৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার,রাত ১২:০৩

শিরোনাম
সরকার প্রতিরক্ষা শিল্পে মেড ইন বাংলাদেশ নীতি গ্রহণ করেছে :নৌবাহিনী প্রধান বন্দরে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ওয়ারিশ সনদ জালিয়াতির মামলায় আউয়াল গ্রেফতার জ্বালানি তেলের দাম বাধ্য হয়ে বাড়ানো হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান নির্দেশিত বিভিন্ন জনসম্পৃক্ত ও গণমুখী উদ্যোগ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন ঢাকার সড়কে বেড়েছে গণপরিবহন, অধিকাংশই যাত্রীশূন্য বিআরটিএর মোবাইল কোর্টে ১০ দিনে ৮১৩ মামলা আশুলিয়ায় প্রথমে এক ভাইকে গুলি, পরে অন্য জায়গায় গিয়ে আরেক ভাইকে গুলি জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ২৮ মে যশোর বাঘারপাড়ায় রায়পুরে কনসার্টে নারীকে উত্ত্যক্তের জেরে সংঘর্ষ, আহত ৬

গ্রাম আদালত মানুষের আইনি সেবা দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার বড় মাধ্যম: বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক

প্রকাশিত: জুন ৫, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

বাগেরহাট প্রতিনিধি:

মানুষের আইনি সেবা একদম দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হলো গ্রাম আদালত। বাগেরহাটে ‘বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (৩য় পর্যায়)’ প্রকল্পের আওতাধীন অর্ধ-বার্ষিকী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট গোলাম আ. বাতেন।

​বুধবার (০৩ জুন, ২০২৬) সকাল ১১টায় বাগেরহাট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

​জেলার স্থানীয় সরকার শাখার ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক  মেজবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং প্রকল্পের জেলা ম্যানেজার নাজমুল হাসানের উপস্থাপনায় সভায় বিগত ছয় মাসের গ্রাম আদালতের মামলার একটি বিস্তারিত তথ্যচিত্র বা চিত্র প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।

​সভায় বক্তারা গ্রাম আদালতের নানান দিক, সাফল্য ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন:

​প্রশাসনিক কর্মকর্তা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি  জয়দেব হুই বলেন, ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে ‘হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর’ নিয়োগ সম্পন্ন হলে গ্রাম আদালতের কাজ আরও অনেক সহজ হবে এবং লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে।

​কচুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আলী হাসান জানান, যেসকল ইউনিয়নে বর্তমানে প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া আছে, সেখানে গ্রাম আদালতের মামলার সংখ্যা তুলনামূলক কম এবং মামলা নিষ্পত্তির গতিও কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে।

​চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) খাদিজা আক্তার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “গত মাসের চেয়ে চলতি মাসে আমার উপজেলায় সরাসরি মামলার সংখ্যা বেড়েছে। আগামী মাসে এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং মানুষ আরও বেশি আইনি সেবা পাবে।”

​সভায় মাঠপর্যায়ের নানা অভিজ্ঞতা ও পরামর্শ তুলে ধরে আরও বক্তব্য রাখেন ফকিরহাটের ইউএনও  রোকনুজ্জামান এবং রামপালের ইউএনও জনাব তামান্না ফেরদৌসী।

​সভায় বক্তারা একমত পোষণ করেন যে, গ্রাম আদালত পুরোপুরি সক্রিয় থাকলে গ্রামীণ এলাকার ছোটখাটো বিরোধ ঘরের কাছেই সহজে নিষ্পত্তি করা সম্ভব। বিশেষ করে বাগেরহাট জেলায় শূন্য পদে ‘হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর’ নিয়োগ দেওয়া হলে গ্রাম আদালতের কার্যক্রম আরও একধাপ এগিয়ে যাবে।

​উক্ত অর্ধ-বার্ষিকী সভায় বাগেরহাট জেলার নয়টি উপজেলার উপজেলা সমন্বয়কারীগণ এবং প্রকল্পের জেলা প্রোগ্রাম অ্যান্ড ফিন্যান্স অ্যাসিস্ট্যান্ট উপস্থিত ছিলেন।

  • শেয়ার করুন