প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
প্রকাশিত:

আওয়ামীলীগের বড় দোসর সাবেক প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতার ( ভারতের ) এর লীগের দলীয় লোক হওয়ায় কায়কোবাদের দুর্নীতির ঘুষের প্রকাশিত খবরা খবর চেপে রেখে কায়কোবাদের পদোন্নতির ফাইলটি সুপারিশ করে মন্ত্রনালয়ে নিয়ে যান।
বিশেষ সংবাদদাতা ঃগণপূর্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. কায়কোবাদের দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগের পাহাড় থাকলেও অধিদপ্তর ও মন্ত্রনালয় তা চোখে দেখেও না দেখার বান করে পদোন্নতি দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী থাকাকালিন সে ঠিকাদারদের সাথে পার্শেন্ট (%) নিয়ে দন্দ হয়। এর পর ৩ জন ঠিকাদার একত্র হয়ে তার কক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেয়। জনৈক ঠিকাদার নাম না প্রকাশ শর্তে সে বলেন কায়কোবাদকে শারীরিক নির্যাতন করলে সে দ্রুত তার সাথে থাকা ১৭ হাজার টাকা ফেরত দেয় ও ক্ষমা চায়। কায়কোবাদ তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী থাকা অবস্থায় শতাধীক পত্রিকায় ও চ্যানেলে অবৈধ পথে আয় শত শত কোটি টাকার দুর্নীতির অনিয়মের ও পার্শেন্টের কথা ধারাবাহিকভাবে প্রকাশ হয় । এর পরও আওয়ামীলীগের বড় দোসর সাবেক প্রধান প্রকৌশলী শামীম আখতার ( ভারতের ) এর লীগের দলীয় লোক হওয়ায় কায়কোবাদের দুর্নীতির ঘুষের প্রকাশিত খবরা খবর চেপে রেখে কায়কোবাদের পদোন্নতির ফাইলটি সুপারিশ করে মন্ত্রনালয়ে নিয়ে যান। একটা প্রবাদ বাক্য আছে ” মুখে দিলে, চোখে লাজ” তেমনি ব্যপার হলো প্রধান প্রকৌশলী মামীম আখতারের, কারন তার মেয়ের বিবাহের খরচের অনেকটাই কায়কোবাদ বহন করেছে বলে দপ্তরে চাউর আছে। তবে আমরা জানি কাউকে উচ্চ পদে পদোন্নতি দিলে তার বিষয়ে কর্তৃপক্ষ গোয়েন্দাদের মাধ্যেমে তার পারিবারিক ও তার অতিতের কর্ম পর্যবেক্ষন বা তদন্ত করে দেখে শুনে পরে পদোন্নতি দেয়। কিন্তু কায়কোবাদের বেলায় তা কিছুই তদন্ত করা হয় নাই। কারন আমরা তার গ্রামের বাড়ীতে, ইউনিয়নে ও থানার সাধারন ও গন্যমান্য ব্যক্তিদের মাধ্যেমে জিজ্ঞাসা করে জানতে পারলাম যে তারা চৌদ্দগোষ্টি আওয়ামী লীগ।তার বাব-চাচা,শ্বশুর-শ্বাশুরী ,সালা সুমন্দি সবাই আওয়ামীলীগ এবং সে আওয়ামীলীগ ও আওয়ামীলীগের দোসর ও ২০২৪ এর জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার আন্দোলন নস্যাৎ করার জন্য অর্থ যোগানদাতা ও ছাত্র-জনতা নির্যাতনের সাথে জড়িত থাকারও অভিযোগ প্রকাশ পায়। এরপরও কি করে ৫ আগষ্টের ছাত্র-জনতার তাজা রক্তের বিনিময়ের ফসল, নতুন সরকারে থাকা উপদেষ্টাগন ঐ আওয়ামীলীগ ফ্যাসিবাদ সরকারের দোসর কায়কোবাদকে পীর নামধারী শামীম আখতার এর সুপারিশে নিরব মহামারি ঘাতককে পদোন্নতি দিয়েছে তা- নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।অধিদপ্তরের একাধীক নির্বাহী ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীগন বলছে কত কোটি টাকার বিনিময়ে আবার অনেকে বলছে ১০ কোটি টাকার বিনিময়ে এই আওয়ামীলীগের দোসর কায়কোবাদকে মন্ত্রনালয় কর্তৃপক্ষ আরও পাকা পোক্ত করে রাখার জন্য পদোন্নতি দিয়েছে। অধিদপ্তরের একাধীক প্রকৌশলী নাম না প্রকাশ শর্তে বলেছে কায়কোবাদের পদোন্নাতি ১০ কোটি টাকার বিনিময় দিয়েছে যা তদন্ত করার জন্য গোয়েন্দা সংস্থা ও দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছে তারা অনুরোধ জানান। উপদেষ্টারা আসলে জুলাইর ছাত্র-জনতার দাবী পুরন করতে নতুন সংস্কারের মাধ্যেমে নতুন দেশ গড়তে বসছে না ? না স্বৈরাচারি সরকারের দোসর ও সন্ত্রাসী খুনিদের পুর্নবাসন করতে বসেছে ? এ নিয়েও প্রশ্ন করেছে।
অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী কায়কোবাদ এর বংশীয় পরিচিতি ঃ
কায়কোবাদের বাবা- মোঃ ইউনুছ আলী সরকার ওরফে কালু প্রেসিডেন্ট,কামারের চর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সভাপতি ছিলেন। কায়কোবাদের চাচা নুরমোহাম্মদ এডভোকেট শেরপুর জেলার প্রতিষ্ঠাতা আওয়ামীলীগের সভাপতি ছিলেন । শ্বশুর আলহাজ জহুরুল হক মাষ্টার আওয়ামীলীগের শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য ছিলেন। কায়কোবাদের দাদার নাম হলো-হরিজ উদ্দিন সরকার আওয়ামীলীগ। গ্রাম হলো গোয়ালপাড়া, থানা – শেরপুর সদর ।কায়কোবাদের বাবার ৩ বিয়ে— কায়কোবাদরা ৩ মায়ের ঘরে মোট ৭ ভাই ও ৫ বোন।কায়কোবাদের বাবা ইউনুছ আলী সরকার ওরফে কালু প্রেসিডেন্ট ।
ইউনুছ আলী সরকার ওরফে কালু প্রেসিডেন্ট এর ১ম স্ত্রী” নাম হল মালেহুন ঘরের ২ ছেলে মোর্শেদ (মৃত) ও মোফাজ্জল ও ৩ মেয়ে – ১ম-রিজিয়া, রোকেয়া, খুকি।
দ্বিতীয় স্ত্রী” ঘরে ২ছেলে- নজরুল ইসলাম (খাকা )মৃত ও হাবিবুর সরকার, ১ মেয়ে- বুতিয়ারা।
তৃতীয় স্ত্রী” ঘরের –৩ ছেলে কায়কোবাদ, ভুট্টো ( মৃত ) ও কামাল ও ১ বোন কাজল । বোন হলো সবার ছোট কাজল বেগম, তার স্বামী এলাকার মেম্বার ছিল, নাম ফজলুল সরকার ( ফজু মেম্বার )। কায়কোবাদ হলো তৃতীয় ঘরের বড় ছেলে, মেঝ হলো ভুট্টো, সে মারা গেছে, ছোট ভাই কামাল সরকার, সে ঢাকায় চাকরি করেন। কায়কোবাদ বিবাহ করেছে কামারেরচর ইউনিয়নের লতারিয়া গ্রামে । কায়কোবাদের শ্বশুর হলো-আলহাজ জহুরুল হক মাষ্টার, কামারের চর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন।
উপদেষ্টাগন কি ঐ স্বৈরাচারি সরকারের দোসর আওয়ামী সরকারের ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক ওয়ার্কাস পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা সম্পদের পাহাড় গড়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) গোয়েন্দা অনুসন্ধানে অভিযোগের বেশ কিছু প্রমাণ পাওয়া গেছে।যাহা দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত ক রছে। অপরদিকে সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধেমে ৪ কোটি ৮৪ লাখ ২৫ হাজার ৫০৭ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভুত সম্পদের মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তার ৪ টি ব্যাংক হিসাবে ১১ কোটি ৮৮ লাখ ১৬ হাজার ১৯ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। অন্য আর একটি মামলায় তার স্ত্রী‘র নামে ১ কোটি ৪৯ লাখ ৮৫ হাজার ৭৪ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভুত অভিযোগ আনা হয়েছে। দুইটি উদাহরন সংযুক্ত করে দেওয়ার কারন হলো আপনারা কি ঐ স্বৈরাচারি সরকারের দোসরদের মত করবেন কি ? না বিশ্বাসের ঘর ঠিক রাখবেন, না ডাকাতি করবেন।
উপদেষ্টাগনের কাজ কর্ম নিয়ে জনসাধারনের মাঝে শত শত প্রশ্ন জেগে ওঠছে। তাদের কর্মপরিধিতে তেমন কোন দিকে সচ্ছতা দেখা যায় না। প্রত্যেকের নামেই সমালোচনার বাতি দাউ-দাউ করে জ্বলছে। তাদের কোন কোন উপদেষ্টার কাজ কর্মে বুঝা যাচ্ছে তারা ফ্যাসিস্ট সরকারের লোকদের পুর্নবাসনই করার জন্য আপ্রান চেষ্টা করছে।আইন-শৃঙ্খলার উন্নতি, ঘুষ, দুর্নীতি, প্রত্যারনা, খুন, ছিনতাই,নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রাব্যর মুল্য নিয়ন্ত্রনসহ কোনটাই বন্ধ করতে পারে নাই। তাদের ইচ্ছামত উপদেষ্টা পরিষদ সাজিয়েছে, যার ফলে যা-ইচ্ছা তা করে বেড়াচ্ছে বলে দেখা গেছে। নচেৎ কি করে একজন বংশীয়ভাবে আওয়ামীলীগের ঘরে জন্ম, আওয়ামীলগের মধ্যে বড় হয়ে ওঠা, আওয়ামীলীগ রাজনীতি করা, আওয়ামীলীগের দোসর ও সরকারী দপ্তরে নামকরা শীর্ষ দুর্নীতিবাজ হিসেবে পরিচিত,তাকে ফ্যাসিবাদ সরকারের পতনের পর তাকে চাকরিচুত্য না করে কিভাবে বহাল রাখেন ।২০২৪ এর জুলাইর গনহত্যার সহযোগি কায়কোবাদকে চাকরি থেকে বহিস্কার না করে বরং মনে হচ্ছে পুরুস্কার হিসেবে তাকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী পদ থেকে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী উচ্চ পদে পদোন্নতি দিয়ে আরও বেশি সুরক্ষা দিচ্ছে।এ প্রশ্ন এখন অধিদপ্তরের প্রায়ই প্রকৌশলীরমুখে।

স্বৈরাচারি সরকারের দোসর হওয়ার পরও কি করে চাকরিতে বহাল থাকে কায়কোবাদ !
কায়কোবাদ একজন খাটি গাওয়া ঘি”র মত আওয়ামীলীগ সরকারের শক্তিশালী নেতাও অর্থদাতা তার শরীরে মাংসে মিষে আছে আওয়ামীলীগের রক্ত। তারা বংশীয়ভাবে আওয়ামী-লীগ পরিবারের লোক।শেরপুর শহর থেকে প্রায় ৮ কিঃমিঃ দুরে তার গ্রামের বাড়ী ১ নং কামারেরচর ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া গ্রামে। তার চাচা হইলো শেরপুর সদরের আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম নূর মোহাম্মদ এডভোকেট। তার শ্বশুর জহুরুল হক মাষ্টার ছিলেন আইন-শৃঙ্খলা ( শান্তি ) কমিটির সদস্য । তার বাবা ইউনুছ আলী সরকার, ওরফে কালু প্রেসিডেন্ট কামারেরচর ইউনিয়নের ১৯৭৮ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সদস্য ছিলেন।তারা আওয়ামীলীগ বংশের হওয়ায় পরিবারের বলতে গেলে সবাই মুক্তিযোদ্ধা।এখন প্রশ্ন কায়কোবাদ কেন মুক্তিযোদ্ধা হতে পারলেন না ? হ্যাঁ কায়কোবাদও মুক্তিযোদ্ধা হতেন যদি আওয়ামীলীগ স্বৈরাচারি সরকার আর একটা বছর ক্ষমতায় থাকতেন। তবে এই মাফিয়া ডন আগামি ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ সালে অবসরে যাবেন।
কায়কোবাদ ঘুষ নেন, দুর্নীতি করেন বুক ফুলিয়ে বীরবেশে। কারন সে আওয়ামীলীগ বংশের জন্মগতভাবেই সাহসী ও সন্ত্রাসী। সে নির্বাহী থাকা কালিনই একবার প্রকল্পের কোটি টাকার ই/এম এর বৈদ্যুতিক তার বিক্রি করে ফেলছে। এ বিষয়ে সাংবাদিকগন তথ্য জানতে গেলে তাদের খামে ভরে টাকা দিতো । তখন সে অধিদপ্তরে পুর্ব পার্শের ছোট বিল্ডিংএ বসতো। ঐভাবে টাকা দিয়ে সাংবাদিকদের মুখ বন্ধ করে পার পেয়ে যায়। সেতো মস্তবড় সন্ত্রাসী ও দুর্নীতিবাজ।এভাবে ছোট বড় দুর্নীতিগুলি ধামাচাপা দিতে দিতে আজ সে শীর্ষ দুর্নীতিবাজে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আর তার সাথে অসাধু একদল সাংবাদিক যুক্ত হয়ে তার কাছ থেকে ঘুষ, উৎকোচ নিয়ে তাকে রক্ষা করেছে বলেই আজ শীর্ষ দুর্নীতিবাজ, শীর্ষ মাফিয়া নামে গণপুর্তে পরিচিতি লাভ করেছে। তবে এর জন্য বেশিরভাগ দোষি তার সহচর বেশ কিছু অসাধু সাংবাদিক। তারা কায়কোবাদের কাছ থেকে সাপ্তাহিক ও মাসিক উৎকোচ নিতে নিতে এখন তারা কায়কোবাদের ঘনিষ্টজন হয়ে ওঠেছে।তারা কায়কোবাদের অন্যায়, ঘুষ, দুর্নীতি কিছুই দেখে না।সাংবাদিকগন অন্ধ হয়ে গেছে। এদের সহযোগিতায় কায়কোবাদ বিন্দু থেকে সিন্দুক পর্যন্ত হজম করতে সক্ষম হয়েছে। এখন কায়কোবাদ স্বৈরাচারি সরকারের মত বলেন আমার কাছে বড় বড় সাংবাদিকরা এসে বসে থাকেন। আমার কেহ কিছু করতে পারবে না। ঐসব সাংবাদিকদের তেলমালিশে আর সত্য দিন দিন গোপন করায় কায়কোবাদ যে বেপরোয়া হয়ে ওঠছে সেদিকে তাদের নজর নাই। কারন নজর দিলেই তাদের উৎকোচ, মাসওয়ারা, বসার সিট হারাতে হবে বলেই লেখা বন্ধ রেখেছে লোভী সাংবাদিকরা। কিন্তু যে কোন সময়ই ঐ ফ্যাসিবাদ সরকারের মত যে কায়কোবাদের পতন ঘটতে পারে, সে দিকে কি ঐসব অসাধু সাংবাদিকদের খেয়াল আছে ?কায়কোবাদ যে চুয়েটের ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন , তা কি ঐ সব সাংবাদিকরা জানেন। তার বাবার –চাচার ও ভাইদের পরিচয় কি জানেন? তার গ্রামের বাড়ী কত সম্পত্তি করেছে তা-কি জানেন,রাজধানীতে তার কত সম্পত্তি , ব্যাংক ব্যালেন্স আছে কত তা-কি জানেন? তার নামে যে গোয়েন্দাদের কাছে ও দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ আছে তাও কি ভুলে গেছেন।
যে সব সাংবাদিকরা কায়কোবাদকে ঢাকায় ও তার শেরপুরে রক্ষিত বা পোষা কুকুরের মত চব্বিশ ঘন্টা পাহারা দেন ও তার গুনগান বলেন, তারা আসলে সাংবাদিক পেশায় কি আছেন। কারন কোন সরকারি চাকরিজীবী কোন দিন কোন সাংবাদিকের বন্ধু বা ভাই হতে পারের না।কারন ওরা “আমলা আর কামলা” ওরা বিপদে পরলে পা ধরে,বিপদ উৎরিয়ে গেলে কোন কিছু বললেই জাতি সাপেরমত ফোঁস করে ওঠে। এরপরও যদি সাংবাদিকতা করতে এসে দালালি করেন, বেশ ভালো।কিন্তু আপনি চেপে থাকেন। কিন্তু অন্য সাংবাদিকদের নামে দোষ দিবেন, অন্যকে হ্যায়প্রতিপন্ন করবেন না, এটা সাংবাদিক পেশায় পরে না। এতে সাংবাদিক পেশার মান ক্ষুন্ন হয়।
সূত্র জানায়, কায়কোবাদের নেতৃত্বে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট টেন্ডার বণ্টন, প্রকল্প অনুমোদন ও অর্থ প্রবাহ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করে। এটাতো স্বাভাবিক ব্যাপার। একজন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ও আওয়ামীলীগের দোসর এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও অধিদপ্তরের শীর্ষ দুর্নীতিবাজ, মাফিয়া ডন তারতো একটা শক্তিশালী সন্ত্রাসী সিন্ডেকেট থাকবেই। আর এদের পালতে পোষতে ঠিকাদারদের কাছ থেকে ২৫% থেকে ২৮% শতাংশ পর্যন্ত কমিশন নেওয়া এটা বেশি না । কারন আমরাতো কেহ-ই ইষ্টেমেটরে কোন বৈদ্যুতিক তার ,কোন কোম্পানির লেখা আছে তা জানি না।যার ফলে প্রকৌশলীগন আর ঠিকাদার যুক্তি করে একটা সংযোজন দিয়ে দেয়। আর যে টাকা বাচে তা দুজনেই সমান-সমান ভাগ করে নেয়। হ্যাঁ ধরা পরে তখন , যদি কখনও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আগুন লেগে যায় তখন হয়তো !
কায়কোবাদের দুর্নীতির খবর প্রকাশ করা সাংবাদিকদের হুমকি ও চাপের মুখে ফেলার চেষ্টাও চলছে, যা গণমাধ্যম স্বাধীনতার জন্য উদ্বেগজনক।দুদক, মন্ত্রণালয় ও গোয়েন্দা সংস্থার নজর থাকা সত্ত্বেও কোটি কোটি টাকার বিনিয়োগে পদোন্নতি নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, কায়কোবাদের নেতৃত্বে প্রকল্প তদারকিতে অনিয়ম চলছে।ই/এম বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীরা অনেক কাজ না করেই বিল তুলে ফেলেন।ফলে পুরো গণপূর্ত অধিদপ্তরের স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা এখন প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে।
এই বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ই/এ, কায়কোবাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। “পরবর্তী পর্বে থাকবে আকর্ষনীয় ঘটনা”