প্রকাশিত: অক্টোবর ৩১, ২০২৫
প্রকাশিত:
হিমু ঃ
অপেশাদার সাংবাদিকরা নেতাদের সাথে সারা দিন চাম-চামি ও তাদের গনগন সালাম এবং ডিজিএফ আইর মত পেশাদার সাংবাদিকদের নামে মিথ্যা কুৎসা রটাইয়া নেতাদের মধ্যে বিভাজন করে দেয়। কিন্তু নেতারা বুঝেন না যে, যার নামে কুৎসা বলছে তার সাথেতো তার (নেতার ) কোন দন্ধ নাই । কেন সে আমাকে খারাপ ভাববে এটা নেতা চিন্তা করে না। যদি চিন্তা করতো যে পেশাদার সাংবাদিক “ক” খ“ এর নামে বার বার বদনাম করে কেন ? ক” খ “ তো আমার শত্রু না। তারাতো আমাকে দেখলে সালাম বিনিময় করেন, কথা বলেন। তারাতো আমার সাথে কারো বিষয় কিছু বলে না। এরা কোন স্বার্থে আমার কাছে গুর গুর করে তা খুঁঝে বেড় করা উচিত ছিল । তা- না করে তাদের আশ্রায় দিয়ে গেছেন। তাতে লাভবান হয়েছে ঐ অপসাংবাদিকের, আপনি পরেছেন মিথ্যা অপবাদে। তার কাজ হাসিল করে আপনাকে ল্যাঙ্গ মেরে সরে পরেছে। এবার ধরেছে নতুন স্বামী। তাদের কাজ হলো অন্যদের দুরে সরিয়ে রাখা। যাহাতে তাদের বিষয়ে কোন কিছু আপনি জানতে না পারেন। এ জন্যই ক“ খ“ এর নামে তারা ধারাবাহিক বদনাম করতো। কেহ আপনার কাছে পোছার আগেই তারা দলবদ্ধভাবে আপনার কছে পৌছে যেত। তারা সারা দিন আপনার ( নেতার ) অপেক্ষায় প্রেস ক্লাবের আনাচে- কানাচে বসে থাকতো আর চিল পাখির মত নজর থাকতো আপনারা কখন প্রবেশ করেন । গাড়ী থেকে নামলে ওঠলে সব সময় দেখা যায় তারা হাজির। আমার প্রশ্ন নেতা আপনার কাছে ,,, আপনিও কি অপেশাদারদের মত অন্যের চাম-চামি করে সাংবাদিক পেশায় নাম লেখছেন ? যদি সে রকম না হন আপনি ? তবে অপেশাদারদের স্থান দেন কেন ?? আপনার / আপনাদের কিশের অভাব ?
কিছু মানুষ আছে স্ত্রী”র কথায় মা”কে দুড়ে সরিয়ে দেয়। কারন স্ত্রী ‘তো স্বামীর কাছে সারা দিন থাকে, মায়ের সম্মন্ধে কুৎসা বদনাম সারা দিনই করতে পারে। যার ফলে এক সময় মায়ের কথা ভুলে যায়। স্ত্রী” র কথামতন স্ত্রী’র নামে বাড়ী গাড়ী করে দেয়।মায়ের কষ্ট,, কষ্টই রয়ে যায়। কিন্তু হঠাৎ দেখা যায় ঐ স্ত্রী’ স্বামীকে ফেলে অন্য পুরুষের সাথে চলে যায়।ঠিক তেমনি অপেশাদার সাংবাদিকদের চামচামির কারনে পেশাদার সাংবাদিকগন অনেক পদ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। পেশাদার সাংবাদিকদের কষ্ট,, ঠিকেই রয়ে গেছে। আর ঐ চামচাও ঐ স্ত্রীর মত পুর্বের তিন নেতাকে ল্যাঙ্গ মারে শেষ করে নতুন তিন নেতাকে ধরে সামনে আগাবার চেষ্টা করছে। তারা ও” ও ই-কে বাদ দিয়ে ন” কে ধরছে, এখন আবার ন ও ব-কে বাদ দিয়ে, ব ও জ এবং রু ও লি- কে পুনরায় ধরে তার নেতাদের পদে পদন্নোতির চেষ্টায় অব্যাহত রয়েছে।নেতারাই নিজেদের পায়ে কুড়াল মারলেন। এমন এক অপসাংবাদিক,, পেশাদার সাংবাদিককে বলছে”” আপনারও যেমন অধিকার ক্লাবে আমারও তেমন অধিকার । কথাটি শুনে আমার মন থেকে অনেক কষ্ট দূড় হয়েছে । কারন একজন সাংবাদিকের কাছে অনেক ধরনের মানুষ আসে। অনেক বন্ধু থাকে তাদের। যারা আসে সবাই-ই তার তার কোন স্বার্থের জন্য আসে। এজন্য তাদের অতিথি আপ্যায়ন করা যেতে পারে , তাদের সাথে নিয়ে ক্লাবের ভিতরে বসা যেতে পারে , কিন্তু তাকে সাংবাদিক বা সাংবাদিক সদস্য বা সাংবাদিক নেতা বানানো ঠিক না। যে দিন তাকে সাংবাদিক পেশায় নিয়োজিত করবেন সে দিন থেকেই আপনার ও তার মান এক হয়ে যাবে । ঐ ব্যাক্তিও আপনার স্থান দখল করতে চাইবে ,আপনার মত পদ পদবী নেবার চেষ্টা করবে । একদিন আপনিও মাথা টাকাবেন কি ভুল করছেন। অপেশাদারদের ক্ষনিকের ভালোবাসায় পদ পদবী দিয়ে দিয়েছেন । আর প্রাপ্যদের দেন নাই এর জন্য আখেরাতে জবাব দিতে হবে। যে সব পদ পেশাদারগন পাবার কথা তা অপেশাদার চামচাদের দিয়ে পুর্ন করায় পেশাদার গন বঞ্চিত হয়েছে । এটাতো ঠিক না ?