প্রকাশিত: আগস্ট ১৮, ২০২৬
প্রকাশিত:
নিজস্ব প্রতিবেদক : বর্তমানে সময়ে সাতক্ষীরার বহুল আলোচিত শীর্ষ দুর্নীতিবাজ ভূমি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা সরকারের অনিয়ম ঢাকতে মরিয়া হয়ে উঠেছে সাংবাদিক হাবিব। মোটা অংঙ্কের টাকার বিনিময়ে হাবিব দুর্নীতিবাজ শর্মিষ্ঠাকে বাচাতে বিভিন্ন নাটকীয়তার গল্প তৈরি করছে। নায়েব শর্মিষ্ঠার বিরুদ্ধে জাতীয় গণমাধ্যম থেকে শুরু করে আঞ্জলিক বিভিন্ন পত্রিকায় দুর্নীতির চিত্র ফুটে উঠেছে। তার দুর্নীতি ঢাকতে ঘুষের অঢেল টাকা বিভিন্ন মহলকে দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করছে শর্মিষ্ঠা। সম্প্রতি তার কর্মস্থল গুলোতে ঘুষ বাণিজ্য একাধিক প্রমাণ ও বহু পুরুষের সাথে পরোকীয়া প্রেমের সত্যতা মিলেছে।
অনুসন্ধানে জাানা যায়, সাতক্ষীরার সমালোচিত সাংবাদিক হাবিবুর রহমান মোটা অংঙ্কের টাকা নিয়েছে শর্মিষ্ঠা থেকে। শর্মিষ্ঠাকে হাবিব আস্থত্ব করেছে আমি সাতক্ষীরা সাংবাদিক দের সবকিছু কে নিউজ করে আমি দেখব। সব আমি ঠিক করে দিব। শর্মিষ্ঠা হাবিবের প্রভোলনে পড়ে ঘুষের নিউজ বন্ধ করতে মোটা অংঙ্কের টাকা দিয়েছে।
হাবিব ছিলেন সাবেক আওয়ামী লীগের এমপি মোস্তাক আহমেদ রবি ও রুহুক হকের পেতাত্বা। আওয়ামী লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে দুই এমপি দাপোট দেখিয়ে জেলা জুড়ে চাঁদাবাজিতে লিপ্ত ছিল। যার কারণে সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ অতিষ্ঠ ছিল। তৎকালীন আওয়ামী লীগের সময়ে দুই এমপির শেল্টারে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব দখল করে নেয়। সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব ফান্ডের মোটা অংঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করেছে। সাতক্ষীরার বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি দপ্তরে শেখ হাসিনার গাড়ি বহল মামলায়
স্বাক্ষী পরিচয় দিয়ে ভয়দেখিয়ে মোটা অংঙ্কের টাকাও হাতিয়ে নিয়েছে।
সে প্রশাসনের কাছে পরিচয় দিত আমি শেখ হাসিনার গাড়ী বহর হামলা মামলার স্বাক্ষী। তৎকালীন সময়ে হাবিবের মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে সাবেক এমপি হাবিবুল ইসলামের ৭০ বছরের কারাদন্ড, বহু বিএনপি নেতাকর্মীদের যাবতজীনন সহ বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। তাছাড়া এই মিথ্যা মামলার কয়েকজীবন বিএনপি নেতাকর্মী জেলে মৃত্যুবরণ করে। হাবিব একটি পত্রিকার সাংবাদিকতার আড়ালে বিভিন্ন ভূল তথ্য উপস্থাপন করে রাষ্ট্রের অস্থিরতা পরিবেশ সৃষ্টি করছে। প্রতিনিয়ত রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তার বেপরোয়া সাংবাদিকতার অতিষ্ঠ বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ।
শেখ হাসিনার মিথ্যা গাড়ি বহর মামলার অভিযুক্ত বিএনপি নেতা বলেন, শেখ হাসিনা গাড়ি বহর হামলার দিন আমি সাতক্ষীরায় ছিলাম না। পরে শুনি আমি ওই মামলার আসামী। হাবিবের মিথ্যা স্বাক্ষ্যদানে মামলায় রায়ে আমার সাজা হয়েছে। এই হাবিব আওয়ামী লীগের সময়ে ক্ষমতার দাপোট দেখিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে চাঁদাবাজি করত। গর্বের সাথে পরিচয় দিত শেখ হাসিনার গাড়ি বহর হামলা মামলার স্বাক্ষী। সে এখন সুযোগ পেলে সরকারে বিরুদ্ধে লেখালেখি করে। আমাদের মিথ্যা মামলায় জেল খাটানো কয়েকজন কারাগারে মৃত্যু বরণ করেছে যার জন্য হাবিবের শান্তি দাবি করছি সরকারের কাছে।
সাতক্ষীরা নাগরিক সমাজের বলেন, আমরা দেখেছি হাবিব আওয়ামী লীগের সময়ে বিভিন্ন ব্যবসায়ীকে টার্গেট করে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন করে সম্মানহানি করেছে। নিউজ বন্ধে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এদের কারণে মহানপেশা সাংবাদিকতা আজ কলুষিত হচ্ছে। সাংবাদিকরা হবে নিরপেক্ষ। সমাজ মানুষ ও দেশের জন্য নিয়োজিত থাকে সাংবাদিকরা। কিন্তু সাংবাদিকতা মানে দলকে পুঁজি করে চাঁদাবাজি আর হয়রানি করা না। তাছাড়া মিথ্যা মামলার স্বাক্ষ্য দিয়ে মানুষকে জেল খাটানো উচিত নয়।
জেলা পরিষদের প্রশাসক মিথ্যা মামলার ৭০ বছর সাজাপ্রাপ্ত হাবিবুল ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনার গাড়ি বহর হামলা দিন আমি ঢাকাতে অবস্থান করছিলাম। পরেশুনি আমি মামলার আসামী হাবির হল স্বাক্ষী। হাবিবের মিথ্যা স্বাক্ষ্য প্রদানে আমার ৭০ বছরের জেল হয়েছে। সে আদালতে উঠে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা স্বাক্ষ্য দিয়েছে যার ফলে বহু বিএনপি নেতাকর্মীদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে অনেকে কারাগারে মারা গেছে। সে বিভিন্ন সম্মানি মানুষকে ভূলতথ্য উপস্থাপন করে চাঁদাবাজিতে লিপ্ত ছিল।
হাবিবের মত সমাজের ভাইরাস দের প্রতিহত করা উচিত। সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে মিথ্যা স্বাক্ষ্য প্রদানকারী হাবিবের আইনগত শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।