প্রকাশিত: নভেম্বর ৭, ২০২৫

বন্দর ( নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি ঃ
নারায়ণগঞ্জ বন্দরে রাতের আধারে কোটি টাকার ড্রেজার চুরি করে নিয়ে ডগইয়ার্ডে কাটিং করে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। ডকইয়ার্ড মালিক ও স্থানীয় নামধারী বিএনপি নেতাদের সহযোগিতা আছে বলে সমালোচনা চাউর হয়েছে। পুলিশ খবর পেয়ে ড্রেজারটি জব্দ করলেও কোন ব্যক্তিকে গ্রেফতার না করায় পুলিশের বিরুদ্ধে নানান প্রশ্নের জন্ম হয়েছে।
উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের মোহনপুর নদীর পাড়ে অবৈধ ভাবে গড়ে ওঠা মাজহারুলের ডকইয়ার্ড থেকে কোটি টাকা মূল্যের একটি চোরাই কাটিং ড্রেজার সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ জব্দ করেছে।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) রাতে পুলিশ ডকইয়ার্ডে গিয়ে ড্রেজারটি জব্ধ করার সময়। ২ জনকে গ্রেফতার করে। বিষয়টি প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। কিন্তু তাদের ছেড়ে দেয়া ও অস্বীকার করায় পুলিশের বিরুদ্ধে এলাকাবাসির মনে নানান প্রশ্ন দেখা দিয়েছে । অপর দিকে ড্রেজারের কোনো মালিক পাওয়া যায়নি দাবি করা হয়েছে।
তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, সংঘবদ্ধ একটি চক্র কোটি টাকা মূল্যের ওই ড্রেজারটি চুরি করে। গভীর রাতে মাজহারুলের ডকইয়ার্ডে এনে কাটিং করে বিক্রির প্রস্তুতি নেয়।বিষয়টি জানাজানি হলে থানা পুলিশকে এলাকাবাসি খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে ড্রেজারটি জব্দ করে।
জব্দকারী অফিসার এসআই জাকির হোসেন বলেন,খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে ড্রেজারটি জব্দ করি।তাতক্ষনিক মালিক না পাওয়ায় ডকইয়ার্ড মালিক মাজহারুলের জিম্মায় রেখে আসি।
এ ব্যপারে ডকইয়ার্ড মালিক মাজহারুল জানান, গত বুধবার রাতে ৫/৬ জন লোক বিএনপির নেতা পরিচয়ে ২৪ ইঞ্চি ডায়ার একটি কাটিং ড্রেজার তার ডকইয়ার্ডে নিয়ে আসে।তাদেরকে সে চিনে না।পরদিন বৃহস্পতিবার তারা ড্রেজারের বিভিন্ন অংশ কাটিং করার সময় পুলিশ আসলে তারা পালিয়ে যায়।পুলিশ ধাওয়া করেও তাদের ধরতে পারেনি। ড্রেজারটি জব্দ তালিকা করে যায়।ডকইয়ার্ডের বৈধতার বিষয়ে জানতে চাইলে মাজহারুল কোন কাগজপত্র দেখাতে বা সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি।কারন মাজহারুলের ব্যাবসায়ী হলো চোরাই করা মালামাল ক্রয়করা ও বিক্রয় করা।চোরও তার পরিচিত যার ফলে সে অহেতুকভাবে বিএনপির কর্মীদের উপর চাঁপিয়ে দিয়ে নিজে বাঁচার চেষ্টা করছে।
এ ব্যপারে জানতে চাইলে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.লিয়াকত আলীর মুঠো ফোনে 01320090455 তে একাধীকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নী।