর থানা থেকে তেল চুরির ঘটনায় এক পুলিশ ক্লোজড

প্রকাশিত: আগস্ট ২৭, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা ঃ নারায়ণগঞ্জ বন্দর থানায় জব্দকৃত জ্বালানি তেল চুরি করে বিক্রি করার ঘটনায় এক পুলিশ সদস্য কে ক্লোজড করা হয়েছে।সেই সাথে জড়িত অপর এক ব্যাক্তিকে আটকের পর গভীর রাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।এ ঘটনায় থানা পুলিশের অসতর্কতা,দায়িত্বে অবহেলা এবং অনৈতিক কর্মকান্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে স্থানীয় সচেতন মহল।

বুধবার (২৬ আগস্ট) ভোর ৬ টার দিকে বন্দর থানায় এ ঘটনা ঘটে।থানার পরিদর্শক তদন্ত আনিসুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

থানার অসমর্থিত সূত্র জানায়, র‍্যাব কর্তৃক আটক হওয়া ট্রাক ও মালামাল থানার ভেতরে রাখা হয় এবং এ সংক্রান্ত নিয়মিত মামলা হয়।গতকাল বুধবার ভোর ৬ টার দিকে থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল মো. ফরিদ নিজে দাড়িয়ে থেকে ঘাট শ্রমিক মো. আলামিনকে দিয়ে ওই ট্রাক থেকে ১ গ্যালন (২৫ লিটার) ডিজেল নামিয়ে নিয়ে যায়।পরে থানার খেয়া ঘাটে টোল আদায়ের দোকান ঘরের পেছনে নিয়ে রাখে বিক্রির জন্য।কিন্তু ঘটনা জানাজানি হলে দুপুর ১ টার দিকে দুজন অফিসার গিয়ে ওই ডিজেলের গ্যালনটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।একইসাথে অভিযুক্ত কনস্টেবল ফরিদ মিয়াকে থানা থেকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয় এবং রুপালি এলাকার বাসিন্দা দিনমজুর আলামিনকে আটকে রাখা হয়। পরবর্তীতে দিবাগত রাত দুইটার দিকে তাকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এছাড়া গত এক সপ্তাহ আগে থানার ভেতর থেকে ডাকাতি মামলার ঘটনায় উদ্ধারকৃত অটো গাড়ির ব্যাটারি চুরির ঘটনা ঘটে।ওই ঘটনায় শাকের ও শাকিল নামে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। খোদ থানার ভেতর থেকে মালামাল চুরির ঘটনায় জনমনে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে।

 

সচেতন মহলের দাবি, বর্তমান ওসি জামাল উদ্দিন যোগদানের পর ঢাকঢোল পিটিয়ে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে অভিযান পরিচালনা করেন।অব্যাহত অভিযানে বেশকিছু মাদক ব্যাবসায়ী ও সেবনকারীকে গ্রেফতারও করেন।কিন্তু  বড় ধরনের মাদকের চালান বা ডিলারদের আটকের কোন সংবাদ নেই।তবে তার চরম অদক্ষতা ও দায়িত্বে অবহেলার পাশাপাশি বেপরোয়া ঘুষ বানিজ্যের কারণে দুই মাসে চার জন  খুনের ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি ছিনতাই ডাকাতি সহ নানা অপরাধ বৃদ্ধি পেয়েছে।ফলে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে।বিশেষ করে সাম্প্রতিক যুব আন্দোলনের নেতা বুলবুল হত্যাকাণ্ডের দায় কোনভাবেই এড়াতে পারে না ওসি জামাল উদ্দিন।

এ বিষয়ে জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জামাল উদ্দিন ফোন রিসিভ করেননি।

  • শেয়ার করুন