২রা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার,রাত ৪:১৪

শিরোনাম
বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী খাদিজার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, অস্বীকার কর্মকর্তার ধর্মকে ব্যবসা করে রাষ্ট্র চালানো যায় না: গয়েশ্বর আঞ্জুমান মফিদুল পাঁচ বছরে আড়াই হাজার বেওয়ারিশ মরদেহ দাফন করেছে জিয়াউলের বিরুদ্ধে বিচার শেষের পথে ৪৩ লাখ কৃষক এ বছর কৃষক কার্ড পাবেন : কৃষিমন্ত্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে দুই জেলায় অনশন মধ্যরাতে ছাপাখানায় শিক্ষামন্ত্রী, যাচাই করলেন বইয়ের মান রাজনৈতিক খোলস বদলে বহাল তবিয়তে দুর্নীতির অনুঘটক মাফিয়া মাহফুজ: দুদকে মামলা সত্ত্বেও মিলছে পদোন্নতিজনিত পদায়ন! রাজনীতিকে রাজনীতিবিদ ও মেধাবীদের হাতে ফিরিয়ে আনতে সাংবাদিকদের ভূমিকা রাখার আহ্বান ডিএসসিসি প্রশাসকের

সেপ্টেম্বরের বেতন নতুন পে স্কেলে ? বকেয়া পাবেন কবে

প্রকাশিত: অক্টোবর ১, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ নতুন পে স্কেল অনুযায়ী সেপ্টেম্বরের বেতন পাচ্ছেন না সরকারি চাকরিজীবীরা। অক্টোবরের বেতন নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী নির্ধারিত হবে, যা নভেম্বরের শুরুতে পাওয়ার কথা রয়েছে। তবে নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার পরের প্রায় তিন মাসের বকেয়া বা এরিয়ার একসঙ্গে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে নবম পে স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে বলা হয়, ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন বেতন কাঠামোয় বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ হারে পাবেন।

অর্থাৎ প্রজ্ঞাপন সেপ্টেম্বরে জারি হলেও নতুন বেতন কাঠামোর কার্যকারিতা ধরা হয়েছে ১ জুলাই থেকে। এ কারণে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন ও জুলাই-সেপ্টেম্বরের বকেয়া কবে পাওয়া যাবে, তা নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরের বেতনের সঙ্গে নতুন পে স্কেলের বর্ধিত অংশ যুক্ত হচ্ছে না। অক্টোবরের বেতন নতুন কাঠামো অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে এবং সেটি নভেম্বরের শুরুতে পাওয়ার কথা রয়েছে।

অর্থ বিভাগ সূত্র জানায়, বর্ধিত বেতন পাওয়ার আগে পে-ফিক্সেশন সম্পন্ন করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। চাকরিজীবীদের তথ্য ভুল, অসম্পূর্ণ কিংবা পুরোনো রেকর্ডের সঙ্গে অসংগত হলে পে-ফিক্সেশনের প্রক্রিয়া আটকে যেতে পারে।

এ কারণে হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের অনলাইন প্রশিক্ষণ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। বিভাগভিত্তিকভাবে ৫ থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে পে-ফিক্সেশন সম্পন্ন করার প্রস্তুতি চলছে।

তিন মাসের বকেয়া একসঙ্গে নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার পর সরকারি চাকরিজীবীদের আগ্রহের বড় বিষয় বর্ধিত বেতন ও বকেয়া অর্থ। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, পে-ফিক্সেশন শেষ হওয়ার পর হিসাব অনুযায়ী প্রায় তিন মাসের বকেয়া একসঙ্গে পরিশোধের প্রস্তুতি রয়েছে। তবে সবার বকেয়ার পরিমাণ সমান হবে না। সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর গ্রেড, বর্তমান মূল বেতন, নতুন স্কেলে নির্ধারিত বেতন এবং কার্যকর তারিখের ভিত্তিতে বকেয়া হিসাব করা হবে। কোনো চাকরিজীবীর তথ্য অনলাইনে দিতে সমস্যা হলে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার সহায়তা নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে যা বলা হয়েছে নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী, ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ হারে পাবেন। এই অর্থ গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে।

এরপর ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বাড়তি মূল বেতনের ৭০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ৭৫ শতাংশ হারে পাবেন। ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামোর শতভাগ কার্যকর হবে।

নতুন পে স্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়ায় এর আগের সময়ের বকেয়া অর্থও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পাবেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন বেতন কাঠামোর অন্যান্য সব ভাতা কার্যকর হবে। একইভাবে পেনশনভোগীরাও নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা পাবেন।

নতুন কাঠামোয় প্রথম থেকে দশম গ্রেড পর্যন্ত কর্মকর্তাদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। আর ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বাড়বে। আনুপাতিক হারে বিভিন্ন ধরনের ভাতাও বাড়বে।

  • শেয়ার করুন