১লা ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার,রাত ৩:৪৩

নোবেল খ্যাত রিজওয়ানা হাসানের বন মন্ত্রণালয়ে ও অধিদপ্তরে- দুই কামলা দুর্নীতির দূর্গা সাগরে পরিনত করছে।

প্রকাশিত: নভেম্বর ২৪, ২০২৫

  • শেয়ার করুন

 

রিজওয়ানা হাসান ( উপদেষ্টা )

বিশেষ প্রতিবেদক ঃ

নোবেল খ্যাত মর্যাদাপূর্ণ রিজওয়ানা হাসানের অধিনস্ত বন মন্ত্রনালয়ে ও বন অধিদপ্তরে ফ্যাসিবাদ সরকারে দুই আমলার কারনে ঐ স্বৈরাচারি সরকারের আমলের চেয়েও দুর্নীতি ঘুষবানিজ্য এখন দুর্নীতির দূর্গা সাগরে পরিনত হয়েছে।যাহা নিয়ে রীতিমত জাতীয় পত্রিকায় ও চ্যানেলে খবর প্রকাশ হচ্ছে। এতে যে নোবেল খ্যাত মর্যাদাপূর্ন উপদেষ্টার মানক্ষুন্ন হচ্ছে, সে দিকে কি লক্ষ আছে ?

আগারগাঁও বন অধিদপ্তর এখন এক দুর্নীতির দূর্গা সাগরে পরিণত হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সংস্থার ভেতরে গড়ে উঠেছে মন্ত্রনালয়ের সচিব ও প্রধান বন সংরক্ষক এর সংযুক্তে এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট।প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসেন গত ফ্যাসিবাদ সরকারের খাস আমলা ও কামলা ছিলেন। এ ছাড়া স্বৈরাচারি সরকারের জয় বাংলা “স্লোগান” কে রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করার মুখপাত্র ছিলেন। আমির হোসাইন চৌধুরী ২৫ মার্চ ২০২০ সালে বাংলাদেশ বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।এর পর হতেই  তার ইশারায় বন অধিদপ্তরের ভেতরে গড়ে উঠে এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট।এই সিন্ডিকেটের কারনে বন মন্ত্রনালয়েসহ সকল মন্ত্রনালয়ে এখন চাউর যে বন অধিদপ্তর হলো সব মন্ত্রণালয়ের চেয়ে দুর্নীতিতে চেম্পীয়ান। আবার কেহ কেহ বলেন বন অধিদপ্তর হয়েছে দুর্নীতির মহা দূর্গা সাগর।

আমির হোসেন এর শরীরে বইছে আওয়ামীলীগের রক্ত। যে কয়দিন ফ্যাসিবাদ সরকার ছিল  তত দিন তার  গুনগান গাইছে  তার কথামতন সব কিছু করে  হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা।  আর ঐ টাকা সে বিদেশে পাঁচার সহ তার চাচাতো ভাই সাজ্জাতুজ জুম্মা প্রতিষ্ঠিত শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকেশেয়ার ক্রয় করেছে বলে তার বংশের একাধীক ভাইরা নাম না প্রকাশ শর্তে জানান। এই আমির হোসেন অফিসার্সদের সমাবেশে বলেছেন সকল সমাবেশে স্লোগান হবে শুরুতে ও শেষে “জয় বাংলা-জয় বঙ্গবন্ধু”। যদি  স্বৈরাচার সরকার টিকে যেত তবে সরকারি সকল কর্মকর্তার প্রতি মুহুর্তে মন্ত্রণালয়ে প্রবেশের পরে তাসবিহ্ আদায়েরমত “জয় বাংলা” পড়তে হতো।

রিজওয়ানা হাসান ( উপদেষ্টা ) দেশের পরিবেশ সংরক্ষণে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য ২০০৯ সালে পরিবেশের নোবেল খ্যাত মর্যাদাপূর্ণগোল্ডম্যান এনভায়রনমেন্টাল প্রাইজঅর্জন করেন। আইনি ব্যবস্থা: তিনি পরিবেশের ক্ষতি করে এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও করেছেন।আইনি সামাজিক সুরক্ষা: স্থানীয় মানুষের ঐতিহ্যবাহী জীবিকা এবং কৃষি বন অধিকার রক্ষায় কাজ করেছেন। 

*এই অন্তবর্তীকালিন সরকারের আমলে কি রক্ষকই-ভক্ষক,না বেড়ায় খেত খাচ্ছে।কোনটা আমরা ধরে নেবো ?

এই বন বিভাগের অগোষিত পাহাড়াদার ছিলেন রিজওয়ানা হাসান। যিনি পাহারাদার আজ তিনি বন মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা। তিনি সচেতন নাগরিক হিসেবে দেশ ও জাতির জন্য দিন-রাত শারীরিক ও মানসিকভাবে জনগনের কৃষি বন এবং পরিবেশ রক্ষার কাজ করছেন।যার ফলে তার উপর জনগনের একটা আস্তা ছিল যে তার মন্ত্রনালয়ে সব মন্ত্রনালয়ের আগে ঘুষ, দুর্নীতি প্রতারনা বন্ধ হবে। স্বৈরাচারি সরকারে দোসরগন উচ্চপদ থেকে বাদ হবে। অন্ততো পক্ষে তাদের চাকরির বিধিমালা অনুযায়ী সাময়ীক বরখাস্ত করা হবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল সম্পুর্নটাই আলাদা। নতুনভাবে স্বাধীন হলো নতুন আইন যুক্ত হলো, নতুনভাবে সংস্কার হলো, সরকার বদল হলো  অথচো বন মন্ত্রনালয়ের সচিব ও প্রধান বন সংরক্ষক বহাল তবিয়তে রয়েছে। যাহারা উভয়ই ঐ ফ্যাসিবাদ সরকারে খাস চামচা বা খাস কামলা।যাদের স্বৈরাচারি সরকারের আমলেই বন অধিদপ্তরে ও মন্ত্রনালয়ে দুর্নীতি ও ঘুষ বানিজ্যর একটা মহা-দুর্নীতিবাজ সিন্ডিকেট ছিল। যারা ৫ আগস্ট এর পর সাময়ীকভাবে নিরব থাকলেও আস্তে আস্তে তারা ভয়াঙ্কর রুপ ধারন করে।  তাদের কর্মকান্ডে ছাত্র-জনতাসহ বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অনেকেই অন্তবর্তীকালিন সরকারের সুফলতার চেয়ে কুফলতা দেখে তাদের উপর থেকে আস্তা হারিয়ে ফেলেছে। বন অধিদপ্তরে বদলী নিয়োগ পদন্নোতিতে ঘুষবানিজ্য  স্বৈরাচারি সরকারেরমত  রীতিমত হচ্ছে।

 

আমির হোসেন,প্রধান বন সংরক্ষক

এই আমির হোসেন “জয় বাংলা’’ স্লোগানের ও মহেশপুর উপজেলার এসবি কে ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের সুন্দরপুর গ্রামের আওয়ামীলীগের রক্তের মাংসের লোক সংগ্রামী উপদেষ্টাকে নিশ্চুপ বানিয়ে ফেলেছেন। উপদেষ্টার গতি মতি সবই এই প্রতারক ও স্বৈরাচারি সরকারের দোসর আমির হোসেন বুঝে তাকে হাতে রেখে নয় ছয় বুঝিয়ে বন বিভাগের  জমি লীজ দিয়ে ,জমি বিক্রি ও  শত শত গাছ বিক্রি  করে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। কারন এখন মাঠে আর  ““বেলা” কেহ নেই কোন বাধার পাহাড়াদার। কেহ আদালতে মামলার হুমকি দেন না, কেহ মন্ত্রনালয়ে অভিযোগ দেওয়ারমত নেই। খালি মাঠে  গোল দিতেছেন আমির হোসেনের সিন্ডিকেট দল। দলে রয়েছেন  আর এস এম মনিরুল ইসলাম,বন সংরক্ষক, প্রশাসন ও অর্থ, উপপ্রধান বন সংরক্ষক মঈনুদ্দিন খান, উপপ্রধান বন সংরক্ষক গোবিন্দ রায় এবং প্রকল্প পরিচালক, সুফল প্রকল্পএবং সহকারী প্রধান বন সংরক্ষক বহুল বিতর্কিত মো: তৌফিকুল ইসলাম, তারেক ও ফরেষ্টার আরিফুল ইসলাম এবং উপদেষ্টার পিএস সহ মন্ত্রনালয়ের জনৈক কর্মকতা।

আমির  হোসেনরা ৩ ভাই  ও ৩ বোন ঃ আমির হোসেনের  বড় ভাই হলো জাকির হোসেন  রতন, সারের  ও টিনের ব্যবসা করেন, ছোট ভাই রোকন এর ফার্মেসী আছে, খালিশপুর বাজারে, মেজ ভাই  আমির হোসেন ( রথিন ) নিজে। বড় বোনের নাম- রাশিদা খাতুন হাসি বেগম, বড় বোনের স্বামী– শফিকুল ইসলাম বোদর। মেঝ বোন হেনা, খুলনায়, ছোট বোনের নাম – মিনু, বিবাহ হয়েছেন – যশোরে।এরা সবাই-ই বংশগত আওয়ামীলীগ। তাদের গ্রাম সুন্দরপুরে গেলেই আমির হোসেনের আসল রুপ-গুন,জ্ঞান সবই জানতে পারবেন।অথচ সেই আওয়ামীলীগের দোসরকে নিয়ে বন বিভাগে রীতিমত দুর্নীতি প্রতারনা হয়েই যাচ্ছে। দেখার মত যে ছিল সেও নাকি এখন তার আগারগাঁও বন অধিদপ্তরে অফিস করেছেন। কি খেলা হচ্ছে এ প্রশ্ন এখন অধিদপ্তরের মধ্যেই সিমাবদ্ধ নয়। যে দুর্নীতির, অনিয়মের ও প্রতারকের  জন্য স্বৈরাচারি সরকারকে উৎখাত করা হয়েছিল তার চেয়ে এখন বন অধিদপ্তরে দুর্নীতি মহামারি রোগে ছড়িয়ে পরেছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।নিয়োগ, পদন্নোতি , বদলী , জমি লীজ, গাছ বিক্রি  থেকে শুরু করে প্রকল্পের বরাদ্দসবখানেই চলছে গোপন দরকষাকষি, ঘুষ আর তদবির বাণিজ্য।

আওয়ামীলীগের আমলে দুর্নীতি প্রতারনা অবৈধ সকল কাজ প্রকাশ্যে বন্ধ থাকলে,,  স্বঘোষিত ছিল বৈধ। সেই আমলে সেই স্বৈরাচারি সরকার যাদের অবৈধকে বৈধ্য দেয়ার পরও দোষি হিসাবে সাময়িক বরখাস্ত করেছে , তাদের এই  অন্তবর্তীকালিন  সরকারের আমলে কি করে পদন্নোতি দেয় তা আমার বোধগম্য নয়। যে  সংগ্রামী, সাহসী নারী দেশের বনের , পরিবেশের উন্নয়নের জন্য যুদ্ধ করতো আজ সে ঐ মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা । তারপর কি করে সর্ব মন্ত্রনালয়ের চেয়ে বেশি দুর্নীতি অবৈধ কাজ হয় তা নিয়ে সাধারন মানুষসহ বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের মাঝে নানান প্রশ্ন জাগরন হয়।সেই মন্ত্রনালয়ে কি করে আওয়ামীলীগের সচিব, প্রধান বন সংরক্ষক আজ ১৬ মাস পর্যন্ত বহাল তবীয়তে থাকেন। জনগনের কাছে ও সাংবাদিকদের  চোখে সচিবের ও প্রধান বন সংরক্ষকের সিন্ডিকেটের দুর্নীতির সেরেস্তা ধরা পরে অথচো  উপদেষ্টাদের চোখে না পরার কারন কি ? তবে কি ঐ স্বৈরাচারি সরকারের  চরিত্রেরমত তাদেরও চরিত্রে পরিনত হয়েছে।

আমির হোসেনের উত্তরা আবাসিক এলাকায়  প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকা মুল্যোর ফ্ল্যাট রয়েছে।  আমির হোসেন সিসিএফ হওয়ার পুর্ব পর্যন্ত ঐ বাসায় তার পরিবার নিয়ে থাকতেন। বর্তমানে চিড়িয়াখানা বোটানি গার্ডেনের ভিতরে সিসিএফ আমির  হোসেন  বাসভবন তৈরী করে সেখানে পরিবারবর্গ নিয়ে বসবাস করেন। তবে আমির হোসেনের  সকল অপকর্মের আর সকল  সফলতার পিছনে হাত রয়েছে তার প্রিয়  বন্ধু, হৃদয়ের বান্ধব তার নিচের– আর এস এম মনিরুল ইসলাম, বন সংরক্ষক, প্রশাসন ও অর্থ, মনিরুল ইসলামের ডান হাত ছিল  সাবেক মন্ত্রী সাহাবুদ্দিন ও তার ছেলে জুম্ম্ন। এই মন্ত্রীর কারনে মনিরুল ইসলাম বন ভবনের প্রতিজন কর্মকর্তার সাথে খারাপ আচরন করতো । তার কথা না শুনলে তাকে অন্যত্র বদলী করে দিতো । সাসপেন্ট করার হুমকি দিতো। তার ভয়ে কেহ কিছু বলতো না । মনিরুল ২০২৪ এর  জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় নির্বাচনের প্রচারনার কাজে জ্বালানীসহ তার সরকারী গাড়ী সাহাবুদ্দিনকে  ব্যবহার করতে দিয়েছিল। এর পর হতেই মনিরুল ইসলাম বন ভবনে যা অবৈধ আর অনৈতিক কর্ম করতেন সবই বৈধ হয়ে যেত।  তার সাথে যোগ হয়ে ছিল বর্তমান মন্ত্রনালয়ের সচিব । জগলুর হোসেনকেসহ তাদের কথার অবাধ্য অনেক  কর্মকর্তাকেই মনিরুল, আমির হোসেন ও সাহাবুদ্দিনের ছেলে এবং সচিব মিলে পদন্নোতি দেয় নাই বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।  সকল পদন্নোতি পেয়েছে  তখন  মন্ত্রীর ও মনিরুলের এবং আমির হোসেনের আস্তাভাজন লোকজন। এই বদলী নিয়োগ পদন্নোতি দিয়ে এই সিন্ডিকেট দল কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ আছে।এদের সাথে আরও যোগ দেন তারেক।  বর্তমানে আমির  হোসেন ও জুম্মনের বাবা মন্ত্রী সাহাবুদ্দিন এর নামে দুদকে অভিযোগ হয়েছে যাহা দুদক তদন্ত করছে বলে জানা যায়।

সাবেক  বন ও  পরিবেশমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন

সাবেক বন পরিবেশমন্ত্রী শাহাব উদ্দিনের ছেলে জাকির হোসেন জুমনসহ  পাঁচ কাঠা জমি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে আটটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালত আদেশ দেন। এসব জব্দ অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদন করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মো. আলমগীর হোসেন।

দুদকের আবেদনে বলা হয়, ক্ষমতার অপব্যবহার করে এসব অর্জন করেছেন অভিযুক্তরা। অর্থ আত্মসাৎপূর্বক সম্পদ অর্জনের অভিযোগও রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। তাই অনুসন্ধানের স্বার্থে এসব সম্পদ জব্দ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন।

 আমির হোসেন ও মনিরুল ইসলাম ডিএফও থেকে শুরু করে বিট কর্মকর্তার পর্যন্ত ভয়াবহ বদলি নিয়োগ বাণিজ্য করছে । বন রক্ষার নামে একের পর এক প্রকল্প হাতে নেওয়া হলেও, সেসব এখন কেবল অর্থ লুটপাটের উৎসে পরিণত হয়েছে। নিয়োগ, বদলি টেন্ডার বাণিজ্যের মাধ্যমে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা উপার্জনই যেন সিনিয়র কর্মকর্তাদের মূল কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে আলোচনার বাইরে থাকা এই দপ্তরে কয়েক বছর চাকরি করেই অনেক কর্মকর্তা হয়ে যাচ্ছেন বাড়িগাড়ির মালিক, এমনকি বিদেশেও কিনছেন সম্পদ।অভিযোগ রয়েছে বন অধিদপ্তরের প্রভাবশালী কর্মকর্তাদের বাড়িতে অভিযান চালালে বহুল আলোচিত ওসমান গনির বালিশের ও কলস ভর্তী টাকার কেলেঙ্কারির দৃশ্য হার মানাবে।

সিন্ডিকেটের ছায়ায় পদোন্নতির বাণিজ্য:

অনুসন্ধানে জানা গেছে, অর্থের বিনিময়ে বহিষ্কৃত দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের পদোন্নতি থেকে শুরু করে ফরেস্টারদের বন বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ রেঞ্জের দায়িত্বে বসানো হচ্ছে। কেউ বেশি টাকা দিতে পারলে নিজের এলাকায়ই পাচ্ছেন পোস্টিং, কেউ বা একই স্টেশনে বছরের পর বছর বসে আছেন। একাধিক কর্মকর্তার ভাষায়, বন বিভাগে এখন টাকা ছাড়া কোনো কাজই হয় নানিয়োগ থেকে বদলি, সবকিছুরই আলাদা  আলাদা পরিমানের  অর্থ  নির্ধারিত রয়েছে।

অভিযোগ উঠেছে, এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে রয়েছেন প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসেন চৌধুরী, সচিব ও আর এস এম মনিরুল ইসলাম, বন সংরক্ষক, প্রশাসন ও অর্থ, উপপ্রধান বন সংরক্ষক মঈনুদ্দিন খান  বন সংরক্ষক বিপুল কৃষ্ণ রায় এবং সহকারী প্রধান বন সংরক্ষক বহুল বিতর্কিত মো: তৌফিকুল ইসলাম তারেক ও গোবিন্দ রায় । এই সিন্ডিকেটের যোগসাজশেই বন অধিদপ্তরের প্রশাসন  বিভাগসহ  সর্বরকমের কাজ সফলভাবে সমাধান হচ্ছে। কর্মকর্তা বদলি, পদোন্নতি কিংবা নতুন নিয়োগসব ক্ষেত্রেই নির্ধারক হয়ে উঠেছে আর্থিক লেনদেন। অভিযোগ আছে, প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পদোন্নতির পেছনে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য চলছে এই  মহাশক্তিমান  সিন্ডিকেটের ছায়ায়। (চলবে)

  • শেয়ার করুন