৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার,বিকাল ৩:৫৯

শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা আজ : প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ‘কেন্দ্র কন্ট্যাক্টের’ শঙ্কা

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৯, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ

চাকরির পরীক্ষার জন্য অপেক্ষায় আছেন অংশগ্রহণকারী। চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। মোহাম্মদপুর, ঢাকা,               

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫’- এর লিখিত পরীক্ষা। প্রায় ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৮০ জন প্রার্থী এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছেন। সেই হিসাবে প্রতিটি পদে লড়বেন ৭৫ জন চাকরিপ্রার্থী। বিশাল এই কর্মযজ্ঞের স্বচ্ছতা নিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা উদ্বিগ্ন। বিশেষ করে প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং ‘কেন্দ্র কন্ট্যাক্ট’-এর মতো অনিয়মের শঙ্কা নিয়েই সাধারণ চাকরিপ্রার্থীরা আজ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) জানিয়েছে, অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার অনিয়ম রুখতে সচেষ্ট রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আজ পরীক্ষা বেলা ৩টায় শুরু হলেও পরীক্ষার্থীদের দুপুর ২টার মধ্যে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে কেন্দ্রের প্রধান প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হবে।

পরীক্ষা আজ বিকেলে

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকার ঘোষিত তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোকের কারণে ২ জানুয়ারির পরীক্ষা পিছিয়ে ৯ জানুয়ারি সকাল ১০টায় নির্ধারণ করা হয়। তবে রোববার (৪ জানুয়ারি) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ৯ জানুয়ারি পরীক্ষা সকালে নয়; বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে। আজ বেলা ৩টা থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত তিন পার্বত্য জেলা ছাড়া দেশের সব জেলায় একযোগে এই লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ‘কেন্দ্র কন্ট্যাক্ট’ নিয়ে শঙ্কা

নিয়োগ পরীক্ষা সামনে রেখে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে প্রধান শঙ্কা হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রশ্নপত্র ফাঁস ও তথাকথিত ‘কেন্দ্র কন্ট্যাক্ট’। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বিভিন্ন জেলার কেন্দ্রগুলোতে কক্ষ পরিদর্শকদের প্রলোভন দেখিয়ে অসাধু উপায়ে উত্তর বলে দেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের, যা ‘কেন্দ্র কন্ট্যাক্ট’ হিসেবে পরিচিত। । নাম প্রকাশ না করে একাধিক প্রার্থী হিডেন নিউজকে বলেন, এর আগে অধিদপ্তর ‘হিসাব সহকারী’ পদের মতো একটি তুলনামূলক ছোট পরীক্ষা গ্রহণেও প্রশাসনিক অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছিল। তাই ১০ লাখের বেশি প্রার্থীর এই বিশাল পরীক্ষায় কেন্দ্রগুলোতে প্রশ্নপত্রের গোপনীয়তা ও কক্ষের শৃঙ্খলা কতটুকু বজায় থাকবে, তা নিয়ে বড় ধরনের সংশয় কাজ করছে সাধারণ চাকরিপ্রার্থীদের মনে।

 

  • শেয়ার করুন