১৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার,সকাল ৭:৩৫

শিরোনাম
জুয়ার আসর থেকে দুই ইউপি সদস্যসহ ৫ জন গ্রেফতার সাবেক সহকারী পরিচালকের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় মামলা রামিসা ধর্ষণ-হত্যা মামলা: হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে শুনানি রোববার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ, অঙ্গসংগঠনের ৫৩ নেতাকর্মী ঢাকায় গ্রেফতার: ডিএমপি মাদ্রাসার শৌচাগারে শিক্ষার্থীর লাশ, শিক্ষক জাকারিয়া তিন দিনের রিমান্ডে, শুনানিতে উঠে এল নানা তথ্য নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা প্রকাশ: ১৩ আগস্ট ২০২৬, ০৮: ৪২ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতফাইল ছবি রাজধানীর রায়েরবাগের জোড়াখাম্বা এলাকার একটি মাদ্রাসার শৌচাগার থেকে ১৩ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গ্রেপ্তার ওই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক হাফেজ মো. জাকারিয়াকে (৩৫) তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। গ্রেপ্তার অপর এক শিক্ষকের বয়স মামলার এজাহারে ২০ বছর উল্লেখ করা হলেও শুনানিতে তাঁর আইনজীবী অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ার প্রমাণ উপস্থাপন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত তাঁকে শিশু বিবেচনায় রিমান্ড শুনানির জন্য শিশু আদালতে পাঠানোর আদেশ দেন। আজ বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আলমের আদালত এ আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী হারুনর রশীদ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ৩ আগস্ট বেলা দেড়টার দিকে মাদ্রাসার তৃতীয় তলার একটি শৌচাগার থেকে ১৩ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত শিশুর মা বাদী হয়ে ওই রাতেই কদমতলী থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ৩ আগস্ট ওই মাদ্রাসা থেকে দুই শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন ৪ আগস্ট তাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়। ৫ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কদমতলী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আমজাদ হোসেন আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। আজ আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হলে রিমান্ড শুনানি হয়। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, নিহত শিশু ও তার ছোট ভাই ওই মাদ্রাসায় পড়ত। বিভিন্ন অজুহাতে শিক্ষকেরা ওই শিশুর ওপর নির্যাতন চালাতেন। বিষয়টি সে তার মাকে জানালে মা তাকে মাদ্রাসা থেকে নিয়ে আসতে চেয়েছিলেন, কিন্তু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ছাড়পত্র দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তী সময়ে সে আর মাদ্রাসায় পড়বে না বলে শিক্ষকদের জানালে তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে মারধর করেন এবং বেলা একটা থেকে আড়াইটার মধ্যে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। আদালতে বাদী ও আসামিপক্ষের যুক্তি শুনানিতে বাদীপক্ষের আইনজীবী হারুনর রশীদ খান রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতকে বলেন, ১৩ বছরের একটি শিশুকে নির্মমভাবে নির্যাতন করে বাথরুমে হত্যা করা হয়েছে। অথচ আসামিপক্ষ এটিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করছে, যা একটি অগ্রহণযোগ্য যুক্তি। ওই শিশুটি আগেই তার মাকে জানিয়েছিল, সে এই মাদ্রাসায় পড়তে চায় না। আইনজীবী আরও বলেন, নিহত ছাত্রটি পড়াশোনায় ভালো ও শান্ত স্বভাবের ছিল। শিক্ষক তাকে নিজের কাছে ঘুমানোর জন্য বলতেন। মূলত গোপন রহস্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়েই তাকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য আসামিদের রিমান্ড প্রয়োজন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন করেন। তিনি বলেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। মাদ্রাসার অন্য ছাত্রদেরও কোনো অভিযোগ নেই। সেখানে ধর্ষণ বা হত্যার মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। আদালতে শিক্ষক ও নিহতের ভাইয়ের বক্তব্য শুনানিকালে বিচারক কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা আসামি জাকারিয়াকে কোনো বক্তব্য আছে কি না জানতে চান। এ সময় জাকারিয়া বলেন, ‘আমরা হাফেজ মানুষ, আমরা মারিনি। ঘটনার দিন ওই ছেলে পড়া না পারায় তাকে কিছুক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল। জোহরের নামাজের আগে সে বাথরুমে যায়। নামাজ শেষে খোঁজ নিয়ে জানা যায় সে ফেরেনি। পরে বাথরুমের দরজা ভেঙে তাকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। আমাদের ছাত্ররা এর সাক্ষী।’ আদালত জাকারিয়াকে মাদ্রাসায় সিসিটিভি ফুটেজ আছে কি না, জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজ নেই, অনেক আগেই হার্ডডিস্ক নষ্ট হয়ে গেছে। এ ছাড়া ওই ছাত্র এর আগেও কয়েকটি মাদ্রাসা থেকে পালিয়েছিল বলে তিনি দাবি করেন। তখন আদালত প্রশ্ন করেন, ‘এই ডিজিটাল যুগে আপনাদের সিসিটিভি ফুটেজ নেই কেন?’ শুনানির একপর্যায়ে আদালত নিহত শিক্ষার্থীর ছোট ভাইকে ডেকে কথা বলেন। মাদ্রাসায় তাদের মারধর করা হতো কি না, জানতে চাইলে শিশুটি বলে, ‘আমাদের অনেক মারধর করা হতো। ভাইয়ের সাথে বেশি খারাপ ব্যবহার করা হতো।’ কেমন খারাপ ব্যবহার করা হতো, তা জানতে চাইলে শিশুটি আর কোনো উত্তর দেয়নি। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত শিক্ষক জাকারিয়ার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং অপর শিক্ষককে শিশু আদালতে রিমান্ড শুনানির জন্য পাঠানোর নির্দেশ দেন। আদালত প্রাঙ্গণে স্বজনদের বিক্ষোভ আজ আদালতে নিহত শিক্ষার্থীর মা ও পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আসামিদের আদালত থেকে নামানোর সময় উত্তেজিত স্বজনেরা তাঁদের মারধর করতে উদ্যত হন। পুলিশ দ্রুত আসামিদের হাজতখানায় নিয়ে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় নিহত শিশুর ক্ষুব্ধ স্বজনেরা আসামিদের ফাঁসির দাবিতে স্লোগান দেন ও আদালত প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেন। পৌর মেয়র থেকে রাষ্ট্রপতি, কখন কী ছিলেন মির্জা ফখরুল মেয়াদ শেষের ১১ মাস আগেই বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদের নিয়োগ বাতিল রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডেকেছেন তারেক রহমান আমানতের উৎসে কর সরকারি কোষাগারে জমার সময় বেঁধে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

ইউনিসেফের ‘শিশু অধিকার ইশতেহারে’ সংহতি জানাল ১২টি দল

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১, ২০২৫

  • শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ

শিশু অধিকার ইশতেহার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি রানা ফ্লাউয়ার্স। ১ ডিসেম্বর, ২০২৫; রাজধানীর বাংলাদেশ–চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে।      

জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে জাতিসংঘ শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) ‘শিশু অধিকার ইশতেহারে’ থাকা ১০টি অঙ্গীকারের প্রতি সংহতি জানিয়ে স্বাক্ষর করেছে দেশের ১২টি রাজনৈতিক দল।

দলগুলো হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি (জাপা), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), গণসংহতি আন্দোলন, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি, গণফোরাম, গণ অধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, নাগরিক ঐক্য ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

আজ সোমবার রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ইউনিসেফ আয়োজিত ‘শিশু অধিকার ইশতেহার’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে দলগুলোর নেতারা এতে স্বাক্ষর করেন।

ইশতেহারে থাকা ১০টি অঙ্গীকার হলো সমন্বিত স্বাস্থ্যসেবা, শিশুর জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ, মানসম্মত অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা, শিশুদের জন্য সহনশীল বাংলাদেশ, নিরাপদ পানি ও উন্নত পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা, শিশুর ভবিষ্যৎ সুরক্ষা, জন্মনিবন্ধন নিশ্চিত করা, শিশু-সংবেদনশীল বাজেট এবং শিশু ও তরুণদের বিষয়ে জবাবদিহি নিশ্চিত করা।

অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান বলেন, ‘এখানে বিভিন্ন দলের নেতারা আছেন। আমি বিশ্বাস করি, শিশুরা এসব কিছুর ঊর্ধ্বে। সে কারণে আমরা সার্বিকভাবে শিশুদের কল্যাণে কথা বলতে চাই, প্রতিজ্ঞা করতে চাই। আমাদের আজকের শিশুরা যারা আর কিছুদিন পর এ জাতিকে পরিচালিত করবে, আমরা তাদের ওপর আস্থা রাখতে চাই।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, শিশুদের কনভেনশনের কথা ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে গ্রহণ করা হয়। কিন্তু অবাক বিস্ময়ে লক্ষ করা যায়, বাংলাদেশ আরও ১০ বছর আগে ১৯৭৯ সালে শিশু অধিকার নিয়ে কথা বলেছে।

১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ কনভেনশন অন দ্য রাইটস অব দ্য চিলড্রেন (সিআরসি) প্রণয়ন করে। তাতে শিশুর বেঁচে থাকার অধিকার, নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও বিকাশকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

মঈন খান বলেন, একই সময়ে শিশুদের কল্যাণে কাজ করবে, এমন একটি মন্ত্রণালয় গড়ে তোলা হয়। বাংলাদেশ অগ্রগামী দেশ হিসেবে সিআরসি স্বাক্ষর করেছিল। আমাদের সীমিত সম্পদের কারণে, সামর্থ্যের অভাবে শিশুদের জন্য অনেক কিছু করতে পারিনি। কিন্তু আমরা করতে চাইনি, সেটা বলাটা ঠিক হবে না।

ইউনিসেফ শিশুদের যে ১০টি অধিকার ‘শিশু অধিকার ইশতেহার’–এ অন্তর্ভুক্ত করেছে, সেগুলো বাস্তবায়নে সীমিত সম্পদ প্রধান চ্যালেঞ্জ মনে করেন এই রাজনীতিবিদ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে বক্তব্য দেন ইউনিসেফের ইয়ুথ অ্যাডভোকেট গার্গী তনুশ্রী পাল। তিনি শিশু অধিকারকে নির্বাচনী ইশতেহারে গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। এরপর বক্তব্য দেন বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স।

রানা ফ্লাওয়ার্স বলেন, আজকের দিনটা বাংলাদেশের শিশুদের জন্য ঐতিহাসিক মুহূর্ত। শিশুরা চায় সুরক্ষা, শিক্ষা, প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টিতে অধিকার। পরবর্তী সরকারের কাছে শিশুরা তাদের চাওয়া স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করে যাচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলো শিশু অধিকারের ইশতেহারের স্বাক্ষর করে সংহতি প্রকাশ করেছে। এটা মাত্র শুরু। আসল পরীক্ষা হবে এটাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া। রাজনীতিবিদ, নীতিনির্ধারক, ব্যবসায়ী, শ্রমিক সংগঠন ও চিন্তন সংগঠন সবারই শিশু অধিকার বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখতে হবে।

গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদ সদস্য মনিরুদ্দিন পাপ্পু বলেন, ‘স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরও শিশুর অধিকার আমরা বাস্তবায়ন করতে পারিনি। এটা বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য লজ্জার। জুলাইয়ের গণ–অভ্যুত্থানে ১৩৩ শিশু জীবন দিয়েছে। তাদের ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শিশুদের জন্য আজকের যে ইশতেহার, সেটার বাস্তবায়ন করতে হবে।’

এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান বলেন, ‘আমরা এমন একটা রাষ্ট্র গড়েছি, যে রাষ্ট্র এখনো শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা, স্যানিটেশন ও তাদের জন্য নিরাপদ সুপেয় পানির ব্যবস্থাও করতে পারেনি। ৫৪ বছর পর এসে আমাদের অঙ্গীকার করতে হচ্ছে। শিশুদের ইশতেহারে যে ১০টি অঙ্গীকারের কথা বলা হয়েছে, আমরা সেটি দৃঢ়ভাবে সমর্থন করি।’

এনসিপির কেন্দ্রীয় জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব তাসনিম জারা গ্রামাঞ্চলে চিকিৎসক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, গ্রামের শিশুদের পুষ্টিহীনতার চিত্র করুণ। শিশুর অধিকার জন্মের আগেই শুরু হয়। অভিভাবকের স্বাস্থ্য ও সচেতনতা এ ক্ষেত্রে জরুরি। শিশুশ্রম ও বাল্যবিবাহ বন্ধ, মানসম্মত শিক্ষা, জলবায়ু–সহনশীল অবকাঠামো প্রয়োজন।

সিপিবির সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ ক্কাফি রতন বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে সাম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচারের অঙ্গীকার করা হয়েছিল। গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশ রাষ্ট্র বড় হয়েছে, কিন্তু সে অঙ্গীকার এখনো বাস্তবায়ন করা যায়নি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি শফিকুল ইসলাম মাসুদ শিশুদের কল্যাণে তাঁর দলের গৃহীত সব কার্যক্রম অনুষ্ঠানে তুলে ধরেন। এর বাইরেও কিছু করার থাকলে সেটি করবেন বলে জানান তিনি।

জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারি তাঁদের নির্বাচনী ইশতেহারে শিশু অধিকারের ১০টি অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্ত করবেন বলে জানান।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ইউনিসেফ বাংলাদেশের জনসংযোগ কর্মকর্তা নুসরাত শবনম তূর্ণা। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), গণ অধিকার পরিষদ, গণফোরাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, নাগরিক ঐক্যের নেতারা বক্তব্য দেন। এ ছাড়া আরও বক্তব্য দেন ন্যাশনাল কো–অর্ডিনেশন কমিটি ফর ওয়ার্কাস এডুকেশনের সদস্যসচিব নাইমুল আহসান জুয়েল।

  • শেয়ার করুন