প্রকাশিত: জুন ২৮, ২০২৬
প্রকাশিত:
হিমু ;
ন্যূনতম লজ্জা থাকলে নিজের অতীতটা একবার আয়নায় দেখতেন। ১৯৮৮/৮৯ সালের চরম সংকটের দিনে যখন রাজপথ তপ্ত ছিল, তখন আপনি আর আপনার সুবিধাবাদী সঙ্গীরা কোন গর্তে লুকিয়ে ছিলেন? তখন তো বিএনপির রাজনীতিতে আপনার জন্মই হয়নি। অথচ চব্বিশ-পঁচিশ সালে এসে দু-চারটি সমাবেশে মুখ দেখিয়ে, সেলফি তুলে রাতারাতি মস্ত বড় ‘বিএনপি নেতা’ বনে গেলেন? আপনার মতো সুযোগ সন্ধানীদের দেখলেই এখন ঘেন্না হয়।
আপনি যদি এতই সফল, নীতিবান আর অভিজ্ঞ রাজনীতিবিদ হন, তবে মূল দল আপনাকে লাথি মেরে দূরে সরিয়ে রাখল কেন? কেন আপনাকে কোনো বড় পদ দিল না? মূল রাজনীতিতে পাত্তা না পেয়ে এখন সাংবাদিকদের পেশাদার সংগঠনের পদ-পদবি চুরি করতে এসেছেন কোন যোগ্যতায়? আপনি তো কোনোদিন সাংবাদিকতাই করেননি, সংবাদপত্রের সাথে আপনার দূরতম কোনো সম্পর্কও নেই। আপনি তো আসলে একটা চরম কুখ্যাত *’গুরু মারা সাংবাদিক’*! যার নিজের কোনো আদর্শ নেই, যে নিজের রুটি-রুজির জন্য নিজের গুরুকে পিঠে ছুরি মারতে পারে—তার মুখে নীতি কথা মানায় না। সাংবাদিক সংগঠনের নেতা হওয়ার জন্য আপনার মতো সুবিধাবাদীরা যে জঘন্য মিথ্যার জাল বিছিয়েছে, তা অত্যন্ত লজ্জাজনক ও ধিক্কারজনক।
আপনার মতো ভণ্ড, চাটুকার আর স্বার্থপরের কারণেই আজ বসুন্ধরার এত শত্রু তৈরি হয়েছে। আপনার এই নোংরা ভণ্ডামি আর কুচক্রের কারণে বসুন্ধরা গ্রুপ যে একদিন পথে বসবে, পথের ফকির হবে—এই তেতো সত্যটা তারা কেন যে এখনো অন্ধের মতো বুঝছে না, সেটাই আশ্চর্যের বিষয়! তবে মনে রাখবেন, পাপের ঘড়া আপনার পূর্ণ হয়ে গেছে; খুবই তাড়াতাড়ি আপনার জীবনে ঘোর অন্ধকার নেমে আসবে, ইনশাল্লাহ! প্রকৃতির বিচার থেকে আপনার মতো মীরজাফরদের নিস্তার নেই।
জীবনে কোনোদিন নিজের মগজ খাটিয়ে এক ইঞ্চি নিউজ লিখেছেন? অথচ বড় বড় চিৎকার করে সাংবাদিক ইউনিয়ন গরম করে বেড়ান, লজ্জা করে না? কোনো বিবেকবান ও নীতিবান মানুষ আপনার মতো এমন নির্লজ্জ ভণ্ডামি আর দালালি করতে পারে না। আপনি নিজেই তো এক জীবন্ত দ্বিধাদ্বন্দ্ব—আপনি আসলে একজন সাংবাদিক, নাকি বিএনপির চামচা? আপনার অতীত হাতড়ালে শূন্য আর চরম সুবিধাবাদ ছাড়া আর কিচ্ছু খুঁজে পাওয়া যাবে না।
এই অতি-উৎসাহী দালালি আর ভণ্ডামি বন্ধ করে একটু মানুষ হওয়ার চেষ্টা করুন। সমাজ আপনার আসল রূপ, আপনার আসল চরিত্র চেনে। আপনার মতো একটা ধিক্কারজনক, মেরুদণ্ডহীন মানুষকে আর যা-ই হোক, কেউ কখনো নেতা মানবে না! ধিক্কার জানাই আপনার এই ছদ্মবেশকে!