১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার,ভোর ৫:৫৩

শিরোনাম
বাংকারযুক্ত প্রাসাদে অবস্থান বদল সৌদি যুবরাজের! সাবেক ২ সেনা কর্মকর্তা ৪ দিনের রিমান্ডে সিরাজগঞ্জে চিকিৎসাধীন নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওয়ার্ড বয়ের বিরুদ্ধে একাধিক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা ঘেরাও করে শিক্ষককে পিটুনি, আহত ৩ পুলিশ সদস্য মাল্টা ৫০০ টাকায় বিক্রি হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন আবরার ফাহাদের পরিবারের সদস্যরা সেরিব্রাল পালসি আক্রান্ত শিশুদের সুরক্ষায় ২২ জেলায় হচ্ছে ‘শিশু স্বর্গ’: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সরকার আলিয়া ধারার শিক্ষা ব্যবস্থাকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে: ইআবি ভিসি দুর্নীতির সিন্ডিকেট ভেঙে দিতে সাব- রেজিস্ট্রারদের লটারিতে বদলি

নেপালে ভয়াবহ বন্যার আগেই মিলেছিল সতর্কবার্তা

প্রকাশিত: আগস্ট ২৯, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক ঃ     কয়েক দিন আগেই নেপালে এক ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২৭২ জন। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, ৪,০০০ মিটারের চেয়েও বেশি উঁচুতে এখন আর তুষারপাত না হয়ে সরাসরি বৃষ্টি হচ্ছে, যা নদীগুলোতে হঠাৎ পানির জোয়ার এনে বিপর্যয় ডেকে এনেছে।

তবে এই ধ্বংসলীলার কথা আগে থেকেই অনুমান করা গিয়েছিল। প্রায় পাঁচ মাস আগেই ‘আইসিআইএমওডি’ নামে একটি আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা সতর্ক করে দিয়েছিল যে, হিমালয়ের বরফ আগের চেয়ে দ্বিগুণ গতিতে গলছে।

১৯৯০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে এখানকার হিমবাহগুলো তাদের প্রায় ১২ শতাংশ এলাকা এবং ৯ শতাংশ বরফ হারিয়ে ফেলেছে। ১৯৭৫ সাল থেকে হিসাব করলে এখানকার প্রায় ২৭ মিটার পুরু বরফের স্তর পুরোপুরি গলে গেছে।

উচ্চ হিমালয়ের এই বরফই পুরো এশিয়া মহাদেশের পানির প্রধান উৎস। ভারত, নেপাল, চীন ও ভুটানসহ একাধিক দেশের প্রায় ২০০ কোটি মানুষ পানীয় জল, কৃষিকাজ ও বিজলীর জন্য এই নদীগুলোর ওপর নির্ভর করে। তাপমাত্রা বাড়ায় সেখানকার বরফ গলে খালি পাথর বের হয়ে আসছে, যা সূর্যের তাপ বেশি টেনে নিয়ে অঞ্চলটিকে আরও উত্তপ্ত ও বিপজ্জনক করে তুলছে।

বিজ্ঞানীদের ধারণা, উচ্চ পাহাড় থেকে বরফ ও পাথরের বিশাল ধস নদীতে গিয়ে পড়ার কারণেই হয়তো নেপালে এমন প্রলয়ঙ্করী ঢল নেমেছিল। হিমালয়ের বরফ দ্রুত গলে যাওয়ার এই চিত্রটি আসলে পুরো বিশ্বের জন্যই এক চরম সতর্কবার্তা।

 

  • শেয়ার করুন