প্রকাশিত: আগস্ট ২৬, ২০২৫
ক্রীড়া প্রতিবেদক: ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো এএফসি এশিয়ান কাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। আগামী বছর মার্চে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে এশিয়ান কাপ। সেই উপলক্ষ্যে ইতোমধ্যে নানা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে অক্টোবরে নারী ফিফা উইন্ডোতে থাইল্যান্ডে দু’টি প্রীতি ম্যাচ খেলবেন পিটার বাটলারের শিষ্যরা।
আজ বুধবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে (বাফুফে) সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মাহফুজা জানান, থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ২৫ ও ২৮ অক্টোবর দুটি ম্যাচ খেলবে মেয়েরা।
তিনি বলেন, ‘আমরা সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে মেয়েদের ক্যাম্প শুরু করবো। এরপর অক্টোবরে থাইল্যান্ডে গিয়ে দুটি ম্যাচ খেলবো।’
এই দুই ম্যাচ শেষে জাপানে জাতীয় ও অনূর্ধ্ব-২০ দলকে অনুশীলনের জন্য পাঠানো হবে বললেন তিনি, ‘৩০ অক্টোবর দল চলে যাবে জাপানে। ফিরবে নভেম্বরের ২০ তারিখে। সেখানে আমাদের ৪০ জনের স্কোয়াড থাকবে। অনূর্ধ্ব-২০ দলের কিছু খেলোয়াড়ও নেবো সঙ্গে। সব মিলিয়ে জাপানকে আমরা চিঠি পাঠিয়েছি, এটার নিশ্চয়তা এখনো আসেনি। তবে এসে যাবে।’
তারপর দুই দলের প্রস্তুতির জন্য ঢাকায় ত্রিদেশীয় টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে বাফুফে। মাহফুজা বলেছেন, ‘জাপান থেকে ফিরে এসে আমরা নভেম্বর ডিসেম্বরের উইন্ডোতে খেলবো। চেষ্টা থাকবে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলার ঢাকাতে। মধ্য এশিয়া থেকে একটি দেশ থাকবে আজারবাইজান। এছাড়া ভিয়েতনামকে চিঠি দিয়েছি। আশা করি ভিয়েতনাম আসবে। না হলে বিকল্প কোনও দলকে ডাকবো। আর যদি ত্রিদেশীয় সিরিজ না হয় তাহলে আমরা যেকোনও একটা দেশের সঙ্গে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলবো।’
মার্চের আগে ৬টি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা বাফুফের। অস্ট্রেলিয়ায় যাওয়ার আগে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে ম্যাচ হতে পারে। মাহফুজা বললেন, ‘জানুয়ারিতে অনুশীলন করে ফেব্রুয়ারিতে আমরা আসিয়ানের কোনও দেশের সঙ্গে হয়তো প্রীতি ম্যাচ খেলবো। এছাড়া নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে দুটি ম্যাচ খেলার কথাবার্তা চলছে। তাদের সঙ্গে খেলতে পারলে আমরা সেখান থেকে সরাসরি চলে যাবো অস্ট্রেলিয়ায়। এখন পর্যন্ত এটাই আমাদের পরিকল্পনা। যাওয়ার পথে আমরা যাদের সঙ্গে পারি খেলবো। সেটা সিঙ্গাপুর, হংকং, মালয়েশিয়াও হতে পারে।’
২০২৬ সালের ১ থেকে ২১ মার্চ অস্ট্রেলিয়ায় হবে এশিয়ান কাপ। বাংলাদেশের গ্রুপে আছে নয়বারের চ্যাম্পিয়ন চীন ও তিনবারের চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়া। আরেক প্রতিপক্ষ উজবেকিস্তান।
১২টি দল তিন গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলবে। প্রত্যেক গ্রুপের সেরা দুটি করে মোট ৬ দল সরাসরি যাবে কোয়ার্টার ফাইনালে। তাদের সঙ্গে গ্রুপ পর্বে তৃতীয় হওয়া তিন দলের সেরা দুই দলও পাবে একই পর্বে খেলার সুযোগ।