১৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার,সকাল ৬:৩৯

শিরোনাম
জুয়ার আসর থেকে দুই ইউপি সদস্যসহ ৫ জন গ্রেফতার সাবেক সহকারী পরিচালকের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় মামলা রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে শুনানি রোববার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ, অঙ্গসংগঠনের ৫৩ নেতাকর্মী ঢাকায় গ্রেফতার: ডিএমপি মাদ্রাসার শৌচাগারে শিক্ষার্থীর লাশ, শিক্ষক জাকারিয়া তিন দিনের রিমান্ডে, শুনানিতে উঠে এল নানা তথ্য নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮: ৪২ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতফাইল ছবি রাজধানীর রায়েরবাগের জোড়াখাম্বা এলাকার একটি মাদ্রাসার শৌচাগার থেকে ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হাফেজ মো. জাকারিয়াকে (৩৫) তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। গ্রেপ্তার অপর এক শিক্ষকের বয়স মামলার এজাহারে ২০ বছর উল্লেখ করা হলেও শুনানিতে তাঁর আইনজীবী অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার প্রমাণ উপস্থাপন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাঁকে শিশু বিবেচনায় রিমান্ড শুনানির জন্য শিশু আদালতে পাঠানোর আদেশ দেন। আজ বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালত এ আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী হারুনর রশীদ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ৩ আগস্ট বেলা দেড়টার দিকে মাদ্রাসার তৃতীয় তলার একটি শৌচাগার থেকে ১৩ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর মা বাদী হয়ে ওই রাতেই কদমতলী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ৩ আগস্ট ওই মাদ্রাসা থেকে দুই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ৪ আগস্ট তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। ৫ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আমজাদ হোসেন আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আজ আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হলে রিমান্ড শুনানি হয়। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, নিহত শিশু ও তার ছোট ভাই ওই মাদ্রাসায় পড়ত। বিভিন্ন অজুহাতে শিক্ষকেরা ওই শিশুর ওপর নির্যাতন চালাতেন। বিষয়টি সে তার মাকে জানালে মা তাকে মাদ্রাসা থেকে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন, কিন্তু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ছাড়পত্র দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তী সময়ে সে আর মাদ্রাসায় পড়বে না বলে শিক্ষকদের জানালে তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে মারধর করেন এবং বেলা একটা থেকে আড়াইটার মধ্যে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। আদালতে বাদী ও আসামিপক্ষের যুক্তি শুনানিতে বাদীপক্ষের আইনজীবী হারুনর রশীদ খান রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতকে বলেন, ১৩ বছরের একটি শিশুকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে বাথরুমে হত্যা করা হয়েছে। অথচ আসামিপক্ষ এটিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করছে, যা একটি অগ্রহণযোগ্য যুক্তি। ওই শিশুটি আগেই তার মাকে জানিয়েছিল, সে এই মাদ্রাসায় পড়তে চায় না। আইনজীবী আরও বলেন, নিহত ছাত্রটি পড়াশোনায় ভালো ও শান্ত স্বভাবের ছিল। শিক্ষক তাকে নিজের কাছে ঘুমানোর জন্য বলতেন। মূলত গোপন রহস্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়েই তাকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আসামিদের রিমান্ড প্রয়োজন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। তিনি বলেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। মাদ্রাসার অন্য ছাত্রদেরও কোনো অভিযোগ নেই। সেখানে ধর্ষণ বা হত্যার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। আদালতে শিক্ষক ও নিহতের ভাইয়ের বক্তব্য শুনানিকালে বিচারক কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা আসামি জাকারিয়াকে কোনো বক্তব্য আছে কি না জানতে চান। এ সময় জাকারিয়া বলেন, ‘আমরা হাফেজ মানুষ, আমরা মারিনি। ঘটনার দিন ওই ছেলে পড়া না পারায় তাকে কিছুক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। জোহরের নামাজের আগে সে বাথরুমে যায়। নামাজ শেষে খোঁজ নিয়ে জানা যায় সে ফেরেনি। পরে বাথরুমের দরজা ভেঙে তাকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। আমাদের ছাত্ররা এর সাক্ষী।’ আদালত জাকারিয়াকে মাদ্রাসায় সিসিটিভি ফুটেজ আছে কি না, জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজ নেই, অনেক আগেই হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে গেছে। এ ছাড়া ওই ছাত্র এর আগেও কয়েকটি মাদ্রাসা থেকে পালিয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। তখন আদালত প্রশ্ন করেন, ‘এই ডিজিটাল যুগে আপনাদের সিসিটিভি ফুটেজ নেই কেন?’ শুনানির একপর্যায়ে আদালত নিহত শিক্ষার্থীর ছোট ভাইকে ডেকে কথা বলেন। মাদ্রাসায় তাদের মারধর করা হতো কি না, জানতে চাইলে শিশুটি বলে, ‘আমাদের অনেক মারধর করা হতো। ভাইয়ের সাথে বেশি খারাপ ব্যবহার করা হতো।’ কেমন খারাপ ব্যবহার করা হতো, তা জানতে চাইলে শিশুটি আর কোনো উত্তর দেয়নি। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত শিক্ষক জাকারিয়ার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং অপর শিক্ষককে শিশু আদালতে রিমান্ড শুনানির জন্য পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালত প্রাঙ্গণে স্বজনদের বিক্ষোভ আজ আদালতে নিহত শিক্ষার্থীর মা ও পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আসামিদের আদালত থেকে নামানোর সময় উত্তেজিত স্বজনেরা তাঁদের মারধর করতে উদ্যত হন। পুলিশ দ্রুত আসামিদের হাজতখানায় নিয়ে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় নিহত শিশুর ক্ষুব্ধ স্বজনেরা আসামিদের ফাঁসির দাবিতে স্লোগান দেন ও আদালত প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেন। পৌর মেয়র থেকে রাষ্ট্রপতি, কখন কী ছিলেন মির্জা ফখরুল মেয়াদ শেষের ১১ মাস আগেই বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদের নিয়োগ বাতিল রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছেন তারেক রহমান আমানতের উৎসে কর সরকারি কোষাগারে জমার সময় বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

নির্বাহী প্রকৌশলী মুসা সার্ভে রিপোর্ট তৈরী ভ্যালুয়েশনে জালিয়াতি করে ২ শতকোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্যে

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৮, ২০২৫

  • শেয়ার করুন

আলোচিত ও সমালোচিত গণপূর্ত অধিদপ্তরের নরসিংদী ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী এএসএম মুসা ও তার সহযোগিরা।

নিজস্ব প্রতিনিধি    নির্বাহী প্রকৌশলী এএসএম মুসা। বর্তমানে আছেন নরসিংদী গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে। নামটি সহজ সরল সুন্দর হলেও তার কাজ কিন্তু সহজ সরল সুন্দর নয়। বরং কিছু ক্ষেত্রে ভয়ংকর কুৎসিত কদাকার।

গত ০২ জুন নরসিংদীতে কাটিয়ে এই প্রকৌশলী ঢাকা-সিলেট ৬ লেন প্রকল্পের সার্ভে রিপোর্ট তৈরী ভ্যালুয়েশনে জাল-জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান দোকান জায়গার মালিকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিয়েছেন প্রায় অর্ধশত কোটি টাকা।

পাশাপাশি নরসিংদী গণপূর্ত বিভাগের বিভিন্ন ধরণের উন্নয়ন মেরামত রক্ষণাবেক্ষণ কাজে পাতানো এলটিএমসহ বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় বেনামী ঠিকাদারী ব্যবসা সহকারে বিভিন্ন প্রকৌশলীগত জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে বরাদ্দের বড় অংশ লোপাট করেছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়।

ব্যাপক তথ্যানুসন্ধানে আরো জানা যায়, নির্বাহী প্রকৌশলী মুসা গত বছরের  এপ্রিল থেকে  ডিভিশনটির দায়িত্বে আছেন। এ সময়ে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পে লে-আউট তৈরীসহ মহাসড়কের পাশে অবস্থিত বিভিন্ন শিল্প কল-কারখানা দোকান মার্কেট বাড়িসহ বিভিন্ন স্থাপনারর ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনে সার্ভে বা ভ্যালুয়েশন রিপোর্ট তৈরীর নামে অধীনস্থ উপসহকারী প্রকৌশলী ইকরামুল হাসান ও আনোয়ারুল হকের মাধ্যমে প্রায় ২ শত কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্য করেছেন।

এ নিয়ে ইকরামুল হাসানের বিষয়ে ইতোমধ্যে পত্র-পত্রিকায় তথ্যবহুল সংবাদ প্রকাশিত হলে তাকে প্রথমে ভোলা পরে পিরোজপুরে বদলী করা হয়।কিন্তু ভ্যালুয়েশন বাণিজ্যের নাটের গুরু নির্বাহী প্রকৌশলী মুসা রয়ে গেছেন ধরাছোয়ার বাইরে। বরং তিনি অবৈধ পথে উপার্জিত অর্থ বিনিয়োগ করে ঢাকা মহানগরীর কোন গুরুত্বপূর্ণ ডিভিশনে পোষ্টিং বাগিয়ে নেয়ার জন্য মোটা অংকের অর্থ নিয়ে মাঠে নেমেছেন, পাশাপাশি সাবেক আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মা চিহ্নিত গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রভাবশালী মহলসহ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে পদায়ন কৃত আমলাদের কাছে  জোর তদবীর চালিয়ে যাচ্ছেন। এজন্য একজন ছাত্র উপদেষ্টার পেছনেও ইতোমধ্যে ৩০ লক্ষ টাকা খরচ করেছেন বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা ও সমালোচনা চলছে।

আরো জানা গেছে , প্রকৌশলী মুসা ডিভিশনটিতে পাতানো বা সাজানো এলটিএমের মাধ্যমে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দিয়েছেন মোটা অংকের পার্সেন্টেজের বিনিময়ে। এজন্য অসংখ্য এলটিএম টেন্ডার আইডিতে মাত্র ৩টি করে সিডিউল বিক্রয় রেসপন্স ও মূল্যায়ন দেখিয়েছেন।

উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে যে,  ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১১২৫৬০৬, ১১২২৫৩৮, ১১২৫২১১, ১১২২৩০০, ১০৫০৪১৪, ১১১৭৯২৩ ও ১১২২৩১৭ নং এলটিএম আইডিগুলোতে মাত্র ৩টি করে সিডিউল বিক্রয় রেসপন্স ও মূল্যায়ন দেখানো হয়েছে। অথচ সুষ্ঠুভাবে টেন্ডার লাইভে থাকলে একেকটি আইডিতে কমপক্ষে ৩০/৩৫টি সিডিউল বিক্রি হয় ডিভিশনটিতে।

একইভাবে একইঅর্থবছরের ১০৭০০৬৫. ১০৬২৩৩৯, ১১২৫৫৯৩, ১১২৫৬০৭, ১১২৬০১৬ ও ১০৮১৩৬৮ নং এলটিএম টেন্ডার আইডিগুলোতে মাত্র ২টি করে  সিডিউল বিক্রয় রেসপন্স ও মূল্যায়ন দেখানো হয়েছে।

আবার একই অর্থবছরে ১০৬২৩৫৯, ১০৬৮১২৮, ১০৯৩৮৬৬, ১১১৭৯২৩, ১০৭৪৮৭৭, ১০৮১০৫২ ও ১১২১৪১৪ নং এলটিএম টেন্ডার আইডিগুলোতে মাত্র ১টি করে সিডিউল বিক্রয় রেসপন্স ও মূল্যায়ন দেখিয়ে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ পাইয়ে দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে প্রকৌশলী মুসা জুলাই আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্থ নরসিংদী জেলা কারাগার জজ কোর্ট ও আন্যান্য স্থাপনার জরুরী মেরামত ও পূণঃনির্মাণের নামে পছন্দের ঠিকাদারদের দিয়ে আগে কাজ করিয়ে পরে ওটিএমের মাধ্যমে কাজ পাইয়ে দিয়ে মোটা অংকের ঘুষ বাণিজ্য করে হাতিয়ে নিয়েছেন বরাদ্দের একটি বড় অংশ।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের ছয়লেন প্রকল্পের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের প্রধান গেট বাউন্ডারীওয়াল ও অভ্যন্তরীণ আরসিসি রাস্তা নির্মাণের নামে নির্বাহী প্রকৌশলী অধীনস্থ প্রকৌশলীদের মাধ্যমে নিজেই ঠিকাদারী করে কয়েক লক্ষ টাকা লোপাট করেছেন বলে অভিযোগ রযেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নরসিংদীর কতিপয় স্থানীয় ঠিকাদার জানান, প্রকৌশলী মুসা একজন চরম ঘুষখোড় পল্টিবাজ কর্মকর্তা। তার চাহিদা মতো পিসি না দিলে ডিভিশনটিতে কেউ কাজ পায় না। তার মতো দুর্নীতিবাজ লুটেরা প্রকৌশলী এই ডিভিশনে অতীতে কখনো আসেনি।

সাবেক আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের শেষ সময়ে এই প্রকৌশলী ভোলা ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলীর দায়িত্ব পালনকালে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি আর লুটপাটের দায়ে অভিযুক্ত হন। ঢাকা থেকে ঠিকাদার ডেকে নিয়ে সেখানে নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে এলটিএম ওটিএম উভয় পদ্ধতিতেই কাজ পাইয়ে দিয়েছিলেন। ইনভেন্ট পয়েন্ট কম্পিউটার ও মেসার্স রাতুল এন্টপারপ্রাইজ নামক ঢাকার দুটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নামে নিজেই বেনামে ঠিকাদারী ব্যবসা করার কারণে সে সময়ে স্থানীয় ঠিকাদারদের হাতে তাকে লাঞ্ছিত হতে হয়েছিলো।

সে সময়ে ইনভেন্ট পয়েন্ট কম্পিউটার ভোলা ডিভিশনে লিষ্টেড না হলেও প্রকৌশলী মুসা নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে এই প্রতিষ্ঠানটিকে এলটিএম পদ্ধতিতে বেশ কয়েকটি কাজ পাইয়ে দেন টেন্ডার প্রক্রিয়ায় জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে। ডিভিশনটির এই লাগাতার অনিয়ম দুর্নীতির সাথে আরো জড়িত আছেন উপসহকারী প্রকৌশলী আনোয়ারুল হক ও মোঃ রফিকুল ইসলাম।

উপসহকারী প্রকৌশলী আনোয়ারুল হক প্রায় অর্ধযুগ যাবৎ নিজ জেলার প্রভাব খাটিয়ে বেনামে ঠিকাদারী ব্যবসাসহ বিবিধ অনিয়ম জাল-জালিয়াতিতে জড়িয়ে স্থানীয় ঠিকাদার মহলে ইতোমধ্যে বিতর্কিত হয়েছেন। এই দুই প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে পার্সেন্টেজ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কর্মকান্ডের অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়াও লেন প্রকল্পের ভ্যালুয়েশন রিপোর্ট তৈরীর নামে ৩ শাতাধিক কোটি টাকার ঘুষ বাণিজ্য করেছেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের নরসিংদীর নির্বাহী প্রকৌশলী মুসা।

এ বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলার জন্য নির্বাহী প্রকৌশলী মুসার সাথে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি মোবাইল রিসিভ না করায় তার কোন প্রকার বক্তব্য প্রকাশিত হলো না।

 

 

 

 

  • শেয়ার করুন