২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার,সকাল ৮:১০

শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর পছন্দেই চূড়ান্ত হবে ব্র্যান্ড ও মডেল দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন মন্ত্রী জাহিদ হোসেন, সহ-সভাপতি এমপি জাহাঙ্গীর আলম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তারাবোতে দোয়া মাহফিল সরকারের তোষামোদ নয়, জনগণের সামনে সত্য তুলে ধরতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহে শিশুর মরদেহ উদ্ধার: দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে ৩ তরুণ গ্রেপ্তার বিআরটি প্রকল্প নিয়ে সভা করলেন প্রধানমন্ত্রী সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ে গ্রেপ্তার গত জানুয়ারি-মে দেশে খুন-অপহরণসহ অপরাধ বেড়েছে, দাবি বিসিআরএসের বন্দরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা মূলক কর্মসূচি পালিত

কৃষিবিদেরা কৃষকের আশীর্বাদ, আবার কৃষকেরাই জাতির জীবন

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৯, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

বীর মুক্তিযোদ্ধা এম হালিম ঢালী:

 

সুজলা সুফলা, শস্য শ্যামল নদীমাতৃক বাংলাদেশ।

কৃষি প্রধান বাংলাদেশের কৃষকেরা রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে মাথারঘাম পায়ে ফেলে কঠোর পরিশ্রমের বিনিময়ে নানাবিধ ফসল ফলায়। কৃষকের ফলানো সেই ফসল খেয়েই আমরা বাঁচি। কৃষকেরাই পৃথিবীর মানুষগুলোকে বাচিয়ে রেখেছেন। এই কৃষকেরাই মানব জাতির জীবন। এতোবড় মোহিত পেশার কৃষকদের করি আমরা অবহেলা!

আদিকাল থেকে কৃষকেরা কৃষি কাজে নানাহ উপকরণ ব্যবহার করতেন। যেমন খেত প্রস্তুত করার জন্য কোদাল, লাঙ্গল-জোয়াল ছিলো প্রধান উপকরণ। এরপর জমির বড়-বড় মাটির চাকা ভাঙ্গার জন্য কৃষকেরা ব্যবহার করতেন ইটামুগুর। এই ইটামুগুর কৃষকেরা তৈরি করতেন গাছেরগুরি ও বাঁশ দিয়ে। গাছেরগুরি ও বাঁশ দিয়ে তৈরি বস্তটিকে মুন্সিগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলার কৃষকেরা ইটামুগুর বলে থাকেন।

ফসল কাটা ও ঝাড়াইয়ের জন্য কম্বাইন হার্ভেস্টার (Combine Harvester). রিপার, ধানমাড়াই যন্ত্র (Thresher). ভুট্টা মাড়াই যন্ত্র।

ফসল পরবর্তী ব্যবস্থাপনার জন্য, শস্য ঝাড়াই যন্ত্র, আলু উত্তলন যন্ত্র,  ফল শোধন যন্ত্র, হাইব্রিড ড্রায়ার।

আধুনিক প্রযুক্তিতে অটোনোমাস ট্রাক্টর (চালকবিহীন ট্রাক্টর) ড্রোন স্প্রেয়ার, রোবটিক হার্ভেস্টার, ইত্যাদি।

কৃষিবিদ ও গবেষকরা দেশ, জাতি ও কৃষকদের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তারাই দেশ ও জাতির সূর্য সন্তান।

অথচ দুঃখের বিষয় হলো এই, একশ্রেণির উচ্চা বিলাশী কৃষিবিদ নেতা ও এমপি-মন্ত্রী হওয়ার জন্যে মহা ও পবিত্র এই দ্বায়িত্বকে ছুড়ে ফেলে দিয়ে রাজনৈতিক দলে নাম লেখান। যা অত্যন্ত দুঃখ জনক। ঐ সকল কৃষিবিদেরা কৃষকদের সেবা দেওয়া থেকে বঞ্চিত করছেন। রাজনীতিতে জড়িয়ে যাওয়া কৃষিবিদেরা রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ, সভা-সমাবেশ, মিছিল মিটিং এ ব্যস্ত থাকার কারণে কৃষকদের সময় দিতে পারেননা। এমনকি এই কৃষিবিদেরা অনেকেই রাজনীতিতে জড়িয়ে চাকরিও ছেড়ে দেন। তারা মনে করেন, এমপি-মন্ত্রী হয়ে গেলেই কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা ও বাড়ি-গাড়ির কোনটারই অভাব নেই। তারা শুধু মুদ্রার এক পিঠই দেখেন। অন্য পিঠ দেখেন না। যারা এক পিঠ দেখেন, তাদের ভবিষ্যত অন্ধকার। এক পিঠ দেখারাই আজ দেশ থেকে পালিয়ে গেছেন। কেউ শত-শত মামলা খেয়ে দেশেই আত্মগোপনে রয়েছেন। আবার কেউ জেলে। যারা মুদ্রার দু’পিঠ দেখেন তারাই ভালো আছেন এবং সফল হয়েছেন। তাদের দ্বারাই দেশ, জাতি ও কৃষকেরা উপকার পাচ্ছেন। লোভীরা হারিয়ে গেছেন সমাজ থেকে।

  • শেয়ার করুন