প্রকাশিত: মার্চ ২২, ২০২৬
বিশেষ প্রতিনিধি ঃ

নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান থাকলেও সড়কে তার ছিল সব চেয়ে বেশী প্রভাব কারন তিনি মন্ত্রী হলেও ছিলেন পরিবহন শ্রমিক নেতা, পরিবহন মালিক ও তৎকালিন পরিবহন মালিক সমিতিতে তার ছিল মহা প্রভাব।যার কারনে সাধারন মানুষ মনে করতো নৌ পরিবহন মন্ত্রনালয় বাংলাদেশের এক মাত্র প্রভাবশালী মন্ত্রনালয়।বন্দরে নিয়োগ বদলিতে ওনার উপরে কেহ ছিলনা। ওনার অতি কথনের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় তৎকালিন সরকার অতি কথনের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেন ২য় জনকে।

ওবায়দুল কাদের বাংলাদেশ সরকারের সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়ে যে পরিমান কথা বলেছেন তা এ দেশের জনগনের সকলের জানা।যার কারনে তৎকালিন সরকারের আওয়ামীলীগের পতন দ্রুত তরান্নিৎ হয়েছে।এরা জনগনের নামে দোহাই দিয়া নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখার চেষ্টা করেছে।এ দুজন থেকে উত্তারিধীকার সুত্রে এখন দায়িত্ব পেয়েছে ৩য় জন।
আশা করা যায় ওনার অতি কথনের জন্য আগের দুজনকে মানুষ ভুলে যাবে।
ঈদে ভাড়া বাড়ে এটা ছিল একটা স্বাভাবিক নিয়ম কারন ঈদের সময় এক মুখি গাড়ী চলে যার কারনে সার্ভিস ঠিক রাখার জন্য মফস্বল অঞ্চল থেকে খালি গাড়ী নিয়া আসতে হয় এ জন্য কিছুটা বাড়তি নিত। কিন্তু এখন যা ঘটছে তা সরকারের তদারকি করা দরকার। অতি মাত্রায় ভাড়া নেওয়া হচ্ছে, বিভিন্ন মিডিয়া , পত্রিকায় খবর প্রকাশ হচ্ছে। যা স্বৈরাশাসনের সরকারেরমত ।

বর্তমান মন্ত্রী হঠাৎ করে দায়িত্ব পেয়ে নিজেকে এমন ভাবে জাহির করছে মনে হয় ওনি যা দেখেন ওনি যা বুঝেন তা সাধারন জনগন দেখে না বা বুজে না।ওনি ফটোশেসন করার জন্য নির্ধারিত ভাড়ায় টিকেট কেটে বাসে যাত্রীদের বসিয়ে রাখে।যা ওনার জন্য ছিল অত্যন্ত লজ্জাজনক। ওনি বলেন নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বাস মালিকরা কম ভাড়া নিচ্ছে এটা সাধারন যাত্রীরা মেনে নিতে পারে নাই।কারন তারাইতো ভুক্ত ভোগী।
আর কিছু মৌসুমি পরিবহন ব্যাবসায়ী আছে তারা যে কোন সরকারের সময় মন্ত্রী ও মন্ত্রনালয়কে ম্যানেজ করে বাড়তি ভাড়া নেওয়ার চেষ্টা করে। ওনি হয়ত তাদের ফাঁদে পরে গেছেন।যে জামেলা বাড়িতে যাওয়ার সময়ে হয়েছে ফিরতি পথে একই কাহিনী ঘটবে।একমুখি পরিবহনে দি-মুখি ভাড়া নিবে।
এ বছর যতটুকু বাড়তি জামেলা হয়েছে আমি মনে করি তা ওনার অতি কথনের জন্যই হয়েছে।যা হওয়ার কোন কথাই ছিল না। কারন পুর্বের স্বৈরাশাসন সরকারতো এখন আর রাজত্ব চালায় না। যে চালায় সে জনগনের সরকার। সে কোন ব্যবসায়ীর বা কোন নিদৃষ্ট কোন ব্যক্তির সরকার নয়। কাজিই বিষয়টি সারা বাংলার জনগনের দৃষ্টিগোচর বা নজরে এসেছে। এখানেই ওনাকে থামিয়ে দেওয়া উচিত । কারন এটাকে আর সময় দেওয়া ঠিক না। দেরি হলেই ক্ষতি হবে সরকারের !!!