৭ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার,রাত ১:৫২

শিরোনাম
ডিএনসিসির কাউন্সিলর শফিকুলের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত প্রতিবেদন স্বাস্থ্যসেবা মানুষের মৌলিক অধিকার,কোনো বিশেষ সুবিধা নয়: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা শামছুল ইসলামের দায়িত্ব বাড়ল শীর্ষ ২০ ঋণখেলাপির তালিকা সংসদে, ২০২৫ পর্যন্ত খেলাপি ঋণ প্রায় সাড়ে ৫ লাখ কোটি টাকা নওগাঁয় সংসদ সদস্যের বাড়িতে নিয়ে বিএনপি নেতাকে মারধরের অভিযোগ ডিএমপির উচ্ছেদ অভিযান, শেষ দিনে ৯ জনকে সাজা সাড়ে তিন লাখ টাকা জরিমানা এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেশি নেওয়ায় ব্যবসায়ীকে জরিমানা যথাযোগ্য মর্যাদায় বন্দর গণহত্যা দিবস পালিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে প্রকাশ্যে গুলি চালানো অস্ত্রধারীরা ২১ মাসেও ধরা- ছোঁয়ার বাইরে

ডিএনসিসির কাউন্সিলর শফিকুলের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত প্রতিবেদন

প্রকাশিত: এপ্রিল ৬, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

নিজস্ব সংবাদদাতা ঃ

দুদক প্রধান কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ৩১ নম্বর ওয়ার্ড (মোহাম্মদপুর) কাউন্সিলর মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের (সেন্টু) বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (৬ এপ্রিল) দুদক প্রধান কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদনে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা মামলা দায়েরের সুপারিশ করেছেন।

অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্ত শফিকুল ইসলামের নামে মোট ৬ কোটি ৬৩ লাখ ৬৫ হাজার ৩৫৭ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তার বিপরীতে ২ কোটি ৩১ লাখ ৭৫ হাজার ৫৪৪ টাকার ঋণ বা দায় রয়েছে। দায়-দেনা বাদ দিলে তার নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ৩১ লাখ ৮৯ হাজার ৮১৩ টাকা।

এছাড়া পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় হিসেবে ১ কোটি ২০ লাখ ১২ হাজার ৩২৫ টাকা হিসাব করা হয়েছে। ফলে মোট সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫ কোটি ৫২ লাখ ২ হাজার ১৩৮ টাকা।

অপরদিকে, তার বৈধ ও গ্রহণযোগ্য আয়ের উৎস হিসেবে পাওয়া গেছে ২ কোটি ৯৬ লাখ ৫১ হাজার ২৯০ টাকা। এর ফলে তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২ কোটি ৫৫ লাখ ৫০ হাজার ৮৪৮ টাকা, যা মোট সম্পদের প্রায় ৪৬ দশমিক ২৮ শতাংশ।

দুদকের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে অর্পিত ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি এ সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রেখেছেন বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়েছে।

এ প্রেক্ষিতে, তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় একটি মামলা দায়েরে জন্য কমিশনের অনুমোদন চাওয়া হয়েছে।

দুদক জানায়, দুদকের কমিশন গঠন হওয়ার পর তার বিষয়টি কমিশনে উপস্থাপন করা হবে।

 

 

  • শেয়ার করুন