৫ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার,রাত ৪:২১

শিরোনাম

মহেশখালী চ্যানেলে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বালু তুলতে বাধা নেই

প্রকাশিত: অক্টোবর ৪, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদ : কক্সবাজারের মহেশখালী চ্যানেলের ভারুয়াখালী ও বাঁকখালী মোহনা থেকে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বালু উত্তোলন থেকে বিরত রাখতে দেওয়া নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। হাইকোর্টের এ–সংক্রান্ত আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক আজ রোববার এ আদেশ দেন।

কক্সবাজারের মাতারবাড়ী বন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের (সওজ অংশ) আওতায় ‘মাতারবাড়ী পোর্ট অ্যাকসেস রোড’ নির্মাণের জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টোকিও–এমআইএল (জেভি)–কে মহেশখালী উপজেলার হামিদারদিয়া ও ঠাকুরতলা মৌজা থেকে ৬ কোটি ৩৪ লাখ ৫৯ হাজার ১৮২ ঘনফুট বালু উত্তোলনের অনুমতি দেওয়া হয়। কক্সবাজার জেলা বালুমহাল ব্যবস্থাপনা কমিটি কিছু শর্ত সাপেক্ষে গত ২ এপ্রিল এ অনুমোদন দেয়। এ নিয়ে মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন হাইকোর্টে রিট করেন।

রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ দেন। মহেশখালী চ্যানেলের ভারুয়াখালী ও বাঁকখালী মোহনা থেকে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বালু উত্তোলন থেকে বিরত রাখতে চার মাসের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। হাইকোর্টের এই আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করে। আবেদনটি চেম্বার আদালতের আজকের কার্যতালিকায় ওঠে।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ মেহেদি হাসান। রিট আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফিদা এম কামাল ও আইনজীবী ফয়সাল মাহমুদ ফয়েজী।

মাতারবাড়ী প্রকল্প যখন গ্রহণ করা হয় তখন পরিবেশ অ্যাসেসমেন্ট করে সেখানকার কয়েকটি জায়গা থেকে বালু উত্তোলন করে উন্নয়ন কাজ করা হবে, যা প্রকল্পেরই অন্তর্ভুক্ত বলে উল্লেখ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, ‘তবে নানা সময়ে কিছু ব্যক্তি জনস্বার্থের নাম করে চারটি রিট করে কাজের অগ্রগতি আটকে দেয়। ইতিমধ্যে তা স্থগিত হয়েছে। সর্বশেষ মহেশখালী চ্যানেলের দুটি মোহনা থেকে বালু উত্তোলন না করতে নির্দেশনা চেয়ে রিট করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট বালু উত্তোলন না করতে নিষেধাজ্ঞা দেন। হাইকোর্টের এই আদেশ স্থগিত হয়েছে। তার মানে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বালু উত্তোলন পূর্বক মাতারবাড়ী উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ করতে কোনো বাধা থাকল না।’

 

  • শেয়ার করুন