২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার,সকাল ৬:৫৫

শিরোনাম
সন্ত্রাসমুক্ত ও সুশাসনের বাংলাদেশ: ত্যাগী কর্মীদের অধিকার রক্ষা জরুরি ‘সবার আগে তোর লাশ পড়ে থাকবে’ হুমকির পর কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ড ভ্যান ভাঙচুর হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের দানবাক্সে মিলল ৮৮ লাখ টাকা জেলা প্রতিনিধি : উন্নত দেশগুলোকে জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণের আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হচ্ছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়, যে নাম হতে পারে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ ত্বরান্বিত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর আজ খুলনা যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন প্রধানমন্ত্রীর পূজায় টানা ৫ দিনের সরকারি ছুটি শুরু

চুল কেটে ও মরিচের গুঁড়া দিয়ে নারীকে নির্যাতনের মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৪, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ঝিনাইদহে বাড়িতে ঢুকে এক নারীর (৪০) মাথার চুল কেটে এবং শরীরে মরিচের গুঁড়া লাগিয়ে নির্যাতনের ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি আন্না খাতুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার দুপুরে হরিণাকুণ্ডু এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) শেখ বিল্লাল হোসেন। তিনি বলেন, মামলার পর থেকে আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। দুপুরে হরিণাকুণ্ডু থেকে মামলার ১ নম্বর আসামি আন্না খাতুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্য আসামিদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার একটি গ্রামে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওই নারীর বাড়িতে ঢুকে মাথার চুল কেটে ও শরীরে মরিচের গুঁড়া লাগিয়ে নির্যাতন করা হয়।

পুলিশ জানায়, ওই গ্রামের আনোয়ার হোসেন নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানোর অভিযোগ তুলে আনোয়ারের স্ত্রী আন্না খাতুন, দুই মেয়ে ও ছেলে এ ঘটনা ঘটায়। আবদুর রশিদ নামের এক ব্যক্তি তাঁদের সহযোগিতা করেন।

এ ঘটনায় আন্না খাতুনকে প্রধান আসামি করে পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী। মামলার পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে গিয়েছিলেন। ঘটনাটি ঝিনাইদহে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়। পরে আজ দুপুরে হরিণাকুণ্ডু থেকে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, তাঁরা দরিদ্র পরিবার। স্বামী ইজিবাইক চালান। একমাত্র ছেলে সেলুনে কাজ করেন। সম্প্রতি এক খণ্ড জমি বিক্রি করে বাড়িতে পাকা ঘর দিচ্ছেন তাঁরা। কিন্তু আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী-সন্তানেরা মনে করছেন, ঘর করতে আনোয়ার টাকা দিয়েছেন। এই সন্দেহে তারা পরিকল্পিতভাবে এই নির্যাতন চালিয়েছে।

 

  • শেয়ার করুন