১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার,সকাল ১০:০৮

শিরোনাম
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অনন্য ব্যক্তিত্ব ও অবিস্মরণীয় নাম সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ভর্তি পরীক্ষার ফলে ত্রুটি, পাস করলেও শত শত পরীক্ষার্থীকে দেখানো হলো ফেল সংরক্ষিত নারী আসনে ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করেছে জামায়াত সব স্তরে শিক্ষাবৃত্তির হার বাড়াচ্ছে সরকার, ব্যয় হবে ৩৬৮ কোটি টাকা হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধানের পিএসকে নিয়ে গেছে পুলিশ জ্বালানি তেল সংকটে বিআরটিসি বাসগুলো পড়েছে মহা বিপদে ভূমি সেবা সহজ ও সচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সিস্টেম চালু করা হয়েছে, বিভাগীয় কমিশনার বন বিভাগের লেডি কিলার খ্যাত ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইলের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

সুলতানুল আলম চৌধুরীকে জেল হাজতে পাঠানোর পর বন অধিদপ্তর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে

প্রকাশিত: নভেম্বর ১৮, ২০২৫

  • শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সুলতানুল আলম চৌধুরী

অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় সুলতানুল আলম চৌধুরী (৫৭) নামে বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সুলতানুল আলম চৌধুরীকে জেল হাজতে পাঠানোর পর বন অধিদপ্তর তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সুত্র থেকে জানা যায়।

বুধবার (১২ নভেম্বর) চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ মিজানুর রহমানের আদালত এ আদেশ দেন। এর আগে তিনি আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন।

সুলতানুল আলম বোয়ালখালী উপজেলার পূর্ব গোমদণ্ডীর মধ্যম কড়লডেঙ্গা এলাকার মৃত আজহারুল হক চৌধুরীর ছেলে। তিনি বর্তমানে ফেনী জেলার দাগনভূঞায় রেঞ্জ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন। এর আগে তিনি চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের পটিয়া রেঞ্জে দায়িত্ব পালন করেছেন।

দুদকের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রেজাউল করিম রনি হিডেন নিউজকে বলেন, ‘জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অবৈধভাবে অর্জন করে ভোগদখলের অভিযোগে দুদকের মামলায় বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা সুলতানুল আলম চৌধুরী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। আদালত উভয়পক্ষের শুনানি শেষে জামিন মঞ্জুর না করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।’

এর আগে আসামি চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালত থেকে জামিন নিয়েছিলেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে পুনরায় জামিনের আবেদন করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, দুর্নীতি দমন কমিশনে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে সুলতানুল আলম চৌধুরী ১ লাখ ৬১ হাজার ৬৪৮ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করেন। এ ছাড়া তিনি ৫১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৩৪ টাকার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অবৈধভাবে অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছেন।

২০২৩ সালের ১৬ এপ্রিল দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-২-এর সহকারী পরিচালক আব্দুল মালেক বাদী হয়ে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১২ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

 

  • শেয়ার করুন