২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার,রাত ৪:০৬

তেজগাঁও রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্সের সাব-রেজিস্ট্রার মাইকেল মহিউদ্দিন লীগের দুর্নীতি থামান, বিএনপির নাম বিক্রি করছে !

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক

তেজগাঁও রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্স এর মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ সাবরেজিস্ট্রার পুর্বে ছিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ক্যাশিয়ার।  তখন  আইনমন্ত্রীর নামে দোহাই দিয়ে  অনৈতিকভাবে হাতিয়ে নিয়েছেন  জনগনের  শত শত কোটি টাকা। ঠিক তেমনি  চাল খেলা খেলে বিএনপির  জনৈক নেতার নাম বিক্রি করে  হাতিয়ে নিচ্ছেন  দৈনিক লাখ লাখ টাকা। তার  বিরুদ্ধে কেহ কথা বলতে সাহস পান না। জেলা রেজিস্টারের  নিয়ন্ত্রীত হলেও তাকে কোন মুল্যায়ন করেন না। তার একতরফা কাজে  কমপ্লেক্সের  অনেক কর্মকর্তাই মনক্ষুন্ । কিন্তু তার অবৈধ কাজতো  থামছে না। সে আগেও যে ভাবে দুর্নীতি অনৈতিক কাজ করতেন  এখনও তেমনি করছেন। তবে নতুন করে সুর পাল্টিয়ে   বিএনপির  অগোষিত সম্রাটের দায়স্ত হয়ে বিএনপির নাম বিক্রি করছে।  আওয়ামী লীগের সময় এর অপকর্মগুলি বিএনপির মাথায় চাপিয়ে যাচ্ছে। যাহা বিএনপির  দলের অপুরোনীয় সামাজিক ক্ষতি হচ্ছে বলে  বিএনপির  দলীয় কর্মকর্তারা  ব্যাক্ত করছেন। তবে অতি সত্তর মাইকেল মহিউদ্দিন আবদুল্লাহর  অপকর্মের  রাষ্ট্রের  প্রশাসন , গোয়েন্দা ও সরকারী দল কোন ব্যবস্থা না নিলে যে  দলের ও দেশে দুর্নীতিতে মহামারি ক্যন্সাররোগের মত ছড়িয়ে পরবে।

এই মাইকেল মহিউদ্দিনরা যে সরকার  যখন আসে তখনই  প্লেট , খাবারের  ধরন পরিবর্তন করে ফেলে । আর এদের জন্যই  রাষ্ট্রের  আস্তে আস্তে সুনাম  ক্ষুন্ন হয় । জনগননের  দল আস্তে আস্তে ভারী হয় । প্রতিবাদ প্রতিশোধ , বিচার নিয়ে জনগন দলবদ্ধ হয়ে এক সময় রাস্তায় দ্বাড়িয়ে যায়।  তখন সরকারের উপর সম্পুর্নটার দায়ভার পরে। তখন সরকারের ও কিছু করার থাকে না। কারন দুর্নীতিবাজদের  সাথে সরকারের ঘরের লোকদের সম্পর্ক হয়ে যায়।  বিচার করতে গেলেই  ঘরের লোকের বিচার করতে হয় । যখন পারেন না তখন সাধারন মানুষের প্রতিবাদী স্বর  আরে বেগমান হয় । সরকারের পদত্যাগ বা রাষ্ট্র ছেড়ে পালাতে হয়। এই এক মাইকেলের জন্য তখন ডিসি, ইউএনওরা ঘুমাতে পারেননি। পদে পদে অপদস্ত করেছেন আজ আবার সুর পাল্টিয়ে বিএনপির কর্মী হয়ে নিয়ন্ত্রন করছেন তেজগাঁও রেজিষ্ট্রেশন কমপ্লেক্স । বহাল তবিয়তে থেকে পুর্বেরমতই  অপক্ষমতা দেখিয়ে প্রকাশ্যে কোটি কোটি টাকার ঘুষবানিজ্য  করছে দেখারমত কেউ কি আছে মনে হয় না। বর্তমানে ঘুষ দুর্নীতির গড ফাদার হিসেবে সর্বমহলে পরিচিত মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ।

এর পুর্বে  মুন্সিগঞ্জ ও  রূপগঞ্জ এবং টঙ্গীতে দায়িত্ব পালন কালে তার অপক্ষমতার অবৈধ কাজের, দুর্নীতি থামানোর জন্য সংশ্লিষ্ট  স্থানের  দলিল লেখক ও সাধারণ মানুষ     তার নামে মানববন্দন মিসিল মিটিং ও দুর্নীতি দমন কমিশনে এবং মন্ত্রনালয়ে  অভিযোগ দাখিল করেছে। কিন্তিু সে মন্ত্রীর লোক থাকায় তার বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ সরকার নেননি।  কিন্তু  সরকার পরিবর্তন হলেও  তার  চরিত্র তার লোভ লালসার বিন্দুমাত্রও পরিবর্তন হয় নাই।
সাব রেজিষ্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর শত শত কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্য ও নারী কেলেংকারীর কথা কমপ্লেক্সের কর্মরত কর্মচারিরা দিব্বি অগোচরে প্রকাশ করছে ।
সাব -রেজিষ্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহ পকেটে লাখ লাখ টাকা নিয়ে অভিজাত গুলশান বনানীর গোপন আড্ডায় নিয়মিত যাতায়াত করেন। সেখানে উঠতি বয়সী তথাকথিত মডেল, নাটক পাড়ার অভিনেত্রী এবং  মডেলদের সাথে রাতভর বিদেশি মদ পান করেন এবং একাধিক নারীর সাথে ফুর্তি করার অভিযোগ রয়েছে। তার এই বেপরোয়া জীবন যাপনের কারণে পরিবারও নাখোশ। একাধিক তার নিকট ঘনিষ্ঠজনরা বলেছেন আওয়ামী লীগের সময় তিনি যা করতেন এখনো তাই করেন। তার বিষয়ে জেলা রেজিস্টারের  সাথে কথা বললে বলেন  মাইকেলের ব্যাপারে  কিছু বলার  নাই আমার । সে আমার কথা শুনে না। কারন সে রেজিস্টারদের সাধারন সম্পাদক।

নাম না প্রকাশ সশর্তে অপর একজন কর্মচারি বলেন সাব রেজিষ্টার বদলি থেকে শুরু করে ওপর মহলে খুশী করার জন্য স্যার যা যা দরকার তা করেন। নারী সাপ্লাই থেকে শুরু করে দামি দামি ব্রান্ডের মদও  সাপ্লাইসহ আড্ডার ব্যবস্থা করেন। কারন তার কাছে টাকার কোন মুল্যে নাই।  আয় করেন অবৈধ পথে খরচও করেন অবাধে এর পর যা থাকেন  তাতেই যথেস্ট। সাব রেজিষ্টার মাইকেল মহিউদ্দিন আব্দুল্লাহর কাছে ফোন করলে বলেন যা পারেন লেখেন , ওতে আমার কিছু আসে  যায় না। কোটি কোটি টাকা দুর্নীতি করে এবং খাস আওয়ামীলগের লোক হয়েও  এখনো  দুর্নীতিবাজ বহাল তবিয়তে। মাইকেল  মহিউদ্দিন বলে বেড়ান দুদক তার চুলও স্পর্শ করতে পারবেন না। কেননা মাইকেল নাকি প্রতি মাসে দুদকের কোন এক কর্মকর্তাকে  মোটা অংকের টাকা মাসোহারা দেন ।  যার ফলে তার অভিযোগের ফাইল  তদন্তের  আলোকে আসে না।

  • শেয়ার করুন