প্রকাশিত: জুন ২১, ২০২৬
হিমু ;
দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক বর্ষীয়ান সাংবাদিক ড. মাহমুদুর রহমান, দৈনিক সংগ্রাম-এর সম্পাদক ও প্রকাশক আবুল আসাদ– রুহুল আমিন গাজী ও শওকত মাহমুদের ওপর হামলা-মামলা বন্ধ, বিভিন্ন পত্রিকা অফিস খুলে দেওয়া এবং গণতন্ত্র মুক্তির একের পর এক দাবি নিয়ে আমরা যখন রাস্তায় ও প্রেস ক্লাবের মাঠে আন্দোলন করেছি—তখন এইসব ছেলেদের অনেকের ক্লাব প্রাঙ্গণে জন্মও হয়নি। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত এসব আন্দোলনে পেশাজীবী সংগঠনের মহাসচিব ও বারবার প্রেস ক্লাবের নির্বাচিত নেতা শওকত মাহমুদ, কামাল উদ্দিন সবুজ, আবদাল আহমেদ ও ইলিয়াস খান; বিএফইউজের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী, এম আবদুল্লাহ, ওবায়দুর রহমান শাহিন, মহাসচিব এম এ আজিজ, নুরুল আমিন রোকন, কাদের গনি চৌধূরী, ডিইউজের সভাপতি শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশিদ আলম ও জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, বাকের হোসাইন ও মোহাম্মদ আবদুল বাছির, দিদারুল আলম আরও অনেকের সাথে আমি সক্রিয়ভাবে মাঠে ছিলাম।
কিন্তু যারা গত ১৬ বছর কোনো আন্দোলনে ছিল না, এমনকি যাদের বয়সও এখন ১৬ বছর হয়নি, তারা কীভাবে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্যপদ পায়—তা আমার বোধগম্য নয়। অথচ অতীতে তাদের যেকোনো ডাকে আমরা রাজপথে হাজির হতাম। একজন বিবেকবান, জ্ঞানী ও ধর্মীয় মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ কীভাবে নিজের ঘরের মানুষদের (ত্যাগী সাংবাদিকদের) পর করে দিয়ে, অর্থের লোভে কিংবা অন্য কোনো মোহে একের পর এক বাইরের সুবিধাবাদীদের আপন করে নেয়, তা আমার হিসেবের বাইরে। যারা সাময়িক চাকচিক্য ও মিষ্টি কথার আড়ালে অনৈতিক কাজে লিপ্ত থাকে, তাদের আসল রূপ আমরা আগে বুঝতে পারিনি। জানলে হয়তো আমরাও অন্যভাবে ভাবতাম, অন্তত তাদের ভেতরের রূপটা আগেই চিনে নিতে পারতাম।