১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার,সকাল ৬:৪১

শিরোনাম
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অনন্য ব্যক্তিত্ব ও অবিস্মরণীয় নাম সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ভর্তি পরীক্ষার ফলে ত্রুটি, পাস করলেও শত শত পরীক্ষার্থীকে দেখানো হলো ফেল সংরক্ষিত নারী আসনে ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করেছে জামায়াত সব স্তরে শিক্ষাবৃত্তির হার বাড়াচ্ছে সরকার, ব্যয় হবে ৩৬৮ কোটি টাকা হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে সারা দেশে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধানের পিএসকে নিয়ে গেছে পুলিশ জ্বালানি তেল সংকটে বিআরটিসি বাসগুলো পড়েছে মহা বিপদে ভূমি সেবা সহজ ও সচ্ছতা নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সিস্টেম চালু করা হয়েছে, বিভাগীয় কমিশনার বন বিভাগের লেডি কিলার খ্যাত ডেপুটি রেঞ্জার ইসমাইলের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অনন্য ব্যক্তিত্ব ও অবিস্মরণীয় নাম সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া

প্রকাশিত: এপ্রিল ১৭, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

মোঃ হুমায়ুন কবির ঃ

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অনন্য ব্যক্তিত্ব অবিস্মরণীয় নাম, সাবেক তিনবারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলবিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় নির্বাচিত নারী সরকার প্রধান হিসেবে ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছেন ।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) দীর্ঘকালীন চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত জীবনের সংক্ষিপ্ত রূপরেখা নিচে দেওয়া হলো:

ব্যক্তিগত পরিচিতি: ১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট জলপাইগুড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ফেনী জেলায় হলেও শৈশব কাটে দিনাজপুরে। ১৯৬০ সালে তিনি তৎকালীন সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।

রাজনীতিতে পদার্পণ: স্বামী ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বরণের পর ১৯৮২ সালে সাধারণ সদস্য হিসেবে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দেন। ১৯৮৪ সালে তিনি দলের চেয়ারপারসন নির্বাচিত হন এবং প্রায় চার দশক দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব: তিনি ১৯৯১ সালে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তিনি ১৯৯১-১৯৯৬, ১৯৯৬ (স্বল্প মেয়াদে) এবং ২০০১-২০০৬ পর্যন্ত তিনবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

রাজনৈতিক সম্মান: স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে অকুতোভয় ভূমিকার জন্য তিনি দেশবাসীর কাছে ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তাঁর শাসনামলে বিনামূল্যে প্রাথমিক শিক্ষা ও মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষার মতো যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।

জীবনাবসান: বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগে ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর ভোরে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে  ( Evercare Hospital ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও নারী শিক্ষায় অসামান্য অবদানের জন্য ২০২৬ সালের এপ্রিলে তাঁকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ প্রদান করা হয়।

মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। সম্প্রতি ১৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে তাঁকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার২০২৬ প্রদান করা হয়, যা তার নাতনি জাইমা রহমান গ্রহণ করেন।

 

  • শেয়ার করুন