১লা ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার,রাত ৩:৩৪

যশোর বোর্ডে ২০ কলেজে সবাই ফেল

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৬, ২০২৫

  • শেয়ার করুন

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষায় যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০টি কলেজে একজন পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। এর মধ্যে দুইটি কলেজে পরীক্ষার্থী ছিল মাত্র একজন করে। শিক্ষা বোর্ডের ফল বিশ্লেষণে এমন চিত্র সামনে এসেছে, যা শিক্ষার মান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

বিশেষ প্রতিবেদক ঃ

এ ২০ কলেজের মধ্যে সাতক্ষীরা জেলার তিনটি কলেজেও। এগুলো হলো— সাতক্ষীরা ইসলামিয়া মহিলা কলেজ, আখরাখোলা আইডিয়াল কলেজ এবং সাতক্ষীরা কমার্স কলেজ।

যশোর শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সাতক্ষীরার পাশাপাশি খুলনা, মাগুরা, যশোর, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, নড়াইল, বাগেরহাট ও মেহেরপুর জেলার আরও ১৭টি কলেজে কেউ পাস করতে পারেনি।

বোর্ডের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, অন্যান্য জেলার ব্যর্থ কলেজগুলোর মধ্যে রয়েছে— মেহেরপুরের গাংনীর বিএন কলেজ, খুলনার ডুমুরিয়ার মডেল মহিলা কলেজ, মাগুরার বুজরুক শ্রীকুন্ডি কলেজ, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের সিংঝর গোপালপুর কলেজ, খুলনার গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ, মাগুরার রাউতাড়া এইচএন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাগুরার মুহাম্মদপুরের কানাইনগর টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস কলেজ, যশোরের ঝিকরগাছার বাঁকড়া হাজিরবাগ আইডিয়াল গার্লস স্কুল, খুলনার পাইকগাছার কপিলমুনি সহচরী বিদ্যা মন্দির, কুষ্টিয়ার আলহাজ এ. গনি কলেজ, মাগুরার মুহাম্মদপুরের বীরেন শিকদার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঝিনাইদহের মুনুরিয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যশোরের চৌগাছার মাড়ুয়া ইউসুফ খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ, যশোরের অভয়নগরের শ্রীধরপুর ইউনিয়ন কলেজ, নড়াইলের লোহাগড়ার মাকরাইল করিম খালেক সোলাইমান ইনস্টিটিউশন, খুলনার তেরখাদার আদর্শ শিক্ষা নিকেতন এবং যশোরের কেশবপুরের বুরুলি স্কুল অ্যান্ড কলেজ।ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় এক বা একাধিক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে, ফলে কেউই সামগ্রিকভাবে পাসের মান অর্জন করতে পারেনি।

শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, ফলাফল নিয়ে বিস্তারিত বিশ্লেষণ চলছে। যেসব কলেজে শতভাগ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার কথা বিবেচনা করছে বোর্ড।

শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মতে, এসব কলেজে শিক্ষক সংকট, শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতি, অনুশীলনের অভাব ও অনুকূল শিক্ষার পরিবেশের অভাবই এই করুণ ফলাফলের মূল কারণ। তারা মনে করেন, স্থানীয় প্রশাসন ও শিক্ষা কর্তৃপক্ষের কঠোর তদারকি ছাড়া এ অবস্থার পরিবর্তন সম্ভব নয়।

 

  • শেয়ার করুন