৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার,রাত ১:৩৪

শিরোনাম
বীরগঞ্জে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা ২০১৮ সালের নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধি হিসেবে জেলার প্রধান দায়িত্বে যে জেলা প্রশাসকগন ছিলেন তাদের বিচারের দাবী সুশিল সমাজের। ১৬ জুলাই, জুলাই শহীদ দিবস হিসেবে পালনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় বিএনপি ও সহযোগি অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়েছে। বন্দরে নানা আয়োজনে নজরুল বর্ষ উদযাপন জামালগঞ্জে প্রভাবশালী কর্তৃক জোরপূর্বক নীরিহ ব্যাক্তির জায়গা দখলের অভিযোগ সরকার জনগণের প্রতি খুবই আন্তরিক : হুমায়ুন কবির কর্ণফুলী চ্যানেলে লাইটার জাহাজ ডুবি: কোস্ট গার্ডের তৎপরতায় ১২ নাবিকদের জীবিত উদ্ধার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বৃক্ষায়ণের সাথে তাল মিলিয়ে রাঙামাটি মুজাদ্দেদে-ই-আলফেসানী একাডেমির উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ

সরকারি কর্মচারীরা কি জনগণের সেবার জন্য নিয়োজিত, নাকি শায়েস্তা করার জন্য?

প্রকাশিত: জুলাই ৬, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

হিমু ; দিনাজপুরের হিলিতে তথ্য সংগ্রহ করতে যাওয়া এক সাংবাদিককে স্যার বা ‘মহোদয়’ বলে সম্বোধন করার দাবি জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ তানভীর হাসনাত রবিন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সংবাদকর্মী ও সচেতন মহলে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।আসলে দিন দিন সরকারি অফিসারগন জনগনকে যে সেবার জন্য তাদের নিয়োগ তা ভুলে যাচ্ছে।

রোববার (৫ জুলাই) দিনাজপুরের হাকিমপুর (হিলি) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় একাত্তর টেলিভিশনের হিলি প্রতিনিধি সামিউল ইসলাম আরিফের সঙ্গে এই ঘটনা ঘটে। তথ্য ও বক্তব্য সংগ্রহের জন্য তিনি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার কার্যালয়ে গেলে তাকে দাপ্তরিক শিষ্টাচার বা ‘অফিস ডেকোরাম’ শেখানোর চেষ্টা করা হয়।

ভুক্তভোগী সাংবাদিকের অভিযোগ, ডা. মুহাম্মদ তানভীর হাসনাত রবিন তাকে জানান যে, ইউএনও এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা একই পদমর্যাদা সম্পন্ন। তাই ইউএনওকে যেভাবে ‘স্যার’ বলা হয়, তাকেও একইভাবে সম্বোধন করা উচিত।

এ বিষয়ে সাংবাদিক সামিউল ইসলাম আরিফ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পারস্পরিক সম্মান ও সৌজন্যতাবোধের জায়গা থেকে কর্মকর্তারা সম্মান পেয়ে থাকেন। কিন্তু তথ্য প্রদানের শর্ত হিসেবে নির্দিষ্ট কোনো সম্বোধন চাপিয়ে দেওয়া চরম অপেশাদারিত্বের শামিল।

এদিকে ঘটনাটির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন হাকিমপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তাফিজার রহমান মিলন। তিনি জানান, সরকারি কর্মকর্তাকে সম্মান দেখানো পেশাগত দায়িত্বের অংশ হলেও জোরপূর্বক কোনো সম্বোধন চাপিয়ে দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।

সার্বিক বিষয়ে দিনাজপুরের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. মো. গোলাম রসুল রাখি বলেন, সরকারি কোনো কর্মকর্তাকে ‘স্যার’ বা ‘মহোদয়’ বলার সরকারি কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। কে কাকে কীভাবে সম্বোধন করবেন, তা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিষয়।

অভিযুক্ত কর্মকর্তার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

  • শেয়ার করুন