প্রকাশিত: এপ্রিল ১১, ২০২৬
প্রকাশিত:
বিশেষ প্রতিনিধি ঃ

বাংলাদেশ রেলওয়ের সাবেক যুগ্ম মহাপরিচালক (ইএমই) মুহাম্মদ কুদরত–ই–খুদা বর্তমানে প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা (Chief Planning Officer) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি রেলভবনে একজন শীর্ষ দুর্নীতিবাজ ও নারী কেলেঙ্কারি ( লোভী ) হিসাবে সব ধরনের কর্মকর্তাদের কাছে পরিচিত।
কুদরত-ই-খুদার বিরুদ্ধে দূর্নীতি,স্বজন প্রীতি, নারী কেলেঙ্কারিসহ সরকারি অর্থ লুটপাট ও রাজনৈতিক শক্তিকে অপব্যবহার করার অভিয়োগ রয়েছে। রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, রাজনৈতিক বিবেচনায় ক্ষমতার সামনে আসা কুদরত রাজশাহীতে দায়িত্ব পালনের সময় দূর্নীতি ও সরকারি অর্থ লোপাটের উৎসবে মেতে ছিলেন। আওয়ামীলীগের দূর্নীতিবাজ শীর্ষ নেতা রাজশাহীর সিটি মেয়র খায়রুজ্জামান লিটনের ছত্র ছায়ায় কুদরত নিজেকে অপ্রতিরোধ্য করে তোলেন। জড়িয়ে পড়েন অবৈধ অর্থ লুটপাটে ও নারী কেলেঙ্কারিতে।
সূত্র বলছে, মেয়র লিটনের ছত্র ছায়ায় স্থানীয় রাজনীতিক ও হাতে গোনা কয়েকজন ঠিকাদারের পাশাপাশি গণমাধ্যমের কয়েকজন দলবাজ সাংবাদিকদের নিয়ে কুদরত গড়ে তোলে বিশেষ সিন্ডিকেট। সেই সিন্ডিকেট নির্ধারণ করে দিত রেলওয়েতে কখন কি হবে । গোয়েন্দা সূত্র বলছে রাজশাহীতে অবস্থান কালে মেয়র লিটনের আর্শিবাদে ধরাকে সরা জ্ঞান করে দূর্নীতি, নারী কেলেঙ্কারিসহ অর্থ লোপাটের পাশাপাশি রেলওয়ে শ্রমিকদের বড় অংশকে তিনি আওয়ামী বিরোধী মতবাদদের দমনে নির্লজ্যভাবে নির্যাতন, জুলুম অন্যায় অত্যাচার করেছেন। আর সরকারি অর্থের যথেচ্ছা লুটপাটের মাধ্যমে বিপুল পরিমান জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদের মালিক হয়েছেন।
কুদরত একের পরে এক লাভজনক পদে থাকার সুবাদে তিনি শত কোটি টাকার উপরে মালিক হয়েছেন। রাজশাহী বহরমপুর তিনি ৫ তলার একটা আলিশান বাড়ি গড়েছেন। যার বাজার মুল্য আনুমানিক ১০ থেকে ১২ কোটি টাকা।
রাজশাহী শহরের শিরোইল কলোনীতে তার রয়েছে একটা ৫ তলা বাড়ি, পদ্মা আবাসিকে একাধিক ফ্ল্যাট। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ২টি, মোহাম্মদপুর ও ধানমন্ডিতে ১ টি করে ফ্ল্যাট রয়েছে। তাছাড়া ঢাকায় এক রিয়েল স্টেট ব্যবসায়ীর সাথে তার রয়েছে পার্টনারশিপ ব্যবসা। এ সব বিষয়ে জানতে, কুদরতের মুঠোফোনে বার বার যোগযোগ ও মতামতের বার্তা পাঠালে তার কোন উত্তর পাওয়া যায়নি। তবে কুদরতের কোন তথ্য থাকলে বিস্তারিত জানাতে পারেন। আপনার পরিচয় গোপন রাখা হবে । ( চলবে )