প্রকাশিত: মার্চ ২৩, ২০২৬
বিশেষ সংবাদদাতা ঃ

ঢাকার উত্তরা ৩ নম্বর সেক্টরের একটি বাসায় র্যাব-১ এবং তুরাগ থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে একটি আন্তর্জাতিক নারী পাচার চক্রের সন্ধান পাওয়া গেছে। এই চক্রটি মূলত বাংলাদেশী তরুণীদের টার্গেট করে কাজ করত।
কীভাবে এই চক্রটি প্রতারণা করত ?
বিয়ের প্রলোভন: চাইনিজ নাগরিকদের সাথে বিয়ের মাধ্যমে সুখের সংসার ও চীনে ভালো চাকরির মিথ্যা আশ্বাস দেওয়া হতো।
আর্থিক লোভ: মেয়েদের ও তাদের পরিবারকে ১ থেকে দেড় লাখ টাকা এবং স্মার্টফোন দেওয়ার কথা বলে প্রলুব্ধ করা হতো।
ভুয়া নথিপত্র: ভুয়া পাসপোর্ট এবং লোক দেখানো কোর্ট ম্যারেজের মাধ্যমে বিয়ের ভুয়া কাবিননামা তৈরি করা হতো।
পাচারের রুট: চক্রটির পরিকল্পনা ছিল এই মেয়েদের প্রথমে নেপালে এবং পরে সেখান থেকে চীনে পাচার করে বিক্রি করে দেওয়া।
যেভাবে ধরা পড়লো এই চক্র:
চক্রের দেশীয় মূল হোতা (সুইটি নামের এক নারী) এবং একজন চাইনিজ নাগরিক যখন মেয়েদের বিক্রির টাকার ভাগবাটোয়ারা এবং নেপাল হয়ে চীনে পাচারের রুট নিয়ে আলোচনা করছিল, তখন এক ভুক্তভোগী তরুণী তা শুনে ফেলেন। তিনি সাহসের সাথে সেখান থেকে পালিয়ে সাংবাদিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিষয়টি জানান। পরবর্তীতে রাত ১০টার দিকে পুলিশ ও র্যাবের অভিযানে এই চক্র ধরা পড়ে। বাসাটি থেকে ভুয়া নথিপত্র এবং অবৈধ মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।