প্রকাশিত: নভেম্বর ২৮, ২০২৫

জেলা প্রতিনিধি ঃ
ভোলায় পূর্ব বিরোধের জেরে মো.মাইনুদ্দিন (৩২) নামে এক যুবকের মুখে এসিড নিক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী মো.হাবিবুল্লাহ রুবেলের বিরুদ্ধে। এতে ঝলসে গেছে তার মুখমণ্ডল। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে ভুক্তভোগীর ভাই বাদী হয়ে ভোলা সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এবং অভিযুক্তকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) সকালে ভুক্তভোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভোলা জেনারেল হাসপাতাল থেকে নিয়ে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। এবং সেখানেই তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন
এর আগে,বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিকেলে ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের নবীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত হাবিবুল্লাহ রুবেল একই গ্রামের মো.ছিদ্দিকের ছেলে।
ভুক্তভোগীর ভাই মো.নাদিম জানান,প্রতিবেশী মুরগীর খামারী মো.হাবিবুল্লাহ রুবেল তার ব্যাংক ঋণের জামিনদার হওয়ার জন্য আমার ভাই মো.মাইনুদ্দিন ও মাকে চাপ দেন। এতে রাজি না হওয়ায় রুবেল ক্ষিপ্ত হয়ে বিভিন্ন সময়ে গালমন্দ ও হুমকি দেন। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় বুধবার বাড়ির সামনের রাস্তায় মাইনুদ্দিনকে মারধরের পর তার মুখে এসিড নিক্ষেপ করে। এতে তার মুখমন্ডল সহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার জন্য ভোলার ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট চিকিৎসাধীন আছেন।
তবে অভিযুক্ত মো.হাবিবুল্লাহ রুবেলের স্ত্রী আমেনা বেগমের দাবি,হাবিবুল্লাহ রুবেল মানসিক রোগী। তিনি দোকান থেকে ওষুধ নিয়ে মাইনুদ্দিনের বাজারের ব্যাগে মারে। এতে মাইনুদ্দিন রেগে গেলে তার মুখেও মারে। ওই এসিডে অভিযুক্ত রুবেলের হাতও ঝলসে গেছে বলে জানান তার স্ত্রী।
এ বিষয়ে ভোলা সদর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু শাহাদৎ মো.হাচনাইন বলেন,ভুক্তভোগীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়া হয়েছে,তার ভাই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।