২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার,রাত ৩:৪৪

শিরোনাম
একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা মন্ত্রী নয়, সহকর্মী হিসেবে কাজ করতে চাই, শামা ওবায়েদ বিশ্বের সব ভাষাভাষী মানুষ ও জাতিগোষ্ঠীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানালেন, প্রধানমন্ত্রী চাঁদা না দেওয়ায় বাবা-মা ও কলেজপড়ুয়া মেয়েকে হাতুড়িপেটার অভিযোগ, বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে রাতে কিশোরদের অযাচিতভাবে ঘোরাফেরা দেখলে জিজ্ঞাসাবাদ: শিক্ষামন্ত্রী ওসির অ্যাকাউন্টে ৩২ লাখ টাকার লেনদেন, অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার দাবি রোজার মধ্যেই সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন: ইসি দ্রব্যমূল্য যেন সাধারন মানুষের নাগালের বাইরে না যায়, ব্যবসায়ীদের প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী ও নবগঠিত মন্ত্রিসভাকে বাংলাদেশ সিভিল রাইটস্ সোসাইটির অভিনন্দন

বিশ্বের সব ভাষাভাষী মানুষ ও জাতিগোষ্ঠীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানালেন, প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিনিধি ঃ

 

মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে বিশ্বের সব ভাষাভাষী মানুষ জাতিগোষ্ঠীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এক বাণীতে তিনি এ শুভেচ্ছা বার্তা দেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে আমাদের মাতৃভাষা বাংলাসহ বিশ্বের সব ভাষাভাষী মানুষ ও জাতিগোষ্ঠীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করি, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সব শহীদকে, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। ১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার লড়াইয়ে শহীদ হন আবুল বরকত, আবদুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমদ, আব্দুল জব্বারসহ আরও অনেকে। তাদের আত্মদানের মধ্য দিয়ে তৈরি হয় পূর্ব বাংলার মুক্তির প্রথম সোপান। মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার এই আন্দোলন শুধু ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠাই করেনি বরং বাঙালির স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও সাংস্কৃতিক চেতনার ভিত্তি আরও মজবুত করেছে। একুশের এই রক্তাক্ত পথ ধরেই মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা।

তিনি আরও বলেন, বাংলা ভাষা আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রধান বাহন। মাতৃভাষার জন্য আমাদের ত্যাগ ও ভালোবাসার স্বীকৃতিস্বরূপ ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। একুশের চেতনা আজ বিশ্বজুড়ে সব ভাষার মর্যাদা রক্ষা ও সুরক্ষার আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, ‘গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও সমতা প্রতিষ্ঠাই ছিল একুশের মূল চেতনা। এ চেতনাকে ধারণ করে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রাম পার হয়ে দেশে আজ গণতন্ত্র পুনপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। গণতন্ত্রের এই অগ্রযাত্রাকে সুসংহত করতে বর্তমান সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা ভাষা শহীদ এবং ’৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জন ও ২০২৪ সালের স্বাধীনতা রক্ষার যুদ্ধসহ এ যাবতকালে দেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সব শহীদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি স্বনির্ভর, নিরাপদ, মানবিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়তে চাই।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আজকের এ দিনে আমি বিশ্বজুড়ে সব জাতিগোষ্ঠীর ভাষাসমূহের মর্যাদা সমুন্নত রাখতে কাজ করার জন্য সংশ্লষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানাই। আসুন, আমরা দেশে বিদ্যমান ভাষা বৈচিত্র্যকে সংরক্ষণ করি, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি সর্বস্তরে বাংলা ভাষার সঠিক ব্যবহার ও চর্চা নিশ্চিত করি।’

শেষে তিনি বলেন, ‘আমি সব ভাষা শহীদের মাগফেরাত কামনা করি। আমি মহান শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে গৃহীত সব কর্মসূচির সফলতা কামনা করি।’

 

 

  • শেয়ার করুন